ফ্রিজে কাঁচা মাছ রেখেও স্বাদ অটুট রাখার সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ফ্রিজে কাঁচা মাছ(Fish) রেখেও স্বাদ অটুট রাখার সহজ পদ্ধতি সম্পর্কে। যারা মাসের বাজার বা সপ্তাহের বাজার একবারে করে রাখেন তাদের অনেক সময়ই ডীপ ফ্রিজে কাঁচা মাছ রাখতে হয়। যার ফলাফল কিছুদিন ফ্রিজে মাছ(Fish) রেখে দিলেই মাছের স্বাদ(Taste) পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। খেতে শুকনো লাগে এবং আঁশটে গন্ধ বেশি লাগে। আবার ফ্রিজে বেশিদিন মাছ(Fish) রাখলে সেটা খেতেও মন চায় না।


ফ্রিজে কাঁচা মাছ বেশীদিন রেখে দিলে মাছ(Fish) খাওয়াই যায় না, ফেলে দিতে হয়। কিন্তু এই সমস্যার রয়েছে খুবই সহজ ছোট্ট একটি সমাধান। আপনি চাইলেই মাছের তাঁজা ভাব ফিরিয়ে আনতে পারেন খুব সহজ একটি পদ্ধতিতে। জানতে চান কীভাবে? ফ্রিজে রাখা মাছের তাঁজা স্বাদ(Taste) ফিরিয়ে আনতে আর আঁশটে গন্ধ দূর করতে পানির সাথে গরুর দুধের মিশ্রনের কার্যকারিতা খুবই প্রশংসনীয়!

যেভাবে প্রয়োগ করবেন-
প্রথমে ফ্রিজ থেকে মাছ(Fish) বের করে বরফ বা ঠাণ্ডা ছাড়িয়ে নিন। এরপর মাছের পিসগুলো একটি বড় বাটিতে দুধ(Milk) মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন প্রায় ৩০-৪০ মিনিট। সময় পেরিয়ে গেলে দুধ মিশ্রিত পানি থেকে মাছ(Fish) তুলে তারপর স্বাভাবিক ভাবে ধুয়ে রান্না করুন।

দেখবেন মাছের তাজা স্বাদ ফিরে এসেছে এবং আঁশটে গন্ধও নেই একেবারেই। দারুণ, পদ্ধতি তাই না?

ইলিশ খিচুড়ি রেসিপি Elish Khicuri Recipe Bd

1 comment

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ইলিশ খিচুড়ি(Hilsa khichuri) রেসিপি। এই মেঘ-বৃষ্টি আবহাওয়ায় সরিষার তেলে রান্না করে ফেলতে পারেন মজাদার ইলিশ খিচুড়ি। আসুন তাহলে জেনে নেই কীভাবে রাঁধবেন ইলিশ খিচুড়ি(Hilsa khichuri)।


উপকরণঃ মুগ ডাল- ১ কাপ, মসুরের ডাল- ১ কাপ , বাসমতী চাল- ৪ কাপ, ইলিশ মাছ- দেড় কেজি , সয়াবিন তেল- ১/৩ কাপ, সরিষার তেল- ১/৩ কাপ , দারুচিনি- ৩টি,এলাচ- ৫টি, তেজপাতা- ২টি , শাহি জিরা- ১ চা চামচ, পেঁয়াজ(Onion) কুচি- ১ কাপ, হলুদের গুঁড়া- ১ চা চামচ , লবণ(Salt)- স্বাদ মতো , মরিচের গুঁড়া- স্বাদ মতো, আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ, রসুন(Garlic) বাটা- ১ টেবিল চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ- কয়েকটি ।

প্রস্তুত প্রণালিঃ মাঝারি আঁচে মুগ ডাল ভাজুন। সুগন্ধ বের হতে শুরু করলে নামিয়ে নিন। চালের সঙ্গে দুই ধরনের ডাল মিশিয়ে ধুয়ে রেখে দিন পানি ঝরানোর জন্য। ইলিশ মাছ(Hilsa fish) টুকরো করে স্বাদ মতো লবণ ও ১ চা চামচ করে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া দিয়ে মেখে নিন। হাঁড়িতে দুই ধরনের তেল একসঙ্গে গরম করে ইলিশ মাছের টুকরা ভাজুন। প্রতি পাশ ৩ মিনিট করে ভাজবেন। ভাজা হয়ে গেলে মাছ উঠিয়ে একই তেলে দারুচিনি(Cinnamon), এলাচ, তেজপাতা ও শাহি জিরা দিয়ে দিন। বুদবুদ উঠতে শুরু করলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন।

পেঁয়াজ(Onion) নরম হয়ে গেলে আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। ৩-৪ টেবিল চামচ পানি দিন। কষানো হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল-ডালের মিশ্রণ ও স্বাদ মতো লবণ(Salt) দিয়ে নেড়ে নিন। ভেজে নেওয়া হলে ১০ কাপ গরম পানি দিন। ফুটে উঠলে চুলার আঁচ মিডিয়ামে করে ঢেকে দিন হাঁড়ি। পানি শুকিয়ে খানিকটা ভেজা থাকা অবস্থায় হাঁড়ির অর্ধেক খিচুড়ি উঠিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিন। কাঁচা মরিচ(Green pepper) ছিটিয়ে উঠিয়ে রাখা খিচুড়ি দিয়ে ঢেকে দিন মাছ। দমে রাখুন ১০ মিনিট। নামিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম।

বুটের ডাল দিয়ে মুরগির মাংস রান্নার রেসিপি

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো বুটের ডাল দিয়ে মুরগির মাংস(Chicken) রান্নার রেসিপি। গরম ভাত, পোলাও, রুটি কিংবা পরোটার(Parotta) সাথে মাংস আর ডালের এই পদটি খেতে বেশ লাগে। অনেকে রাঁধতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। বুট সেদ্ধ হতে হতে মুরগি(Chicken) হয়তো বেশি সেদ্ধ হয়ে যায়! অথবা মশলার ব্যবহারে ভুল। সুস্বাদু এই পদটি রান্না করতে চাইলে জেনে নিতে হবে এর রন্ধন প্রণালি। চলুন জেনে নেয়া যাক-


উপকরণ :
মুরগির মাংস – ১ কাপ
বুটের ডাল – ১ কাপ
পেঁয়াজ(Onion) পাতলা চাকা করে কাটা – ১ কাপ
কাঁচা মরিচ চেরা – ৪ টি
আদা বাটা – ২ চা চামচ
রসুন(Garlic) বাটা – ২ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া – ২ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
হলুদ – ২ চা চামচ
লবণ(Salt) – স্বাদমতো
সয়াবিন তেল – ১ কাপ
গোটা জিরা – হাফ চা চামচ
তেজপাতা – ১ টি
দারুচিনি(Cinnamon) – ২ ফালি
থেতলানো সাদা এলাচ – ৪ টি।

প্রণালি:
একটি পাতিলে বুটের ডাল ভালোভাবে ধুয়ে তার মধ্যে ৩ ভাগের ১ ভাগ পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ১ চা চামচ করে আদা(Ginger) ও রসুন বাটা, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া(Pepper powder), লবণ ও তেল আর আন্দাজমতো পানি দিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট রান্না করুন। এবার আঁচ কমিয়ে ২০ মিনিট রান্না করুন।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

