ফ্রিজে রাখার পরেও কাঁচা মরিচ পচে যাচ্ছে? জানুন দীর্ঘদিন ভালো রাখার কৌশল

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো কাঁচা মরিচ(Green pepper) দীর্ঘদিন ভালো রাখার কৌশল। ঝাল খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। তাইতো অনেকেই ভাতের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খান। তাছাড়া তরকারিতেও কাঁচা মরিচের ব্যবহার হয়। কাঁচা মরিচ একসঙ্গে অনেকগুলো কিনে এনে তা ফ্রিজে(fridge) রেখে খান অনেকেই।


তবে দেখা যায় কিছুদিন না যেতেই সেগুলো পচে যাচ্ছে। ফ্রিজে রাখার পরও মরিচ পচে গেলে তা একটু কষ্টকরই বটে। তবে সঠিক পদ্ধতিতে কাঁচা মরিচ(pepper) সংরক্ষণ করতে পারলে তা দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

তাই জেনে নিন সহজ ও সঠিক পদ্ধতিতে কাঁচা মরিচ সংরক্ষণ পদ্ধতিটি-

বাজারে সবজি তাজা দেখাতে প্রচুর পরিমাণে পানি ছিটানো হয়। কাঁচা মরিচেও তা করা হয়। আর সেই পানি সহ কাঁচা মরিচ ফ্রিজে রাখলে পচনতো ধরবেই। তাই কাঁচা মরিচ কিনে আনার পর একটা পরিষ্কার কাপড়ে সেগুলো বিছিয়ে বাতাসে ভালো ভাবে পানি(Water) শুকিয়ে নিন।

তারপর মরিচের বোটাগুলো ছাড়িয়ে নিন। পচা বা আধা পচা মরিচ গুলো আলাদা করে ফেলে দিন। এবার শুকনো পলিথিন ব্যাগে ভালো কাঁচা মরিচগুলো ভর্তি করে বায়ুশূন্য(Airless) করে নিন। এবার পলিথিনের মুখটা ভালোভাবে পেচিয়ে ফ্রিজে রাখুন। এই পদ্ধতিতে কাঁচা মরিচ বেশিদিন ভালো থাকবে।

পাঁচফোড়নে মজাদার দই বেগুন রেসিপি

No comments

বেগুন বেশ সহজলভ্য এক সবজি(Vegetable)। সবসময়ই বাজারে বেগুনের দেখা পাওয়া যায়। একঘেয়েমি বেগুন ভাজা আর নয়তো বেগুনের ঝোল খেয়েই নিশ্চয়ই এ সবজি থেকে রুচি উঠিয়ে ফেলেছেন! বেগুনে রুচি ফিরিয়ে আনতে রান্না করুন পাঁচফোড়নে দই-বেগুন। স্বাস্থ্যকর এ পদ খুবই সুস্বাদু। একবার খেলে মুখে এর স্বাদ লেগে থাকবে।


এ সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ(Vitamin A), যা চোখের জন্য খুব উপকারী। বেগুন খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও পাকস্থলী, কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্রের ক্যানসারকে(Cancer) প্রতিরোধ করে বেগুন। বেগুনে কম কার্বোহাইড্রেট এবং বেশি পরিমাণে ফাইবার থাকায় ডায়াবেটিস(Diabetes) নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

অন্যদিকে টকদইয়ে আছে আমিষ, ভিটামিন, মিনারেল(Minerals) ইত্যাদি। এতে দুধের চেয়েও বেশী ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম(Potassium) আছে। তবে আর দেরি কেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক পাঁচফোড়নে দই-বেগুন রেসিপি-

উপকরণ
১. বড় বেগুন ১ টি
২. জিরা আধা টেবিল চামচ
৩. কাঁচামরিচ ৩ টি
৪. আদা(Ginger) বাটা ১ টেবিল চামচ
৫. হলুদের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
৬. মরিচের গুঁড়া আধা টেবিল চামচ
৭. দই ২০০ গ্রাম
৮. লবণ(Salt) স্বাদমতো
৯. চিনি ১ টেবিল চামচ
১০. সরিষার তেল পরিমাণমতো
১১. ধনেপাতা কুঁচি সামান্য
১২ পাচঁফোড়ন পরিমাণমতো

