অতিরিক্ত দেখা হয়েছে

রূপচর্চা, Tech Tips, রান্না রেসিপি
Love Story-ভালোবাসার গল্প, Facebook Status Bangla, অন্যরকম জানুন
MUKTOHASI

যখন সিনিয়র আপুর সাথে প্রেম

আমি শিশির, আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান, এখন আমি দ্বিতীয় বর্ষে,,,,,

আচ্ছা গল্পে আসা যাক,,,,,,,


কলেজের মাঠে বসে বন্ধুরা সবাই আড্ডা দিচ্ছি,,,,,, (শিশির, রাজ, তন্ময়, সামি,,,,)


রাজঃ দোস্ত দেখো বৃষ্টি আসছে,,,,,


শিশির: কই,,,,,


রাজঃ আরে পিছনে তাকাও,,,,,


ওমা তাকিয়ে দেখল বৃষ্টি আমাদের দিকে আসছে,,,,,,


এবং আসুন শুধু বলি আমি বৃষ্টিকে ভালবাসি, কিন্তু সে আমাকে ভালবাসে না কারণ সে আমার 1 বছরের সিনিয়র।

আমি তাকে প্রথম বৃষ্টিতে ভিজতে দেখেছিলাম,,,, আসলে তার বাসা আমার বাসার পাশে,,,,

একদিন যখন বৃষ্টি হচ্ছিলো তখন ওকে দেখলাম তখন ওর প্রেমে পড়ে গেলাম,,, অনেকবার বলেছি কিন্তু একি ভালোবাসি না,,,,,,


কয়েকদিন আগে একতরফা প্রেমের ২ বছর পূর্ণ করলাম.......


সাথে সাথে বৃষ্টি আমার কাছে এলো,,,,,,,


বৃষ্টিঃ আমার বন্ধু আকাশকে কি বললাম?


শিশির: আমি বললাম,,,আমি তাকে ভালোবাসি,তুমি তার থেকে দূরে থাকবে,,,,,,

আমি যদি তোমাকে তার সামনে বা তার আশেপাশে দেখি, আমি তার হাত-পা ভেঙে দেব।


বৃষ্টি: তুমি তোমার দোষ খুঁজছ,,,,, (আশ্চর্য......)


শিশিরঃ হুম,,,,

আমি তোমাকে ভালোবাসি


বৃষ্টিঃ কতবার বলবো আমি তোমাকে ভালোবাসি না,,,,,,


শিশির: কিন্তু বৃষ্টি যে তোমায় ভালোবাসি......


বৃষ্টিঃ কতবার বলেছি আমার নাম ধরে ডাকো না?


শিশির: বৃষ্টি কিসের জন্য,,,,,,


সে আমার গালে দুবার চড় মেরেছে........ (কলেজে সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে........)


বৃষ্টি: আমি তোকে করতে বলেছি, আমি ভালোবাসি না,,, আর তুই শুনিস আকাশ, আমার বয়ফ্রেন্ড ওর দিকে তাকিয়ে আছে,,,,,,, আমি তোর চোখ তুলব,,,,,,,


কথাগুলো বলে বৃষ্টি চলে গেল সাথে সাথে,,,,,,

আমি এখনো গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি,,,,,,,,,,


তন্ময়: দোস্ত, আর কত অপমান ভালো হবে,,,,,,,


সামি: হ্যাঁ, আমার বন্ধু, আমি এখন 2 বছর ধরে তোমাকে দেখছি, সে তোমাকে কতটা বিরক্ত করছে।

আজ আবার আকাশ বলল তার বয়ফ্রেন্ড তাহলে তুমি,,,,,,,,


রাজঃ তোমাকে বদলাতে হবে,,,,, তাকে ছাড়া তোমাকে দেখাতে পেরে আমি খুশি,,,,,,,

প্লিজ বন্ধু তুমি বদলে যাও না আমাদের জন্য,,,,,,


কিছুক্ষণ পর ,,,,,,,,


শিশিরঃ হুম,,,,,,,,

বদলাবো আমি নিজেকে বদলাবো,,,,,

যাহোক,


রাজঃ কি????


শিশির: আমি কি তাকে ভুলতে পারি!!!!