মুরগি ছোট টুকরা করে কেটে নিয়ে ধুয়ে নিন। প্যানে তেল(Oil)দিন। তেল গরম হলে হাফ পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ বাদামি হলে বাকি সব মশলা একে একে দিয়ে আঁচ কমিয়ে মশলা গুলো ভেজে নিন। এবার মুরগির টুকরাগুলো দিন। আঁচ একটু বাড়িয়ে দিয়ে মাংস(Meat) গুলো ভেজে নিন। আন্দাজ মতো পানি(Water) দিয়ে ঢাকনা দিয়ে আঁচ কমে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে বুটের ডালের মধ্যে মাংসগুলো ঢেলে দিন। ৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে রাখুন ।

অন্য একটি পাতিলে বাকি তেল দিন, তেল গরম হলে বাকি পেঁয়াজ(Onion) দিন । পেঁয়াজ বাদামি হলে আস্ত জিরা দিন। জিরা ফুটলে ডালগুলো ঢেলে দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ঝটপট ইলিশ মাছের কোরমা রেসিপি Ilish Korma Recipe

1 comment

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ঝটপট ইলিশ(Ilish) মাছের কোরমা রেসিপি সম্পর্কে। বাজারে এখন প্রচুর ইলিশ(Ilish) পাওয়া যাচ্ছে। যেমন টাটকা তেমনই দামে কম। তাই এই সময়ে রাধতে পারেন ইলিশ মাছের প্রকরণ। তবে আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব ইলিশ(Ilish) মাছের কোরমা রান্নার রেসিপি। আসুন তাহলে দেখে নিন কিভাবে রান্না করবেন ইলিশ মাছের কোরমা।


এর রেসিপি দেওয়া হলো-

উপকরণ :

১) মাঝারি সাইজের ইলিশ(Ilish) মাছের কয়েক টুকরো।

২) নারকেল বাটা দুই টেবিল চামচ।

৩) পেঁয়াজ(Onion)কুচি দেড় কাপ।

৪) আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা এক চামচ।

৫) টমেটো(Tomato) কুচি।

৬) হলুদ গুড়া এক চামচ।

৭) কাঁচা মরিচ বাটা এক চামচ।

৮) শুকনা মরিচ গুঁড়া।

৯) কাজুবাদাম(Almond) বাটা এক টেবিল চামচ।

১০) পোস্তদানা বাটা এক টেবিল চামচ।

১১) টকদই(Sour yogurt) দুই চামচ।

১২) চিনি ও লবণ(Salt) স্বাদমত।

১৩) সয়াবিন তেল ও তেজপাতা।

প্রণালি:

মাছগুলো প্রথমে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। এবার কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ(Onion))কুচি ভাজতে হবে। খুব বেশি লাল করে ভাজা যাবে না। মিডিয়াম আঁচে নরম করে ভাজতে হবে। চাইলে এই সময় অল্প লবণ(Salt) দেওয়া যেতে পারে। এতে পেঁয়াজ ভাজিটা নরম হবে। এখান থেকে কিছু ভাজা পেঁয়জ তুলে রাখুন। কেননা রান্নার শেষে এর ওপরে ছিটিয়ে দেওয়ার জন্য। এখন বাকি পেঁয়াজ ভাজায় টমেটো(Tomato) কুচি দিয়ে ভুনে নিতে হবে।

এরপর একে একে আদা বাটা, রসুন(Garlic)বাটা, কাঁচামরিচ বাটা, জিরা বাটা, হলুদ গুড়া ও মরিচ গুড়া দিয়ে ভালোমতে কষাতে হবে, যেন মশলার কাঁচা গন্ধটা না থাকে। এবার একটা বাটিতে টকদই(Sour yogurt), নারকেল বাটা, কাজুবাদাম বাটা ও পোস্তদানা বাটা নিতে হবে। এই মিশ্রণটি কড়েইতে মিশাতে হবে এবং কিছুক্ষণ কষাতে হবে। মশলা ভালো করে কষে তেল উঠে এলে লবণ(Salt), চিনি দিয়ে নেড়ে নিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য সময় কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। একদম অল্প আঁচে রান্না করতে হবে।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

বাড়িতেই তৈরী করুন ফুচকা

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো  বাড়িতে ফুচকা(Fuchka) তৈরী করার উপায় সম্পর্কে। ফুচকা খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে। ফুচকা(Fuchka) খেতে তাই ভরসা রাস্তার ধারের ফুচকার দোকান! এক প্লেট ফুচকার দাম ন্যুনতম ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। তবে আপনি চাইলে এ ফুচকা বাড়িতে বসেই তৈরি করে খেতে পারেন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ঘরোয়াভাবে ফুচকা(Fuchka) তৈরির রেসিপিটি-


ফুচকা তৈরির উপকরণ: ময়দা(Flour) ১ কাপ, সুজি ৪ কাপ, তালমাখনা ১ চা চামচ, জল পরিমাণমতো।

প্রণালী: তেল(Oil) বাদে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ডো বানিয়ে ১৫/২০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে, তারপর রুটির মত বেলে ছোটো গোল গোল করে কেটে নিতে হবে , রুটি গুলো বেশি পাতলা হবে না। ফুচকাগুলো গরম ডুবো তেলে মাঝারি আচে মচমচে করে ভেজে নিতে হবে। ফুচকা ভাজার সময় যখন গরম তেলে দেয়া হবে ফুচকা(Fuchka) একটু চেপে ধরতে হবে তাহলে ফুলে উঠবে।

ফুচকার টক জল তৈরি করবেন যেভাবে: জল ৫ কাপ, তেঁতুলের কাথ ২ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা কুচি ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ(Pepper) কুচি ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চামচ, লবণ(Salt) পরিমাণমত, বিট লবণ ১ টেবিল চামচ, চাট মসলা ১ টেবিল চামচ।

পুর তৈরি করবেন যেভাবে: ডাবলি/ বুট সেদ্ধ, সেদ্ধ আলু মাখা ১ কাপ, মুড়ির মসলা ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো।

প্রণালী: জল তৈরির সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার এতে ৩ থেকে ৪ কাপ জল(Water) দিন। পুর তৈরির সব মশলা একসঙ্গে মাখুন। শুকনো ফুচকার মাঝে হালকা আঙুলের চাপ দিয়ে গর্ত করে, তাতে পুর এবং তৈরি করা টক জল মিশিয় পরিবেশন করুন।

কেএফসি স্টাইলে চিকেন পপকর্ন তৈরি রেসিপি

2 comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো কেএফসি স্টাইলে চিকেন পপকর্ন(Chicken popcorn) তৈরি রেসিপি। বাসায় যার উপর রান্নার দায়িত্ব থাকে, রোজ রাতে ঘুমোতে যাবার আগে যে চিন্তাটি তার মাথায় ঘু্রপাক খায় তা হলো, পরের দিন রান্নায় এবং নাস্তায় নতুন কী বানানো যায়! পাশাপাশি সবার পছন্দ অপছন্দের দিকটাও খেয়াল রাখতে হয়। কি ঠিক বললাম তো? কেএফসি-এর অনেক জনপ্রিয় একটি খাবার চিকেন পপকর্ন(Chicken popcorn)। বড় থেকে ছোট, সবাই কিন্তু চিকেন খেতে খুবই পছন্দ করে। আর কেএফসি স্টাইলে চিকেন পপকর্ন পেলে তো কোনো কথায় নেই! আজকে আমরা দেখে নিবো খুব সহজেই এবং কম উপকরণ দিয়ে কিভাবে বানানো যায় মজাদার চিকেন(Chicken) পপকর্ণ।