পদ্ধতি
বেগুন গোল করে টুকরো করে কেটে নিন। হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ(Salt) দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন।

এবার চুলায় প্যান বসিয়ে তেল(Oil) গরম করে নিন। গরম তেলে বেগুনের টুকরোগুলো বাদামি করে ভেঁজে নিন। অন্য একটি প্যানে তেল গরম করে জিরা ও পাঁচফোড়ন টেলে নিন।

এরপর আদা বাটা দিয়ে আরো কিছুক্ষণ ভেঁজে নিন। একেক করে কাঁচামরিচ, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া(Chilli powder) এবং সামান্য পানি দিন মসলাগুলো ভাঁজতে থাকুন। এরপর মশলার মিশ্রণে টকদই ও চিনি দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন।

মশলা একটু কষানো হলে ভাঁজা বেগুন দিয়ে দিন। সবগুলো টুকরোতে যেন মশলাটা ভালো করে লাগে। কিছুক্ষণের জন্য ঢেকে রান্না করুন। এরপর এতে ধনেপাতা দিয়ে হালকা আঁচে রান্না করুন।

হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। পাঁচফোড়নে দই-বেগুন গরম ভাত, পোলাও এবং খিচুড়ির সঙ্গেও খেতে পারেন।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ভেজিটেবল স্যুপ রেসিপি

No comments

প্রতিদিনই আমরা নতুন কিছু না কিছু রান্না শিখছি। পরিবারের জন্যে নতুন এবং মজাদার রেসিপি বানানোর পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে, খাবারে পরিবারের সকলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি(Nutrition) বরাদ্দ আছে কি না! আজকে আমরা জেনে নিবো এমন একটি রেসিপি যা আপনি ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন বাসায় থাকা সবজি এবং সহজলভ্য কিছু উপকরণ ব্যবহার করেই। ভিটামিন সি(Vitamin C) সমৃদ্ধ এই ভেজিটেবল স্যুপটি স্বাদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(Immunity) বৃদ্ধিতে হতে পারে দারুণ সহায়ক। তাই, দেরি না করে চলুন জেনে নেই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ভেজিটেবল স্যুপ বানানোর জন্যে কী কী লাগছে এবং এর প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে।

foodpanda bkash offer,pandamart opening hours,foodpanda company,foodpanda customer service,foodpanda seller,foodpanda merchant registration,foodpanda bkash,foodpanda live chat,foodpanda home chef,food panda live chat,

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ভেজিটেবল স্যুপ বানানোর নিয়ম

উপকরণ
 সয়াবিন তেল/ অলিভ অয়েল(Olive oil)- ২ টেবিল চামচ
 আদা কুঁচি- ১ টেবিল চামচ
 রসুন কুঁচি- ১ টেবিল চামচ
 কাঁচামরিচ ফালি- ৪/৫ টি
 গাজর(Carrot) কুঁচি– ১ কাপ
 বরবটি কুঁচি- ১ কাপ
 বাঁধাকপি কুচি– ১ কাপ
 পানি- ১ লিটার
 স্বাদমতো লবণ(Salt)
 গোলমরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
 ধনিয়া পাতা কুঁচি- ১/২ কাপ
 কর্ণফ্লাওয়ার- ৩ টেবিল চামচ
 লেবুর রস(Lemon juice)-৩ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালী
১. ভিটামিন সি(Vitamin C) সমৃদ্ধ ভেজিটেবল স্যুপ বানানোর জন্য প্রথমে চুলায় একটা ফ্রাইপ্যান নিয়ে তাতে ২ টেবিল চামচ সয়াবিন তেল বা অলিভ অয়েল(Olive oil) দিতে হবে। চুলার তাপ কমিয়ে রান্না করলে ভালো হয়, এতে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।

২. তেল হালকা গরম হলে তাতে একে একে আদা কুঁচি, রসুন(Garlic) কুঁচি, কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।