সামি: এটা তোমার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ।


আমি তাদের কথা শুনছি, হ্যাঁ, তারা ঠিকই বলেছে এবং তারা যদি অন্য কাউকে তাদের জীবনসঙ্গী বানাতে পারে, তাহলে আমি কেন নিজেকে কষ্ট দেব,,,,,,,,,


শিশির: নিজেকে বদলাতে আপনার সাহায্য চাই,,,,,,


সব একসাথে,,,, কি



শিশির: ওকে না দেখে আমি ৭ দিন অন্য কোথাও থাকবো।

তাকে ভুলে যেতে হবে।

তবে কোথায় থাকবো বলুন,,,,,,


রাজঃ তুমি আবার আমার ঘরে কোথায় থাকবে,,,,

আমি একা থাকি


শিশির: তাহলে কাল ভোর ৫টায় তুমি আমার বাসার বাইরে দাঁড়াবে,,,,,


রাজঃ হুম,,,,,,


সামিঃ তাহলে আমরা কেউই একদিন আসবো না,,,,,


শিশিরঃ তুমি আসো না কেন,,,,,


সামি: তোমাকে ছাড়া আমরা কি কখনো একা ক্লাসে যাই?


তন্ময়: হুম........


তারপর আজ আর ক্লাস না করে বাসায় চলে গেলাম,,,,,,


আম্মুঃ আজকে চলে গেলে কেন?


শিশির: ঠিক তেমনই,,,,,,

শোন, কাল সকালে তুমি আমাকে ঘুম থেকে জাগাবে। আমি আমার বন্ধুদের সাথে তাদের বাসায় কয়েকদিন থাকবো.........


আম্মুঃ আচ্ছা ঠিক আছে,,,,,,


আকাশ আছে,,,,,,,


আকাশঃ শিশিরকে মিথ্যে বলছ কেন,,,,,,


বৃষ্টিঃ আসলে আমি তখন রাগ করে বললাম,,,,,,


আকাশঃ ওহ,,,,,,


কলেজ শেষে বৃষ্টি, নীলা, সঙ্গী তারা একসাথে বাড়ি যাচ্ছে,,,,,,


সঙ্গীঃ বৃষ্টি হচ্ছে, বারবার কি দেখছ?


বৃষ্টি: মানে,,,,,,

শিশির প্রতিদিন আমাদের সাথে বাসায় যায়, সে আজ আসছে না, তাই দেখলাম,,,,,,


নিলা: সে তোমার সাথে আসবে কেন,,,,,,,

তুমি তাকে প্রতিদিন এত কথা বলতে শুনো,,,,,

আজ আবার সারা কলেজের সামনে ওকে চড় মারলাম,,,,,,


সঙ্গী: হুম, বৃষ্টি হচ্ছে, আমারও খারাপ লাগছে,,,,,

শিশির তোমাকে অনেক ভালোবাসে তুমি তাকে এই পুরস্কার দাও,,,,,,


বৃষ্টিঃ নীরব,,,,,,


নীলা: তুমি যদি তাকে পছন্দ না কর তাহলে তোমার বইয়ের পাতায় তার নাম কেন,,,,,,,

তুমি বলো ,,,,,,


বৃষ্টি কোথায়?


নিলা: দেখছি,,,,,,,


বৃষ্টিঃ হয়তো সে লিখছে,,,,,,,,


নীলা: তোমার লেখা আমি জানি,,,,,,


বৃষ্টিঃ তাহলে তুমি বলছ আমি মিথ্যা বলছি,,,,,


নিলাঃ তাই না!!!!!


সঙ্গী: আমরা আপনার বন্ধু, বলুন,,,,,,


বৃষ্টিঃ আমি আসলে সেদিন পড়ছিলাম,,,,

আমি শুধু তাকে নিয়েই ভাবছিলাম তাই না জেনে লিখছি,,,

বেশি না ,,,,,,


নীলা: এটা ভালোবাসার লক্ষণ,,,,,,, (দুষ্টু হাসি দিয়ে.......)