কেএফসি স্টাইলে চিকেন পপকর্ণ

উপকরণ
 চিকেন কিউব করে কাটা- ৫০০ গ্রাম
 গোলমরিচের গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ
 প্যাপরিকা পাউডার- ১ টেবিল চামচ
 বেকিং পাউডার(Baking powder)– ১ টেবিল চামচ
 সয়াসস- ১ টেবিল চামচ
 আদা-রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ
 ময়দা(Flour)- ১ কাপ
 ব্রেড ক্রাম্বস অথবা বিস্কুটের গুঁড়া- ১ কাপ
 ডিম(Egg)- দুইটি
 লবণ-স্বাদমতো
 তেল- ভাজার জন্যে পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালী
১. চিকেন কিউবগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি(Water) ঝরিয়ে নিতে হবে। একটি পাত্রে চিকেন নিয়ে তাতে প্যাপরিকা পাউডার, গোল মরিচের গুঁড়া, বেকিং পাউডার, সয়াসস, আদা-রসুন বাটা ও স্বাদমতো লবণ(Salt) দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখতে হবে।

২. একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে লবণ এবং গোলমরিচ গুঁড়া(Pepper powder) দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

৩. এবার মুরগির টুকরোগুলো নিয়ে ময়দা দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে কোট করে নিন।

৪. সবগুলো চিকেন কিউব ময়দাতে মাখানো হলে একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে। অন্য একটি পাত্রে দুটি ডিম(Egg) নিয়ে তা ভালোভাবে ফেটে নেই। ডিমের মধ্যে সামান্য লবণ(Salt) এবং গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে বিট করে নিন।

৫. এখন পাত্রে রাখা চিকেন কিউব গুলোকে একে একে বিট করা ডিমের মধ্যে মাখিয়ে নিন।

৬. এরপর ডিমে মাখানো চিকেন ব্রেড ক্রাম্বস অথবা বিস্কুটের গুঁড়াতে আবার কোট করে নিতে হবে।

৭. এবার এটাকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এতে করে চিকেনগুলোতে ব্রেড ক্রাম্বস অথবা বিস্কুটের গুঁড়া খুব ভালোভাবে লেগে থাকবে। অর্থাৎ তেলে ভাজার সময় কোটিং উঠে উঠে আসবে না!

৮. এবার সবগুলো চিকেন পপকর্ণ ডুবোতেলে বাদামি রং করে ভেজে একটি শুকনো পাত্রে পেপার বা টিস্যু দিয়ে তার উপর নামিয়ে নিতে হবে। এতে করে বাড়তি তেল(Oil) শুষে যাবে।

জেনে নিলাম কতো সহজেই ঝটপট নাস্তার জন্যে বানিয়ে ফেলা যায় কেএফসি-এর মতো মজাদার মুচমুচে চিকেন পপকর্ণ! বিকেলের নাস্তার জন্য পারফেক্ট স্ন্যাকস হতে পারে এটি। আপনারা চাইলে একবারে অনেকগুলো চিকেন মেরিনেট করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। যখন প্রয়োজন হবে বের করে ভেজে নিলেই হবে। আর শুধু শুধু খাওয়ার পাশাপাশি ফ্রাইড রাইস বা পোলাওয়ের সঙ্গেও খেতে দারুণ লাগবে এই চিকেন পপকর্ণ(Chicken popcorn)।

ইলিশ মাছ কিভাবে ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে তেলচিটে গন্ধ হবে না?

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ইলিশ মাছ ফ্রিজে সংরক্ষণ করার সম্পর্কে। কথায় আছে মাছের রাজা ইলিশ(Ilish)। আসলেই স্বাদে গন্ধে এই মাছের কোন তুলনাই হয় না। কিছু দিন ধরে বাজারে প্রচুর পরিমানে ইলিশ(Ilish)মাছ পাওয়া যাচ্ছে। দামটাও বেশ কম। তাই এই সুযোগে অনেকেই বেশি করে ইলিশ মাছ কিনে ফ্রিজ(Fridge) ভরছেন। তবে সংরক্ষণ করার সময় সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করছেন তো?


কারন সবাই জানেন ইলিশ (Ilish)মাছ ঠিক ঠাক ভাবে সংরক্ষণ না করলে কিন্তু কিছু দিন পরেই একটা তেলচিটে গন্ধ হয়ে যায়। তাই ইলিশ মাছের স্বাদ ও গন্ধ অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন। অনেকেই বলে থাকেন ইলিশ(Ilish) মাছ না কেটে আস্ত রেখে দিন পলিথিনে ভরে। কিন্তু আমি কয়েকবার এভাবে রেখে দেখেছি মাছ ২ মাসের বেশি ফ্রিজে রাখলে একটা গন্ধ(smell) হয়ে যায়, রান্না করলে খাওয়া যায় না।

আসলে কোন মাছই ১ মাসের বেশি ফ্রিজিং করা উচিৎ না। তাই সিজিনের সময় কিনে ১ মাসের ভিতরেই তা খেয়ে ফেলাই ভালো। তবে যেভাবেই সংরক্ষণ করুন না কেন, ইলিশ (Ilish)মাছ আস্ত রেখে দেওয়াই ভালো। ইলিশ (Ilish)মাছ কেটে রাখলে মাছ আরও দ্রুত গন্ধ হয়ে যায়।

আস্ত মাছ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে, কানকো টা ভালো করে পানি(Water দিয়ে পরিষ্কার করে ফ্রিজে অনেক দিন রাখা যায়। আর প্রতিটি মাছ পেপারে মুড়ে পলিথিনে ঢুকিয়ে ফ্রিজে রেখেও অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।

আর যাদের নোনা ইলিশ(Ilish) পছন্দ তারা ইলিশ মাছ লবন(Salt) দিয়ে বোয়েম ভরে সংরক্ষণ করে খেতে পারেন। এই ইলিশের স্বাদ তাজা ইলিশের মতন না হলেও খেতে কিন্তু দারুন লাগে।

শিখে নিন সুস্বাদু ডাল কিমা রেসিপি

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ডাল কিমা রেসিপি সম্পর্কে। দুপুরের খাবারে(Food) একটু ভিন্নতা সবাই পছন্দ করেন। তাইতো নিত্যনতুন রেসিপিও সাজান খাবারের টেবিলে। তেমনি আজ রাখতে পারেন ভিন্ন একটি সুস্বাদু(Testy) রেসিপি ডাল কিমা। যা পাকিস্তানের একটি জনপ্রিয় পদ।


দুপুর কিংবা রাতের খাবারে রুটি(Bread), পরোটা বা পোলাও-এর সঙ্গে ডাল কিমা থাকলে খাবারের মজা আরো দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাছাড়া এটি তৈরি করাও বেশ সহজ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ডাল কিমা তৈরি সহজ রেসিপিটি-