৩. এই পর্যায় যখন তেল থেকে একটা সুন্দর ঘ্রাণ আসবে তখন কুঁচি করে রাখা সবজিগুলো (গাজর কুঁচি, বরবটি কুঁচি, বাঁধাকপি কুচি) একে একে ফ্রাইপ্যানে দিতে হবে। অন্য যেকোনো সবজি(Vegetable) ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. এখন সবজিগুলো ক্রমাগত নাড়তে হবে এবং হালকা সিদ্ধ করে নিতে হবে। প্রায় ৪/৫ মিনিট ধরে ভাজুন।

৫. এবার ফ্রাইপ্যানে ১ লিটার পরিমাণ পানি ঢেলে দিয়ে আবারও অনবরত নাড়তে হবে।

৬. পানি হালকা ফুটে উঠলে তাতে পরিমাণমতো গোলমরিচ গুঁড়া(Pepper powder) দিয়ে নিবো।

৭. এখন একটি কাপে কর্ণফ্লাওয়ার নিয়ে নরমাল পানিতে গুলিয়ে নিতে হবে। পানির সাথে কর্ণফ্লাওয়ার ভালো করে মিশে গেলে তা ফ্রাইপ্যানে ঢেলে দিন ও নাড়তে থাকুন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী সুপ্যের ঘনত্ব রাখতে পারেন। একটু ঘন করে খেতে চাইলে কর্ণফ্লাওয়ারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।

৮. পানি ফুটে উঠলে সবশেষে ধনিয়া পাতা কুঁচি এবং লেবুর রস(Lemon juice) মিশিয়ে নিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

ব্যস! খুব সহজেই তৈরি হয়ে গেলো মজাদার এবং পুষ্টিকর ভিটামিন সি(Vitamin C) সমৃদ্ধ ভেজিটেবল স্যুপ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন ধরণের ভাইরাল ইনফেকশন থেকে শরীরকে রক্ষা করতে আমাদের প্রত্যেকের প্রতিদিন নুন্যতম দুইবার ৫০০ মি. গ্রাম পরিমাপে ভিটামিন সি(Vitamin C) যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ। এই রেসিপিতে যেই উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো প্রায় প্রতিটি ভিটামিন সি যুক্ত। আমাদের সবার বাসাতেই নানা ধরনের শাক-সবজি কম বেশি থাকে। চাইলে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী অন্যান্য শাক-সবজিও ব্যবহার করে বানিয়ে ফেলতে পারেন এই মজাদার এবং পুষ্টিকর স্যুপটি।

রান্নার স্বাদ খারাপ হয়ে গেছে? শিখে নিন রান্নাকে সুস্বাদু করার সাতটি ম্যাজিক ট্রিক্স

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো রান্নার স্বাদ সুস্বাদু করার সাতটি ম্যাজিক ট্রিক্স সম্পর্কে। রান্না একটি শিল্প৷ কিন্তু সবসময় নিপুন হয় না শিল্পকর্ম৷ ঠিক তেমনই রাঁধুনীও সব রান্না সবসময় সুস্বাদু(Delicious) করতে পারেন না৷ অথবা সবসময় মনোসংযোগ(Attention) ঠিক হয় না৷ তার ফলে সমস্যা হয় নানা রকম৷ বাড়িতে অতিথি আসলে শুধু রান্না নয়, ঘরে থাকে আরও অনেক কাজ ৷

সেইসব কাজের মধ্যে রান্না করতে গিয়ে কখন খাবার পুড়ে যায় বা গলে যায়৷ আর আপনারও মাথায় হাত! চিন্তার কোনও কারণ নেই৷ আপনার রান্নার স্বাদ (Cooking taste) ফিরিয়ে আনার অনেক কৌশল রয়েছে৷ জেনে নিন সেগুলি কি৷ তাহলে আর কখনওই আপনাকে চিন্তা করতে হবা না রান্না নিয়ে ৷

১) মাংসের ঝোল বেশি পাতলা হয়ে গিয়েছে? কিংবা খেতে ঠিক ভালো লাগছে না, ঝাল বেশি হয়েছে, মশলা কষানো না হওয়ায় গন্ধ আসছে কাঁচা মশলার, অথবা মশলা পুড়ে গিয়ে তেতো হয়ে গিয়েছে? আর আপনার চিন্তার কিছু নেই। কিছুটা পিয়াজ(Onion) বেরেস্তা করুন৷ পিয়াজ ভাজার সময়েই মাঝে দিয়ে দিন আস্ত গরম মশলা। এবার এই ভাজা বেরেস্তা দিয়ে দিয়ে দিন আপনার বেস্বাদ রান্নায়। এবার ভালো করে নেড়ে, আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন ১৫ থেকে ২০ মিনিট। ঝোলের সমস্ত সমস্যা কমে আসবে অনেকটা৷