বৃষ্টিঃ বাসায় আসছি, চল যাই,,,,,,


বৃষ্টি চলে যাচ্ছে,,,,,,,


নীলা: যদি তুমি তার কাছে ক্ষমা না চাও,,,,,


সঙ্গী: হুম,,,,,,

বৃষ্টি: দেখি,,,,,,,,


বিকেলের শিশিরে বের হলাম,,,,,, তখন আমার সামনে বৃষ্টি নামলো,,,,,

শিশির কেটে যাচ্ছে,,,,,,,


বৃষ্টি: সরি,,,,,,,


শিশির: কিসের জন্য...... (অবাক হয়ে......)


বৃষ্টি: সকালে ব্যবহারের জন্য,,,,,,,,


শিশিরঃ ওহহহ,,,,,

ঠিক আছে আপু আমি যাই,,,,,,


শিশির শুনে অবাক, ওকে চলে যেতে দেখে,,,,,,,

বৃষ্টি বৃষ্টিকে তার নাম ধরে ডাকার জন্য এত চড় মেরেছে,,,, কিন্তু আজ শিশির নিজেই তাকে অপু বলে ডাকে,,,,,,

বৃষ্টি ভাবছে একটা ছেলে কত কষ্টের কথা বলতে পারে,,,,,


শিশির সকালে বন্ধুর বাসায় যায়,,,,,,

আর বৃষ্টি এখনো কলেজে যাচ্ছে তবু শিশির দেখা যায়নি,,,,,,,

তার গার্লফ্রেন্ড তাকে জিজ্ঞেস করছে তুমি কি ক্ষমা চেয়েছ,,,, তখন বৃষ্টি সব বলেছে,,,,,,


নিলা: আমার মনে হয় সে অনেক কষ্টে আছে,,,,,,


সঙ্গী: হুম,,,,,

কাল না করলেও,,,,,,


নিলাঃ আচ্ছা চল ওর কাছে যাই,,,,,,,


বৃষ্টি কিছু একটা ভেবে বলল হ্যা,,,,,,,


কিন্তু তার বান্ধবী সারা কলেজে বৃষ্টিতে তাদের কাউকেই দেখতে পায়নি,,,,,,,


বৃষ্টি কলেজের শেষে শিশির দেখে ভাবতে পারেনি।


বৃষ্টি সারাদিন কিছু বলল না,,,,,

সে বাসায় আসে,,,,,

কিন্তু একটাই কথা যে ছেলেটা সারাদিন ওর দিকে বসে থাকে, সেই ছেলেটা আজ ওকে দেখেনি,,,,,,,


পরের দিন যখন কলেজে যাই তখন বৃষ্টি হয় তখনও শিশির নেই,,,,,,,

বাসায় আসার পর বৃষ্টি শিশিরের বাসায় যায়,,,,,,

শিশিরের মা বললেন, শিশির তার বন্ধুর বাসায় আর কতদিন থাকবে?


বৃষ্টি সেদিন কলেজে যায়নি,,,,,,,

পরদিন কলেজে গেলে তার বান্ধবীরা তাকে দেখে অবাক হয়ে যায়,,,,,,,

কারণ এই ৭ দিনে বৃষ্টি শুকিয়ে গেছে, তার চোখও লাল, যেন সে রাত জেগে আছে,,,,,,,

চোখের নিচে কালো দাগ, ভাবছি কত কান্না জড়িয়ে আছে,,,,,,,,,


নিলাঃ তোমার এই অবস্থা কেন,,,,,,


বৃষ্টি নীলাকে জড়িয়ে ধরে,,,,,,,,


নিলা: কি হয়েছে বলো না,,,,,,,,


বৃষ্টি: আমি শিশিরের প্রেমে পড়েছি,,,,,,

আপনি জানেন, তিনি এখনও বাড়িতে নেই. তারপর থেকে আমি তাকে দেখিনি।

আমি খুব একটা কষ্টে নেই,,,,,,,

এসবের জন্য আমিই দায়ী........ (কান্না করে.........)


নিলা: এত কিছু হয়েছে,,,,,,,,

সাবাশ ,,,,,,,

আমার বান্ধবী শিশিরের প্রেমে পড়ে গেল,,,,,,,


সঙ্গী: কান্না থামাও, ওকে খুঁজে আসি,,,,,

আচ্ছা, তার ফোন নম্বর আছে, সে কোথায়?