উপকরণ: ছোলার ডাল ১০০ গ্রাম, মাংসের কিমা ৩৫০ গ্রাম, নারকেল(Coconut) কোরা ৪ টেবিল চামচ, রসুন(Garlic) বাটা ৬ কোয়া, আদা বাটা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, পোস্ত বাটা ১ চা চামচ, ধনেপাতা(Coriander leaves) কুচি হাফ চা চামচ‚ আস্ত জিরা ১ চা চামচ‚ শুকনা মরিচ ২টি ভেজে গুঁড়া করে নেয়া, লবণ(Salt) ও চিনি আন্দাজ মতো, তেঁতুল গোলা ২ টেবিল চামচ, মরটশুঁটি আধা কাপ, গরম মশলা ১ চা চামচ।

প্রণালী: প্রথমে কিমা সিদ্ধ করে ছেঁকে নিন। এবার ডাল এবং কিমা লবণ দিয়ে একসঙ্গে সিদ্ধ করুন। কড়াইয়ে তেল(Oil) গরম করে তাতে তেজপাতা, পেঁয়াজ-আদা-রসুন বাটা দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে নিন। মশলার রং একটু বাদামি হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে এতে নারকেল এবং পোস্ত বাটা দিয়ে দিন। সঙ্গে যোগ করুন ভাজা মশলার গুঁড়া। ভালো করে নেড়ে নিন মিশ্রণটি। এবার এই মিশ্রণে আন্দাজ মতো চিনি(Sugar) এবং তেঁতুল গোলা পানি দিন। লবণের স্বাদ ঠিক হয়েছে কি-না দেখে নিন। শেষে গরম মশলা যোগ করে আঁচ থেকে নামিয়ে রাখুন। গরম থাকতে থাকতেই এর মধ্যে মরটশুঁটি আর ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন । ব্যস, তৈরি হয়ে গেলো। এবার রুটি, পরোটা বা পোলাও-এর সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ডাল কিমা।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

নারকেল দুধ দিয়ে হাঁসের মাংস রান্নার রেসিপি

1 comment

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো নারকেল দুধ দিয়ে হাঁসের মাংস(Duck meat) রান্না নিয়ে। শীতে হাঁসের মাংস খাওয়ার মজাই আলাদা। ছুটির দিনে অতিথি আপ্যায়ন ও পরিবারের সদস্যদের জন্য ঘরেই রান্না(Cooking) করতে পারেন নারিকেল দুধে হাঁসের মাংস(Duck meat)। আসুন জেনে নিই কীভাবে রান্না করবেন নারিকেল দুধে হাঁসের মাংস।

উপকরণ
চামড়াসহ টুকরা করা হাঁস(Duck) ১টি, ঘন নারিকেল দুধ ২ কাপ, পেঁয়াজ(Onion) কুচি ১.৫ কাপ, পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ, আদা বাটা ১.৫ টেবিল চামচ, রসুন(Garlic) বাটা ১.৫ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১/২ টেবিল চামচ, জিরা(Cumin) গুঁড়া ২ চা চামচ, গরম মসলা (এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ) ৩/৪টি করে প্রতিটি, তেল ১/৩ কাপ।

প্রণালি
তেলে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে(Fry) নিন। অর্ধেকটা উঠিয়ে বাকি অর্ধেকটার মধ্যে গরম মসলা(Hot spices) দিন। নেড়েচেড়ে কিছুটা নারিকেল দুধ দিন। এবার একে একে পেঁয়াজ-আদা-রসুন বাটা, ধনিয়া-জিরা-মরিচ গুঁড়া, লবণ(Salt) ও হলুদ দিয়ে জ্বাল দিন। এর পর হাঁসের মাংস(Duck meat) দিয়ে জ্বাল দিন।
er food panda voucher,

পানি(Water) শুকিয়ে গেলে আবারও কিছুটা নারিকেল দুধ দিয়ে জ্বাল দিন। তার পর অবশিষ্ট নারিকেল দুধ দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ করুন। হাঁস সিদ্ধ হয়ে ঝোল গা মাখা হলে চুলা বন্ধ করুন। তার পর উঠিয়ে রাখা বেরেস্তা ওপরে ছড়িয়ে আবারও ঢেকে রাখুন ৫ মিনিট। ব্যাস তৈরি নারিকেল দুধে হাঁস। চিতই পিঠা-চালের রুটি-খিচুড়ি প্রভৃতির সঙ্গে দারুণ মজা লাগবে এ খাবারটি(Food)।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

শিখে নিন গুঁড়া দুধের রসমালাই রেসিপি

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গুঁড়া দুধের রসমালাই রেসিপি। রসমালাই এমন একটি খাবার(Food), যা দেখলেই জিভে জল চলে আসে। ছোট-বড় সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই খাবার। এর আগে আমরা অনেক কিছুর রসমালাই(Rasmalai) খেয়েছি। কিন্তু গুঁড়া দুধের(Milk) রসমালাই খাইনি অনেকেই। তাহলে তৈরি করে ফেলুন মজাদার এই খাবার(Food)।

উপকরণ:
গুঁড়া দুধ—এক কাপ (নিডো)
ডিম(Eggs)—একটি (বড়)
ময়দা(Flour)—এক টেবিল চামচ
বেকিং পাউডার—এক চা চামচ
ঘি—এক চা চামচ
মালাই তৈরি করার জন্য
তরল দুধ—দুই লিটার
চিনি(Sugar)—দেড় কাপ (স্বাদমতো)
এলাচ—পাঁচটি
বাদাম—এক মুঠো

প্রস্তুত প্রণালি :
 প্রথমে গুঁড়া দুধে ঘি, ময়দা, বেকিং পাউডার ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ডিম(Eggs) ভালো করে ফেটে দুধের মিশ্রণ মিশিয়ে ডো তৈরি করতে হবে, যেন বেশি শক্ত না হয়।

 এবার হাতে ঘি মাখিয়ে পছন্দমতো আকারে গোল্লা তৈরি করে নিতে হবে, অবশ্যই গোল্লাগুলো ছোট করে তৈরি করবেন। কারণ দুধে(Milk) ছাড়লে গোল্লা ফুলে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।nda voucher,

 অন্য একটি পাত্রে মালাই করার জন্য দুই লিটার তরল দুধ জ্বাল দিয়ে এক লিটারের মতো করে আনতে হবে। এবার এর মধ্যে চিনি(Sugar), এলাচ দিয়ে অল্প আঁচে চুলায় রাখতে হবে। যদি দুধ(Milk) বেশি পাতলা মনে হয়, তাহলে সামান্য গুঁড়া দুধ মিশিয়ে দিতে পারেন।

 মালাই হয়ে গেলে চুলার আঁচ মাঝারি করে সব গোল্লা দুধে একে একে দিয়ে দিতে হবে। ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলতে হবে। কোনোভাবে বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। ঠাণ্ডা হলে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে বাদাম(Nuts) দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার রসমালাই।