২) মাংসের ঝোলের তরকারিতে খুব বেশি নুন বা ঝাল দিয়ে ফেলেছেন? এত বেশি যে মুখেই দেওয়া যাচ্ছে না? কোনও সমস্যা নেই৷ ওই রান্নায় দিন দুধ(Milk)। সঙ্গে সামান্য চিনি। তারপর ঢাকা দিয়ে অল্প আঁচে রাখুন। অতিরিক্ত নুন ও ঝাল দুটোই কমে যাবে।

৩) গ্রিল চিকেন, শিক কাবাব(Shik Kabab) বা অন্য যে কোনও কাবাব জাতীয় খাবার বানিয়েছেন শখ করে? কিন্তু খেতে খুব বাজে হয়েছে?বেশি পুড়িয়ে ফেলেছেন বা নুন-মশলা অতিরিক্ত হয়ে গিয়েছে? চিন্তার কিছু নেই, এই সমস্যারও সমাধান রয়েছে। এমন খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করুন একটি বিশেষ রায়তা। টক দইকে চিনি, সামান্য নুন, চাট মশলা, মিহি ধনে পাতা-পুদিনা পাতা কুচি ও সরষে তেল(Mustard oil) দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এই রায়তা কাবাব জাতীয় খাবারের সব ত্রুটিকে ঢেকে দিতে পারে।

৪) আলুর চপ(Potato chop), পরোটা ইত্যাদি তৈরি করেছেন কিন্তু স্বাদ ভালো হয় নি? মশলা কম হয়েছে?ওপরে ছড়িয়ে দিন আপনার প্রিয় যে কোনও স্বাদের চাট মশলা। সুস্বাদু হয়ে উঠবে আপনার তেলে ভাজা।

৫) ফ্রায়েড রাইস, পোলাও বা বিরিয়ানি(Biryani) বেশি নরম হয়ে গিয়েছে? গলে গিয়েছে চাল?এটাকে আবার ঝরঝরে করে তুলতে চান? ছড়ানো কোন পাত্রে খাবারটি ঢেলে ফ্যানের নিচে শুকাতে দিন। খুব ভালো করে ঠাণ্ডা হয়ে গেলে অনেকটা ঝরঝরে হয়ে আসবে,তখন ছড়ানো কড়াইতে গরম করে নিন। ব্যাস আবার তৈরি আপনার ঝরঝরে ফ্রায়েড রাইস(Fried Rice)৷

৬) তেলে ভাজা জাতীয় স্ন্যাক্স তৈরি করেছেন, কিন্তু স্বাদ হয়নি? অথবা রান্না খারাপ হয়ে গিয়েছে? সঙ্গে পরিবেশন করুন একটি বিশেষ সস। সম পরিমাণ মেয়নেজ ও টমেটো(Tomato) কেচাপ নিন। সঙ্গে যোগ করুন খানিকটা চিলি সস, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস ও জল। ভালো করে ফেটিয়ে নিন মিশ্রণটিকে। এই দারুণ সস দিয়ে খেলে সমস্ত বাজের খাবারও সুস্বাদু মনে হবে।

৭) মাছের ঝোলে আঁশটে গন্ধ পাচ্ছেন?ঝোলের মধ্যে টমেটো(Tomato) টুকরো করে দিয়ে দিন। তারপর ভাজা জিরার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে দিন অনেকটা ধনেপাতার কুচি। এবার ঢাকা দিয়ে রাখুন। তাহলেই দেখুন আঁশটে গন্ধ ভ্যানিশ হয়ে গিয়ে ঝোলে পাবন সুন্দর গন্ধ।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