বৃষ্টিঃ কতবার ফোন করেছি,,,,,,,,,,


নিলাঃ ওহহহ,,,,,,


ওরা অনেকদিন কলেজ থেকে বের হয়েছে আর আমার মনে হয় একটু পর বৃষ্টি হবে।


নীলাঃ চল এখন বাসায় যাই, একটু পর বৃষ্টি হবে,,,,,,,


সঙ্গীঃ দেখো,,,,,,,


নিলা: কি,,,,,,,


সঙ্গী: আরে রাজ,,,,,,,,,

শিশিরের বন্ধু,,,,,,,


তারা সবাই রাজার কাছে যায়,,,,,,,,


নীলা: এই রাজ, শিশির কই,,,,,,,


রাজঃ আমি জানি না,,,,,,,


সঙ্গী: তুমি তার বন্ধু, তুমি জানো না কেন!!!!!


রাজঃ জানলেও বলবো না,,,,,,,


বৃষ্টি: আমি তোমার পা ধরে আছি। দয়া করে বলবেন না তিনি কোথায় আছেন........


রাজঃ আরে আরে কি করছো!!!!!


বৃষ্টিঃ বলো, সে কোথায়?????


রাজঃ তুমি সেদিন ওকে কত কষ্ট দিয়েছিলে আর এখন ওকে খুঁজতে আসছ,,,,,,,,


বৃষ্টি: আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি,,,,,,,, (কান্না করে........)


রাজঃ ভালোবাসো,,,,, তুমি আকাশ ভালোবাসো,,,,,,,,


নিলা: আরে সেদিন রাগ করেছিল,,,,,,,

প্লিজ বলুন, ওদের বড় কুকুরের গল্প কি.....

কতটা কষ্ট দিয়েছে জানো,,,,,,,


রাজঃ এখানে যে গাছগুলো দেখা যায়,,,,,,,,


ওখানে বৃষ্টি নামল,,,,,,,

আর বাসায় তার বান্ধবী,,,,,,,,

বৃষ্টি সেখানে গিয়ে দেখল শিশির দাঁড়িয়ে আছে,,,,,,,,,,

হালকা বৃষ্টি হচ্ছে,,,,,,,,,

আর বৃষ্টিতে শিশির পড়ছে,,,,,,,,

হঠাৎ শিশিরে ঢেকে গেল বৃষ্টি,,,,,,


শিশির বৃষ্টির ওপারে,,,,,,,,


শিশির দেখে একটু অবাক হলাম তখন.........


শিশির: আপু, জড়িয়ে ধরছ কেন,,,,,,,,


বৃষ্টিঃ কি বললাম,,,,,,,,, (শিশির কলার ধরে.........)


শিশিরঃ কি করছো!!!!!


বৃষ্টি: তুমি আমাকে কষ্ট দিতে পছন্দ করো না (কান্না করার সময়.........)

তুমি জানো আমি তোমাকে কতটা কষ্ট দিয়েছি, তুমি চলে যাওয়ার পর একদিনও ঘুমোতে পারিনি,,,,,,,,

সারাক্ষণ তোমার কথা ভাবতাম,,,,,,,,


শিশির: কিন্তু আমি এটা ছেড়ে দিয়েছি (তাকে বিরক্ত করার জন্য.........)


বৃষ্টিঃ আমাকে মাফ করে দাও,,,,,,,

আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না,,,,,,,,,


শিশিরঃ তুমি না বাঁচলে কার সাথে থাকবো,,,,,,,


বৃষ্টি: তাহলে তো আমার কষ্ট হলো,,, তারপর বললাম যে,,,,,,,,

তুমি খুব অহংকারী তাই না,,,,,,,


শিশিরঃ যাকে ভালোবাসি তার উপর কি রাগ,,,,,,,,,,,,,,

আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি রে পাগলী,,,,,,,,,,,


বৃষ্টিঃ কখনো ছাড়বো না,,,,,,,,,


শিশির: শুধু মৃত্যুই আমাদের আলাদা করতে পারে, আর কিছু না,,,,,,,,,,,


এখন অনেক বৃষ্টি হচ্ছে,,,,,,,,,,,

আর বৃষ্টিতে মেয়েকে জড়িয়ে ধরার মজাই আলাদা,,,,,, কিন্তু দুঃখের বিষয় যারা বিয়ে করছে তারা জানবে কি করে...