শিখে নিন চিকেন স্যুপ রেসিপি

এই সময় অনেকে সর্দি-কাশি ও ভাইরাল জ্বরে ভুগছেন। এ কারণে অনেকের খাবারে অরুচি। এমতাবস্থায় খেতে পারেন চিকেন স্যুপ(Chicken soup)। পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ চিকেন স্যুপ খুবই উপকারী। ভাইরাল ফ্লুর বিরুদ্ধে দারুণভাবে কাজ করে চিকেন স্যুপ। আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন চিকেন স্যুপ-

উপকরণ
মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম। পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ। রসুন(Garlic) কুচি ১ টেবিল-চামচ। আদাকুচি আধা চা-চামচ। কাঁচামরিচ-কুচি ১টি। গোলমরিচ-গুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ(Salt) ১ চা-চামচ। স্বাদলবণ বা টেস্টিং সল্ট চা-চামচের চারভাগের একভাগ। মাখন ১ টেবিল–চামচ। লেবুর রস(Lemon juice) ১ চা-চামচ। টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ। কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ। ডিম ১টি। পানি ৫ কাপ। ধনেপাতার কুচি ১ চা-চামচ। চাইলে যেকোনো সবজিও দেওয়া যাবে। তবে তা নিজের পছন্দমতো।
 food panda voucher,

প্রস্তুত প্রণালী
চুলায় পানি দিন এবং মাংস(Meat) পানিতে সেদ্ধ করুন। পানি প্রায় দুইকাপ পরিমাণ হয়ে আসলে নামিয়ে পানিটা ছেকে নিন। পেঁয়াজ(Onion), রসুন ও আদাকুচি একসঙ্গে মাখন দিয়ে ভেজে বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখুন। এবার ওই ছেকা পানিটা চুলায় দিয়ে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার আর লেবুর রস বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। ডিম আর লেবুর রস(Lemon juice) একসঙ্গে ফেটিয়ে আস্তে আস্তে স্যুপে ঢেলে নাড়তে থাকুন। এখন বেরেস্তা দিয়ে দিন। ধনেপাতা ছিঁটিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার গরম গরম মুরগির স্যুপ(Soup)।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

গ্যাস কম পুড়িয়ে রান্না করার সহজ উপায়! সিলিন্ডার ব্যবহার করুন অনেক দিন পর্যন্ত

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গ্যাস কম পুড়িয়ে রান্না(Cooking) করার সহজ উপায়। গ্যাস কম পুড়িয়ে রান্না করার সহজ উপায়! সিলিন্ডার ব্যবহার করুন অনেক দিন পর্যন্ত – প্রতিদিন গ্যাস ছাড়া আমাদের দিন অচল কারণ একটাই ,আমাদের প্রতিদিনের খাবার(Food) বানানোর জন্য অন্যতম অপরিহার্য উপাদান হলো গ্যাস। তবে যেভাবে লাগাতার গ্যাসের দাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আপামর মধ্যবিত্তদের মধ্যেগ্যাস কেনাটা দুষ্কর হয়ে পড়েছে এবং মধ্যবিত্ত(Middle class) মানুষদের মাথায় হাত। গ্যাসের খরচ তো কমছে না উল্টে বেড়ে যাচ্ছে তাই কিছু সহজ পদ্ধতি যদি আপনি মেনে চলতে পারেন তাহলে কোম গ্যাস(Gas) ফুরিয়ে ও বেশি রান্না করা যায়। সেক্ষেত্রে আপনার উপকারী হবে।


আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই কয়েকটি পদ্ধতি-

১. ফ্রিজের মধ্যে রাখা কোন খাবার(Food) রান্না করার আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা আগে বাইরে বার করে ফেলুন তারপর রান্না করবেন কারণ ফ্রিজ থেকে বার করা ঠান্ডা জিনিস সঙ্গে সঙ্গে রান্না(Cooking) করতে গেলে তা গরম হতে অনেকটা বেশি সময় নেয়।

২. গ্যাসের মধ্যে করায় বাহারি চাপানোর আগে অবশ্যই সেটি শুকিয়ে নিন বা না সকলে গামছা কিংবা শুকনো জিনিস নিয়ে মুছে দিয়ে তারপর আগুন জালানো কারণ ভেজা পাত্র হলে জল শুকোতে গ্যাস(Gas) খরচ হয়।

৩. গ্যাসের ওপরে যখন করাইবা ফ্রাইং প্যান চাপাবেন তখন কিছুক্ষণ হাই ফ্লেমে রেখে দিয়ে গরম করে নিন তারপর ফ্লেম কমিয়ে দিন। কারণে একবার গরম হয়ে গেলে ততটা তাপের প্রয়োজন হয় না।

৪. রান্না করার আগে অবশ্যই সবজি(Vegetable) কেটে নেবেন এবং যা যা প্রয়োজন অর্থাৎ মসলা বাটা তেল নুন ঝাল এক জায়গায় রাখা এসব করবে না কারণ অনেক সময় করায় বাহারি উনুনে বসি রেখে এসব খুঁজতে থাকেন এতে কিন্তু অনেকটা গ্যাস(Gas) নষ্ট হয়।

৫. যে সমস্ত পাত্র গুলোতে রান্না(Cooking) করবেন খেয়াল রাখবেন তার নিচের সারফেস টা যেন সমান হয় যাতে তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়।

৬. রান্না করার আগে আলুর টুকরো ছোট ছোট করে কাটুন এতে কম গ্যাস খরচ হবে। কারণ এই ছোট ছোট করে কাটা আলু বা সবজি(Vegetable) খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে যায়।

৭. অনেকেই আছেন যারা বারবার চা কফি(Tea, coffee) খান সেক্ষেত্রে একটি ফ্লাস্কের মধ্যে একেবারে যা করে তা রেখে দিন এতে কোন গ্যাস খরচ হবে।

৮. রান্না করার জন্য যেটুকু জলের প্রয়োজন সেটুকুই দিয়েন কারণ অত্যধিক জল(Water) দিলে তা শুকোতে বেশ সময় লাগে আর এটি বেশি গ্যাস খরচ হয়।

৯. রান্নার ক্ষেত্রে সর্বদা প্রেসার কুকার ব্যবহার করুন এতে তাড়াতাড়ি খাবার(Food) সিদ্ধ হবে এবং গ্যাস কম খরচ হবে।

১০. প্রতিদিন রান্না করার আগে গ্যাসের পাইপ চেক করবেন কারণ গ্যাস পাইপ যদি থাকে সে ক্ষেত্রে অনেক গ্যাস(Gas) বেরিয়ে যায় এমনকি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

22 Bochor er Moddhe Meyeder Biya na Hole ei Somossa Hoy

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজকের পোস্টটি একটু অন্য ভাবে সাজিয়েছি। আজ আপনাদের জানাবো ২২ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে না হলে মেয়েদের(Girls) যে সব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় সে বিষয়ে। নারী(Women) আর পুরুষের সমান অধিকার আছে, 

এই নিয়ে তর্ক-বিতর্ক লেগেই রয়েছে , কিন্তু সমাজের তো অনেক কিছুই বদলেছে কিন্তু কিছু প্রচলতি ধ্যান ধারণা আজও রয়ে গিয়েছে – একটি মেয়ের জীবনের মূল লক্ষ্যই হল বিয়ে(Marriage)৷ এই ধারণাটাই আজও মানুষের মনে কুসংস্কারের মতো গেঁথে আছে। কথায় বলে নাকি মেয়েরা কুড়িতেই বুড়ি।droid developer,