বৃষ্টিঃ হুম,,,,,,

বাঁচলে একসাথে বাঁচবো, মরলে একসাথে মরবো...


শিশির: তুমি কি বৃষ্টির কথা জানো????


বৃষ্টিঃ কি!!!!!!


শিশির: তোমাকে প্রথম বৃষ্টিতে দেখলাম আর আজ বৃষ্টি হচ্ছে,,,,,,,,,

আমি শ্বাস নেব

শিশিরঃ চল বাসায় যাই,,,,,,,


কিছুক্ষণ পর ..........


বৃষ্টি: এই চুল তুলবেন না,,,,,,,

আপনি কখনই জানেন না আপনি কতক্ষণ ঘুমাবেন।

আমাকে জড়িয়ে ধরো না,,,,,,,,


শিশিরঃ হুম,,,,,,,,


এভাবেই বেঁচে থাকে ভালোবাসা, আর ভালোবাসার মানুষগুলো বেঁচে থাকে,,,,,,,,



তুমি বৃষ্টি ছুঁয়ে দাও,

তোমার প্রতি ফোঁটা

আমি তাই মনে করি

নীল ক্যাফের পরী (শেষ পর্ব - ২০) রোমান্টিক প্রেম



ইসরাতের সামনে চুপচাপ বসে আছে রিফাহ। ইসরাতও বিষন্ন। ইসরাত কিছু মনে করে না। সেও রনির কথা ভাবে। কিন্তু ইসরাত রনিকে ভুল বোঝে।

তিন দিন পর রনির জ্বর কমে গেল। রনি বেরিয়ে এল। সে কোথায় যাচ্ছে তার কোন ধারণাই ছিল না। নদীর ধারে থামল সে।

রিফাহ ইসরাতের কাছে গিয়ে বলল, এই যন্ত্রটা নাও।

"আমি এটা দিয়ে কি করতে যাচ্ছি? যার ফোন তাকে দাও।"

"কি হবে ওর? সে পাগল। পাগল আবার ডাকছে?"

"পাগল, কে পাগল?"

"আমার 12 বছরের বড় ভাই কে আবার। ভাই এমন ছেলে না। আপনি ভুল বুঝেছেন।"

"তোমার কাছে প্রমাণ আছে?"

"ওহ, নীচের সবকিছুতে আপনার প্রমাণ দরকার। এটি এই ডিভাইসের প্রমাণ। হায়, প্রেমের জন্য একজন মানুষের কি হয়, না হয়। শেষ পর্যন্ত সেও পাগল হয়ে যায়। শীঘ্রই সে একজন ডাক্তার দেখাবে এবং তারপর তাকে পাঠাবে। লন্ডন বিয়ে করতে। তোমার ফুফু অপেক্ষা করছে। " আমার জন্য। "

রিফা বেরিয়ে এল। ইসরাত ফোন করল। প্রথমে তার ছবি দেখলেন। রনির ওয়ালপেপারে ইসরাতের ছবি। ইসরাতের চূড়া। ইসরাত একটা রেকর্ডিং শোনেন। পিঙ্কির সাথে রিফাহের ঝগড়া নিয়ে কিছু কথা হয়। তখন ইসরাত বুঝতে পারে সে রনিকে ভুল বুঝছে। তার নিজের জন্য খুব খারাপ লাগছিল। ইসরাত রনির বাসায় যায়। তিনি সেখানে এটি খুঁজে পাননি. সে সারা শহর তল্লাশি করল। কিন্তু তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি। ইসরাত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ক্লান্ত শরীর নিয়ে নদীর দিকে হাঁটা শুরু করল। তিন ঘণ্টা ধরে তাকে খুঁজছি। "

রনি অবাক হয়ে ইসরাতের দিকে তাকিয়ে বলল, আমাকে খুঁজছ কেন?

"আমি তোমাকে খুঁজছি বা কাকে খুঁজছি!"