২২ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে না হলে মেয়েদের যে ৭টি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়


আর এই কথাটি আমার বলার একমাত্র কারণ হলো, দেখা যায় এখন ২২ বছর বয়স(Age) হলেই মেয়েদের বিয়ে করিয়ে দেয়ার জন্য নানান দিক থেকে তাঁদের উপর চাপ আসতে থাকে।

কোনও মেয়ের বয়স একটু বাড়লেই তাঁর নিজের পরিবার, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব, এমনকি পাড়া প্রতিবেশীরাও তাঁর বিয়ের ব্যাপারে এত ধরনের প্রশ্ন করে যা অনেক সময় অবিবাহিতা(Unmarried) মেয়েদের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আসুন এক ঝলকে আমরা দেখে নিই যে, ২২ বছর বয়স(Age) পেরিয়ে গেলে অবিবাহিত মহিলাদের 


কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় :-

প্রথমত, বাড়ির ভিতরেই সকালে ঘুম(Sleep) থেকে ওঠার পরেই রোজ রোজ মেয়ের বিয়ে না দিতে পারার জন্য বাবা-মাকে হা হুতাশ করতে শোনা যায়। অনেক সময় নিজের বাবা-মাকে এরকম চিন্তা করতে দেখে মেয়েরা নিজেরা নিজেদেরকেই অপরাধী বলে মনে করে৷

দ্বিতীয়ত, যদি কখনও কোনও মেয়ে তাঁর কাজের সূত্রে বাইরে যায় তাহলে, চার পাশে লোকজনের বিয়ে হয়, তখনই আইবুড়ো মেয়েদের শুনতে হয় কেন এখনও তার বিয়ে(Marriage) হল না? যা মেয়েদের কাছে সত্যিই মারাত্মক অস্বস্তির কারণ৷

তৃতীয়ত, কোনও বিয়ে বাড়িতে অথবা অনুষ্ঠান বাড়িতে অবিবাহিতা(Unmarried) মেয়েরা যেতে পারেন না৷ কারণ সেখানে মনের আনন্দে সেজে গুজে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করা যায়না৷ সেখানেও একই রকম প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

চতুর্থত, আপনার হয়তো একটু বয়স(Age) হয়ে গিয়েছে কিন্তু বিয়ে হয়নি, তাই তিনি ঠিক কেমন পোশাক পরবেন তা নিয়েও সবার মধ্যেই একটা দ্বন্দ্ব থাকে। বেশি জমকালো পোশাক পরলে আবার কেউ কেউ তা না পরার জন্য আদেশ দেন তো কেউ আবার কেউ কেউ আবার হাসাহাসিও করে থাকেন৷

পঞ্চম, যদি একটু বয়স(Age) বেশি বয়েস হয়ে যায় তাহলে কোনও অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়ে একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পরতে হয়, কারণ দেখে খারাপ লাগে যখন সমবয়সীরা এমনকী নিজের থেকেইও ছোটরাও যেখানে স্বামীর অথবা বয়ফ্রেন্ডের(Boyfriend) হাত ধরে সেখানে যাচ্ছে অথচ সেখানে তিনি সঙ্গীবিহীন ।

ষষ্ঠত, ২২ বছর হয়ে গেলেও যে নারীর বিয়ে হয়নি তাঁরনিরাপত্তাও অনেক সময় বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কারণ এই একা মহিলাদের অনেকেই সহজলভ্য মনে করে এবং নানা রকম কুপ্রস্তাব(Bad proposal) দেন৷ এমনকী এমনও হয়েছে একা রয়েছেন বলেই অনেক পুরুষের ও শিকার হয়ে যান৷

সপ্তমত, কোনও মেয়ে বিয়ে না করে একা রয়েছেন, এটা শুনলে অনেকেই তাঁকে ভাল চোখে দেখবেন না এবং একটি অবিবাহিত মহিলা(Female) সম্পর্কে নানান মিথ্যা দুর্নাম রটানো হয়৷

Apnar Hate Erokom Line Thakle Ki Bujhben?

দুই হাতের হৃদয় রেখা বলে দিবে আপনার ভাগ্য । দুই হাতের হৃদয় (Heart) রেখা মিলে গেলে যা হয় – দুই হাতের হৃদয়রেখা মিলে গেলে কি হয় জানেন? কৌতুহল নিয়ে অনেকেই জ্যোতিষ শাস্ত্র (Astrology) নিয়ে চর্চা করে থাকেন। অথবা অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চায় বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করেন হাতের রেখায় নির্ভরশীল ভাগ্যকে। তর্ক-বিতর্কে ঘেরা মানুষের হাতের রেখা নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নানা কথা।ভাগ্য

দুই হাতের হৃদয় রেখা বলে দিবে আপনার ভাগ্য

Hand line

তেমনই একটি হলো- দুই হাতের হৃদয়রেখার মিলন নিয়ে একটি বিষয়। হাতের তালুতে যে তিনটি প্রধান রেখা থাকে, তাদের মধ্যে আঙুলের দিক থেকে প্রথম এবং প্রধানতম স্পষ্ট রেখাটিকেই বলে হৃদয়রেখা (Heart line)।

মনে করা হয়, দুটি হাতের তালু পাশাপাশি মেলালে দুই তালুর হৃদয়রেখা জুড়ে গিয়ে কী ধরনের আকৃতি তৈরি হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে আপনার দাম্পত্য জীবন কেমন হতে পারে।


প্রথমত, দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে হৃদয়রেখা দুটি জুড়ে গিয়ে যদি একটি সরলরেখা তৈরি হয়, তাহলে মনে করা হয় : এই ব্যক্তিরা শান্ত-শিষ্ট হন। এরা অশান্তি সৃষ্টিকারী মানুষদের থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন।

এইসব ব্যক্তিদের সম্বন্ধ করে বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি থাকে। দ্বিতীয়ত, দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে দুই হৃদয়রেখা (Heart line) যদি কোনোভাবেই সংযুক্ত না হয়, তাহলে মনে করা হয়,


এরা নিজের বয়সের তুলনায় বেশি বুদ্ধিমান এবং পরিণত। অন্যেরা কি ভাবছে, তা নিয়ে এরা চিন্তিত নন। বয়সে বড় মানুষের সঙ্গে এদের বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে মনে করা হয়।

তৃতীয়ত, দুই হাতের তালু পাশাপাশি রাখলে দুটি হৃদয়রেখা মিলে যদি অর্ধচন্দ্রের মতো একটি আকৃতি তৈরি করে, তাহলে মনে করা হয়, এদের মনের জোর অত্যন্ত বেশি। এরা অন্তর থেকে ভালোবাসেন। সাধারণত, দীর্ঘদিনের পরিচিত কোনো মানুষকেই জীবনসঙ্গী(Life partner) হিসেবে এরা বেছে নেন।

Kivabe Bujhben Apnar Songi Porokiya Korche? ExtraMarital

আপনার সঙ্গী কি পরকীয়ায় মজেছেন? বুঝে নিন এই ৫টি লক্ষণে। একটা বিষয়ে হয়তো অনেকেই এক মত হবেন যে, সাধারণ প্রেমের গল্পের চেয়ে পরকীয়ার ‘মশলাদার’ গল্প অনেক বেশি মুখরোচক… অনেক বেশি আকর্ষণীয়(Interesting)! একই কারণে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতি ঝোঁকটাও অনেক বেশি। তবে ইচ্ছে থাকলেও বিপদে পড়ার ভয়ে বা প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কায় পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষেন না অনেকেই। তবে তা সত্ত্বেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। অনেকেই সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাতে জেনে শুনেই জড়ান পরকীয়ায়। কিন্তু কোনও সম্পর্কে দু’জনের মধ্যে একজন পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে অন্যজন ক্রমশ কোণঠাসা হতে থাকেন।পরকীয়ায়

আপনার সঙ্গী কি পরকীয়ায় মজেছেন?