রনি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, "কিন্তু তুমি-"

"আমি দুঃখিত আমি তোমাকে ভুল বুঝেছি, রনি। আমাকে ক্ষমা করুন।"

"আমি তোমাকে প্রতি মুহূর্তে ক্ষমা করি।"

ইসরাত রনিকে জড়িয়ে ধরে বলল, "এটা আর কখনো হবে না। কাউকে বিশ্বাস করব না। চল এখন যাই।"

"কোথাও।"

"সবাই বলে আমি আমার হৃদয়ের বিষয়বস্তুতে খাই এবং আপনি বলেন আমার হৃদয় পূর্ণ।"

"আরে, আমার পেট ভরে যাবে, কিন্তু আমি আমার হৃদয়ের তৃপ্তি খাব।"

"আসুন। আমি আমার ইচ্ছামত খাব।"

তারা পরের পথে পুনরায় একত্রিত হতে শুরু করে ।

সমাপ্তি ।।।

নীল ক্যাফের পরী (পর্ব - ১৯) রোমান্টিক প্রেম


সে ইসরাতের বাড়ির সামনে গিয়ে ইসরাতকে জোরে ডাকতে থাকে। ইসরাত বারান্দায় এসে বলল, কী নিয়ে চিৎকার করছিস?

"আমি তোমাকে ভালোবাসি ইসরাত। আমি শুধু তোমাকে চাই। আমি তোমাকে শুধু তোমাকেই চাই আমার জীবনে কিছুই নেই।"

"ওহ সালমান শাহ, আমি তোমাকে চিনি।"

"আমাকে কতটা চেনেন! দু'দিনে আমাকে চেনেন? আমার জীবনের ইতিহাস সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না।"

"যাও বন্ধুরা।"

"আমি যাব এবং তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যাব। আমি এখানে দাঁড়াবো এবং আমি এখানেই দাঁড়াবো।"

বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত আকাশে প্রচুর মেঘ

এই মুহূর্তে বৃষ্টি হবে। রনি বাড়ি গেল না। বাসার সামনে দাড়িয়ে আছে। রাত ১০টার পর বৃষ্টি হয়। এরপর আর কোথাও যায়নি রনি। ভিজে যেতে লাগলো। সারারাত বৃষ্টি হলো। রনি সারারাত সেখানে ভিজে গেছে। এটা নাও. এরপরও ইসরাত আসেনি। রনিকে খুব ক্লান্ত লাগছিল। নিরিবিলি বাজারে যাচ্ছি। রনিকে দেখে থমকে গেল।

"আমি যাব না। ইসরাতকে ছাড়া যাবো না।"

"দেখ তোমার জামাকাপড় সব ভিজে গেছে।"

"চলো ভিজবো না। আমি ইসরাতের সাথে যাব।"

শান্ত হও আর কিছু বলবে না। রনি এসে পাশে দাঁড়াল। রনির মাথা ঘুরছিল। তার চোখ অন্ধকার।

রনির জ্ঞান ফিরল। রনির খুব জ্বর ছিল। চোখ না খুলেই কিছু একটা বিড়বিড় করল সে। আমি বুঝতে পারছিলাম না সে কি বলছে। রিফাহর কাছে গিয়ে শুনল রনি কি বলছে। রনি বিড়বিড় করে বলল, কেউ আমাকে ভালোবাসে। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি. আমি আর পারছি না। আমি কিছুই পছন্দ করি না। রিফাহ, এই রিফাহ। "

"বলো ভাই।"

"সে এসেছে?"

"চলে আসো."

"কবে আসবে বলিস আর আসবে না। সারা রাত ভিজে ভিজে অপেক্ষা করেছি কিন্তু সে আসেনি।"

"ভাই, তুমি এখন খাও।"

"সে যদি আমাকে খাইয়ে দেয়, আমি খাব। নইলে আমি খাব না। আমি ভেঙে দেব।"

রিফা আর কোন কথা না বলে বাসায় চলে গেল।

নীল ক্যাফের পরী (পর্ব - ১৮) রোমান্টিক প্রেম

Love story, valobasar golpo,প্রেমের গল্প, ভালোবাসার গল্প, love story bengali, bangla love story,খালাতো বোন,উক্তি,স্টাটাস,facebook sad status bangla love,nil cafer golpo,nil cafer valobasa,kache asar golpo,kace asar golpo,নীল ক্যাফের ভালোবাসা,নীল ক্যাফের গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,romantic love story Bengali,


ঘরের এক কোণে দরজা বন্ধ করে মেঝেতে বসে আছে রনি। আমার মনে হয় ইসরাত তাকে সারাক্ষণ ফোন করছে। কিন্তু ইসরাত কিছু বলে না। আর রনি পিংকির উপর খুব রেগে যাচ্ছে।

রনিও আজ ঘুমায়নি। সারা রাত মেঝেতে বসে কাটিয়ে দিল। এভাবে রনির শরীর অনেক বেশি ভেঙ্গে যাবে। সর্বোপরি, ঘুম দরকার। তাই তিনি রনিকে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেন।

সকালে চুপচাপ রনি বাসায় আসে। রনির মা গেট খুলে দিল। ভেতরে গিয়ে শান্ত গলায় বলল, আন্টি রনি বাসায় নেই?

"ওখানে ওর একটা রুম আছে। ওকে ডাক।"

"আচ্ছা আন্টি। রনি কি আজ ঘুমিয়েছে!"

রুমের গেট বন্ধ কি করে বলবো তুমি ওকে ডাকো।

চুপচাপ রনি গেটে এসে নক করল। কিছুক্ষণ পর রনি গেট খুলে দিল। রনি গেট খোলার সাথে সাথে স্প্রে করে। তারপর রনিকে বিছানায় শুইয়ে গায়ে চাদর পরিয়ে দিল। রনি কি করে? "

নিরব বলল, ঘুমাচ্ছে।

"ওহ, এখন ওঠ।"

"না, আন্টি, আমি আপনাকে 7-8 ঘন্টা ঘুমানোর জন্য স্প্রে করেছি। আপনি যখন জেগে উঠবেন, আপনি আমাকে খাওয়াবেন। এখন আমরা যাই।"

বিকেলে রনির ঘুম ভাঙল। রনির মা খাবার তৈরি করে রনির জন্য নিয়ে আসেন।

রনি বলল, মা ইসরাত আমাকে বোঝে না?

মা খাবারটা মুখে রেখে বললো, "হ্যাঁ, বাবা বলেছে আসবে। তোমাকে অবাক করে দেবে। এখন খাও। তুমি না খেললে ওর সামনে দাঁড়াবো কী করে! অবস্থা। ওর মুখ মরে গেছে। দেখাও। তাকে তাজা।"

"আচ্ছা, রিফাহ একা আসে কেন? সে সত্যিই ইসরাতকে নিয়ে যেতে পারে।"

"হুমম আজ। খাবে না।"

"আমি খাচ্ছি। আজ অনেক খেয়েছি। আমাকে পানি দাও।"

"আরো একটু খাও।"

এবার রনির ঘরে ঢুকলেন রেফারি। রনি রিফাহর দিকে তাকিয়ে বলল, "ইসরাত কোথায়? চুপ করে আছো কেন? রিফাহ কিছু বলছে না কেন?"

রিফাহ বলল, "ইসরাত ভাই আপনার কথা শুনতে পাচ্ছেন না। সে রেগে যায়। তারপর আসবে কিভাবে? আপনি কয়েকদিন ধরে দেখছেন।"

"মা রিফাহ এই কথা বলে! তুমি ইসরাতকে আনলে না কেন? আর তুমি মিথ্যেবাদী আমাকে মিথ্যা বলো। সব সময় বলো তোমার কেউ ভালো না। ইসরাতকে যেতে দিও না। তুমি খুব খারাপ।"

রনি প্লেটটা মেঝেতে ফেলে দিল। আজকাল সে খুব ভেঙে পড়েছে।

সে চিৎকার করে বলল, "আমি কিছু জানি না। আমি ইসরাতকে চাই। আর তুমি বের হওয়ার আগে আমি ইসরাতকে নিয়ে আসব।"

রনি রিফাহের হাত ধরে টেনে বের করল। রনি এখন সারাক্ষণ চিৎকার করছে। রিফাহ বলল, "ইসরাত ভাই, আমি কি করতে পারি!"