মানসিক অবসাদ(Mental exhaustion), দুশ্চিন্তা, হতাশা, একাকিত্ব ক্রমশ তাঁকে গ্রাস করতে থাকে। অথচ, যতক্ষণ না পরকীয়ার কোনও প্রমাণ মিলছে, ততক্ষণ সঙ্গীকে সে ভাবে কিছু বলাও যায় না! কিন্তু কী ভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী কোনও ভাবে কোনও পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? আসুন চিনে নিন এমন ৫টি লক্ষণ যেগুলি দেখে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় মজেছেন…

১) খেয়াল করে দেখুন তো, আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতুহল(Curiosity) দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন, কখন কোথায় বেরবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনও কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক।


২) যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন, তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন, তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।


৩) যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে সঙ্গমে বা যৌন(Sexual) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উত্সাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনও পারিবারিক বা আর্থিক কোনও সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন।


শারীরীক কোনও অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরীক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উত্সাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাস বশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই সঙ্গমে অংশ নিচ্ছেন কিনা।


৪) সাম্প্রতিক কালে যদি কোনও নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক(Be careful) হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনও প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তবে ব্যপারটা সন্দেহজনক! এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। তবে পরকীয়া সম্পর্ক না জড়ালেও কারও ব্যক্তিত্বে, কাজে, কথা-বার্তায় অতিরিক্ত মাত্রায় প্রভাবিত হয়ে পড়লেও এমনটা হতে পারে।


৫) সঙ্গী যদি হঠাত্ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে(Internet) ব্যাস্ত হয়ে পড়েন, যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান, তাহলে তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনও কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজন আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।


এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত লক্ষণগুলি পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচিত আশঙ্কা বা সম্ভাবনা মাত্র। উল্লেখিত লক্ষণগুলি অন্যান্য শারীরিক বা মানসিক চাপ(Stress) বা পরিস্থিতি বা কোনও সাময়িক আকর্ষণ জনিত করণেও হতে পারে।

তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও রকম দূরত্ব বা সমস্যা বোধ করলে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার চেষ্টা করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আলোচনার মধ্যমেই সম্পর্কের জটিলতা কাটিয়ে স্বাভিবিক ছন্দে ফেরা সম্ভব।

জেনে নিন ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ কিভাবে ভাল রাখবেন

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ(Taste) ভাল রাখাখ উপায় সম্পর্কে। ফ্রিজ আমাদের ব্যস্ত জীবনের আশীর্বাদ। কারণ ফ্রিজে খাবার(Food) সংরক্ষণের কারণে অনেক খাবার নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যায়, বেঁচে যায় অনেকটা সময়ও। নিঃসন্দেহে ফ্রিজে খাবার রাখার অনেক ভালো দিক আছে। কিন্তু অনেকসময় ফ্রিজে খাবার রাখার কারণে এর স্বাদ(Taste) নষ্ট হয়ে যায়।


আসুন তাহরে জেনে নেই কী করলে ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ অটুট থাকবে-

১. কোনো খাবার ফ্রিজের গায়ে লাগিয়ে রাখবেন না, কোনো রকম ফল শাকসবজি(Vegetables)একেবারেই রাখবেন না। যদি রাখেন তাহলে একদম এয়ারটাইট পাত্রে ভরে ফ্রিজে রাখবেন।

২. চানাচুর, গুঁড়ো দুধ(Milk) ফ্রিজে রাখলে তা অনেকদিন মুচমুচে থাকে। এর জন্য এটিকে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।

৩. ফ্রিজে যা-ই রাখুন না কেন, এয়ারটাইট পাত্রে ভরে রাখবেন। মাঝেমধ্যে পাত্র সোডা ও পানি দিয়ে পরিষ্কার(Clear) করবেন।

৪. একটি কাটা লেবু(Lemon) সবসময় ফ্রিজে রেখে দেয়ার চেষ্টা করবেন। এর ফলে কোনো দুর্গন্ধ ছড়াবে না।

৫. বেশি মাছ(Fish) রাখলে তা অবশ্যই লবণ-পানি দিয়ে ধুয়ে রাখবেন। এতে করে ফ্রিজের ভেতর দুর্গন্ধ ছড়াবে না।

৬. যদি কাটা কোনো সবজি রাখতে হয় তাহলে একটি কনটেইনারের কিছুটা লবণ দিয়ে এয়ারটাইট ভাবে রাখবেন।

৭. ডিম রাখতে হলে ডিম রাখার ট্রেতে না রেখে একটি বাটিতে করে ভিতরে রাখবেন।

৮. ফল যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কেটে বাকিগুলো আস্ত রাখার চেষ্টা করুন।

Kivabe Meyeder Pet Dekhei Bujhben Se Kemon?

মেয়েদের পেটই বলে দেয় তাদের স্বভাব, চরিত্র ও ভাগ্য। জ্যোতিষবিদ্যায় সমুদ্রশাস্ত্র এমন একটি বিদ যা থেকে খোঁজ পাওয়া যায় বহু অজানা বিষয়ের। মুলত কোন মানুষের দেহের গঠন(Human body structure) দেখে জানতে পারা যায় তার চরিত্রের নানান অজানা দিক। তেমনই মহিলাদের পেট দেখে তার প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। তাই এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

মেয়েদের পেটই বলে দেয় তাদের স্বভাব, চরিত্র ও ভাগ্য

কলসি আকারের পেটঃ- যেসব মহিলাদের পেটের আকার কলসির মতন, তাদের জীবন লড়াই বহুল হয়। এরা বহির্মুখী হন এবং কেরিয়ারের দিক থেকে এরা সফল(Success) হয়ে থাকেন।

ফর্সা ও পাতলা পেটঃ- যদি কোন মহিলার পেট ফর্সা ও পাতলা ধরনের হয় তাহলে সেই মহিলা রাজ সুখ ভোগ করেন। এরা বিবাহ সুত্রে অনেক ধন সম্পত্তি(Treasure property) লাভ করে।

গোল নাভিঃ- যে সমস্ত মহিলাদের নাভি গোল হয়ে থাকে তারা বার বার প্রেমে পরেন। এই সমস্ত মহিলাদের শারীরিক বিষয়ের ওপর নজর রাখা প্রয়োজন। এরা খুব সুন্দরী ও বুদ্ধিমতী(Intelligent) হয়ে থাকেন। এরা পারিবারিক জীবনেও খুব সুখী হয়ে থাকেন।

বড় এবং গভীর নাভিঃ- যেসব মহিলাদের বড় এবং গভীর নাভি(Navel) থাকে তারা অনেক ভাগ্যবতী হন। এই সমস্ত মহিলারা খুবই বুদ্ধিমান ও উদার মনের হয়ে থাকেন। জীবনের প্রথম ধাপে এরা অসফল হলেও একটা বয়সের পর এরা জীবনে প্রচুর সাফল্য লাভ করেন।

ফোলা পেটঃ- যাদের পেটের গরন একটু ফোলা হয়, সেই মহিলারা বুঝদার হন। পাশাপাশি এরা খুব পরিশ্রমী(Hardworking) মানুষ হন। তবে এদের কাছের মানুষের থেকে যতটা আদর যত্ন পাওয়া উচিৎ তা এরা কখনোই পান না।

পেটে লম্বা লুপঃ- যেসব মহিলাদের পেটে লম্বা লুপ থাকে তারা বিয়ের পর বিপুল সম্পত্তির(Property) অধিকারী হন। এদের মান সন্মানও সমাজে বেশ উচ্চ পর্যায়ে থাকে।

গ্যাস বার্নার পরিষ্কার করার ৬টি ঘরোয়া টিপস

1 comment

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গ্যাস বার্নার(Gas burner) পরিষ্কার করার ৬টি ঘরোয়া টিপস সম্পর্কে। ঘর সুন্দর করে গোছাতে গেলে রান্নাঘরের প্রত্যেকটা জিনিস সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে হয়। রান্নাঘরের সবথেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল গ্যাস ওভেন(Gas oven)। প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীরাই গ্যাস ওভেন পরিষ্কার করে থাকেন, কিন্তু গ্যাস বার্নার(Gas burner) পরিষ্কার করার কথাটা তারা ভুলেই যান।


এদিকে রান্নাঘর পরিপাটি করে গোছাতে গেলে গ্যাস ওভেনের পাশাপাশি গ্যাস বার্নার ও পরিষ্কার করে রাখতে হয়। আজ গ্যাস বার্নার পরিষ্কার করার কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতির কথা বলবো।

১. তেঁতুল
গরম জলে তেঁতুল(Tamarind) ফেলে দিন আর একটু ডিটারজেন্ট। তারপর সেই জলের ভিতর গ্যাস বার্নার দুটো চুবিয়ে দিন। এইরকম ভাবে ওই গ্যাস বার্নার দুটি এক ঘন্টা চুবিয়ে রাখার পর একটা ব্রাশ(Brush) দিয়ে ভালোমতো ঘষে নিন। ব্যস তারপর দেখবেন কামাল। গ্যাস বার্নার দুটি কেমন পরিষ্কার হয়ে গেছে আর চকচক করছে।

২. লেবু
গরম জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস(Lemon juice) ফেলে দিন, আর দু চামচ বেকিং সোডা। এরপর ঘন্টাখানেক তারমধ্যে গ্যাস বার্নার দুটো চুবিয়ে রেখে দিন। এরপর একটা ব্রাশে একটু ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোমতো ঘষে নিন। গ্যাস বার্নার(Gas burner) একেবারে চকচকে হয়ে যাবে।
eceipe,

৩. ভিনিগার
গরম জলে কয়েক ফোঁটা ভিনিগার(Vinegar) দিয়ে তার মধ্যে গ্যাস বার্নার দুটি চুবিয়ে রাখুন। তারপর ব্রাশে একটু ডিটারজেন্ট নিয়ে গ্যাস বার্নার দুটি ঘষতে থাকুন, মুহুর্তের মধ্যে গ্যাস বার্নার পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৪. হারপিক
ঘরের মধ্যে যদি লেবু ,ভিনিগার বা তেঁতুল কোনটাই না থাকে তাও অসুবিধা নেই। ঘরে হারপিক তো আছেই। এই হারপিক(Harpic) দিয়ে ও গ্যাস বার্নার পরিষ্কার করা যায়। একটা পাত্রে গ্যাস বার্নার দুটি নিন, তারপর ঐ বার্নার দুটির ওপর হারপিক ফেলে দিন। এরপর ব্রাশ দিয়ে একটু ঘষলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে গ্যাস বার্নার দুটি।

৫. ইনো
গরম জলে ইনো আর সার্ফ দিয়ে নিন। এরমধ্যে গ্যাস বার্নার দুটি আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর দুটি গ্যাস বার্নার তুলে লেবুর খোসা আর লবন(Salt) দিয়ে ঘষতে থাকুন, দেখবেন বার্নারের ময়লা গুলো আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে।

ঘরেই তৈরি করুন শিক কাবাব

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো শিক কাবাব(Kebab)রেসিপি সম্পর্কে। বিকেলে গরম গরম ধোঁয়া উঠানো শিক কাবাব খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। রেস্টুরেন্টে বন্ধুদের আড্ডায় শিক কাবাব(Shik Kabab) মানিয়েও যায় বেশ ভালোভাবেই। খেতেও দারুণ এই কাবাব।


তবে করোনা(Corona) সংক্রমণের কারণে অনেকেই এখন রেস্টুরেন্টে যাওয়া নিরাপদ মনে করছেন না। তাই বলে সুস্বাদু(Testy) শিক কাবাব খাওয়া থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন তা কিন্তু নয়। মুখরোচক শিক কাবাব(Shik Kabab) খুব সহজেই আপনি তৈরি করতে পারেন ঘরেই। তাও কোনো ঝামেলা ছাড়াই। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে সহজ উপায়ে ঘরেই তৈরি করবেন শিক কাবাব-

উপকরণ:
হাড়-চর্বি ছাড়া মাংস(Meat) ৫০০ গ্রাম, আদা-রসুন(Garlic) বাটা ১ টেবিল চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, জয়ফল জয়ত্রী বাটা আধা চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, কাবাব মসলা আধা চা চামচ, পেঁপে বাটা ১ টেবিল চামচ, টকদই(Sour yogurt) ২ টেবিল চামচ, ভিনেগার ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া টালা ১ চা চামচ, বেসন ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, লবণ(Salt) স্বাদমতো, শিক ৪ বা ৫টি।

প্রণালী:
মাংস পাতলা লম্বা স্লাইস করে নিন। একটি পাত্রে মাংস(Meat), টকদই, লবণ ও সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ২ ঘণ্টা ম্যারিটেন করে রাখুন। এবার ম্যারিনেট করা মাংস(Meat) শিকে জমাট করে গেঁথে রাখুন। কাবাব বানানোর বক্সে কাঠ-কয়লার আগুনে শিকগুলো বসিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাজতে থাকুন। মাঝে মাঝে ম্যারিনেট করা মসলা(Spice) ব্রাশ করুন। মাংস ঝলসে এলে ঘি ব্রাশ করে আস্তে আস্তে খুলে প্লেটে ঢেলে নিন। এবার রুটি, লুচি কিংবা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন মুখরোচক শিক কাবাব।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

© All Rights Reserved
Made with Forhad Elahe