"তুমি আসছো না কেন? তুমি জানো না সে আজ আসতে চায়। আমি এটাই বলছি।"

"ভাই একটু বোঝার চেষ্টা করুন।"

"না, আমি বুঝতে পারছি না। তুমি যাবে না, আমি যাই।"

রনি বেরিয়ে এল।

নীল ক্যাফের পরী (পর্ব - ১৭) রোমান্টিক প্রেম

Love story, valobasar golpo,প্রেমের গল্প, ভালোবাসার গল্প, love story bengali, bangla love story,খালাতো বোন,উক্তি,স্টাটাস,facebook sad status bangla love,nil cafer golpo,nil cafer valobasa,kache asar golpo,kace asar golpo,নীল ক্যাফের ভালোবাসা,নীল ক্যাফের গল্প,রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প,romantic love story Bengali,


ইসরাত বারান্দায় দাঁড়িয়ে রনির কথা ভাবছে। এদিকে রনি বারান্দার এক কোণে বসে বারবার বলছে ইসরাতের কাছে যাবে। রনির ভালো ঘুম হয় না। সারা বাড়ি ব্যস্ত। সে ঠিকমতো খায় না। রনি ও তার বাবা-মা খুব টেনশনে থাকে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে বেরিয়ে পড়লাম। রনির মা রনির ঘরে ঢুকে দেখেন রনি সেখানে নেই। পুরো বাড়ি তল্লাশি করা হয়। খাবারের নাম ছিল না। রনি হাঁটতে লাগলো। ইসরাতকে দেখে রনির মন খারাপ। আমার মনে হয় কিছু হারিয়ে গেছে, পাওয়া যায়নি। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পার্কে গেল। তিনি পার্কে শান্ত এবং শান্ত ছিলেন।

রনি বলেন, আমি ইসরাতের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাকে উপেক্ষা করেছেন।

নীরব বলল, আরে ইসরাত বুঝবে।

রনি বলল, "কই বুঝলি? আচ্ছা শোন, আমাকে একটু একা থাকতে দাও।"

নীরব মুখ বিষণ্ণভাবে বললো, "তুমি এখন একা। তোমার মেজাজ খারাপ। তুমি একটুও হাসো না। তোমার মুখটা বিষাদময় করে তুলছো।"

রনি কিছু না বলে পার্ক থেকে চলে গেল। তিনি একটি নির্জন জায়গা চেয়েছিলেন। সেখানে কেউ ছিল না। শুধু সে।

নীরবে রনিকে খুশি রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। কিন্তু রনি আগে এমন সুখী ছেলে ছিল।

রনি বনে গেল। তার মনে পড়ে একদিন ইসরাত রেগে গিয়ে হ্যাঁ বলেছিল। কয়েকদিন হলো কিন্তু ইসরাত কিছুই বুঝতে পারছে না। রনি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলো এর আগে কারো সাথে তার সম্পর্ক ছিল না। এই দ্রুত.

রনি যখন বাড়ি ফিরল তখন রাত ১টা বাজে। তার বাবা-মা এখনও তার জন্য জেগে ছিল।

রনি টেবিলে এসে সব খাবার মেঝেতে ফেলে দিল। তারপর নিজের রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল। রনির বাবা বলেন, "ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি। ডাক্তার না দেখালে রনির মানসিক অবস্থা দিন দিন খারাপ হবে। তাকে বিয়ে করে লন্ডনে পাঠিয়ে দেব।"

রনির মা বললেন, ছেলেকে এতদূর পাঠাও!

"তাহলে আপনি কি করতে যাচ্ছেন? আপনি আমাকে পাগল করতে যাচ্ছেন! আপনি পাগল হয়ে যাচ্ছেন।"

রিফাহ চুপচাপ শুনছিল। রনির বাবা বলেন, রিফাহ ঠিক সিদ্ধান্ত নেননি!

রিফাহ বলল, "হ্যাঁ আঙ্কেল। আমার মনে হয় এটা সঠিক সিদ্ধান্ত।"

"আচ্ছা তুমি ঘুমাও। আর রনির মা, চলো ঘুমাতে যাই।"

অন্যরকম জানুন

অন্যরকম জানুন

Facebook Status Bangla

Facebook Status Bangla

Health Tips

Health Tips

Islamic-ইসলামিক

Islamic-ইসলামিক

টপ 10

টপ 10

রূপচর্চা

রূপচর্চা

রান্না রেসিপি

রান্না রেসিপি

অনলাইন ইনকাম

অনলাইন ইনকাম
© All Rights Reserved
Made with Forhad Elahe