চিকেন বিরিয়ানি রান্নার সহজ উপায়

No comments

চলে এসেছি আজকের জমজমাট রেসিপি চিকেন বিরিয়ানি(Chicken Biryani) নিয়ে। ট্রেডিশনাল চিকেন বিরিয়ানি, ভোজন প্রেমীরা কোথায় ?ঘটি বাটি নিয়ে রেডি তো। যদি রেডি থাকেন চলুন তাহলে কোমরে কাপড় বেঁধে তেহেরী রান্না করতে নেমে পড়ি। কি কি লাগছে চিকেন বিরিয়ানি(Chicken Biryani) রান্না করতে এক নজর দেখা যাক।


চিকেন বিরিয়ানি রান্নার রেসিপি:
উপকরনঃ
 মুরগীর মাংস ২ কেজি (বড় বড় করে কাটা)
 পোলার চাউল বা বাসমতি ১ কেজি
 তেজপাতা ২ টি
 পেঁয়াজ(Onion) বাটা ২ টেবিল চামচ
⇒ পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
⇒ পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ
 এলাচ ৩ টি
 দারুচিনি ৩ টুকরা
 এক্সট্রা জয় ফল ও জয়এ গুরো
 গরম মসলা গুরো ২ টেবিল চামচ
 আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ
 রসুন(Garlic) বাটা ২ টেবিল চামচ
 সরিষা তেল ৩০০ গ্রাম
 কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ
 কাঁচামরিচ ৭ টি (আস্ত)
 লবন পরিমান মতন
 টক দই(Sour yogurt) ১ কাপ আলু ২০০ গ্রাম (বড় টুকরা করে ভাজা)

প্রস্তুত প্রনালীঃ
মাংস সহ সব মসলা দিয়ে মাংস টা কে ২ ঘন্টা মেরিনেট করে রাখুন। আলু টা পরে দিতে হবে। এইবার ফুল হিট চুলাই কড়াই তে সরিষার তেল ও সয়াবিন তেল(Oil) মিশিয়ে গরম হলে মাংস ঢেলে কিছু সময় নারা চারা দিয়ে ঢেকে দিলাম ১০ মিনিট এর জন্য। যদি মাংস থেকে বেশি পানি উঠে তাহলে আর এক্সটা পানি দেয়ার দরকার নাই। বেশ কিছুক্ষন পর মাংস টা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে বাকি তেল জরিয়ে শুধু মাংস(Meat) উঠিয়ে জড়ানো তেলে পেয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে ধুয়ে জরিয়ে রাখা পোলার বা বাসমতি চাউল ঢেলে দিয়ে কিছুক্ষন চাল ভেজে নিলাম।

১ কেজি চালে দেড় কেজি হাল্কা গরম পানি দিয়ে দিলাম এই ভাবে ঢেকে যখন পানি প্রায় শুকিয়ে আসবে তখন তুলে রাখা মাংস এবং আলু ভেজে রাখা গুলো ঢেলে নাড়াচাড়া করে চুলার আচ একদম কমিয়ে বা চুলার উপর লোহার তাওয়া দিয়ে উপরে পাতিল বসিয়ে ঘন্টা খানেক রেখে মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে ।নামানোর আগে কেওড়া জল ও একটু সরিষার তেল(Mustard oil) উপর দিয়ে ঢেলে নামাতে হবে।

হয়ে গেল চিকেন বিরিয়ানি(Chicken Biryani) রান্নার রেসিপি …গরম গরম নামিয়ে পরিবেশন করেন ভেজে রাখা পেয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে দিন।

প্রয়োজনীয় টিপসঃ
 চিকেন বিরিয়ানি রান্নাই অনেক বেশি তেল ব্যবহার করতে হবে।
 টক দই বেশি যেন টক হয়।
 যে কই কেজি চাউল তার ডাবল মাংস দেয়ার চেষ্টা করবেন।
 চাইলে গোলাপ জল(Rose water) ও যোগ করতে পারেন।
 নামানোর আগে আস্ত কাঁচামরিচ দিলে বেশ ভাল সুভাষ আসে।

রান্নার কড়াই থেকে পোড়া দাগ দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো রান্নার কড়াই থেকে পোড়া দাগ দূর করার সহজ উপায় সম্পর্কে। প্রতিদিনের রান্নায় সবচেয়ে বড় একটি অসুবিধার বিষয় হল কড়াই পুড়ে যাওয়া অথবা, রান্না করা খাবার(Cooked food) কড়াইতে পুড়ে যাওয়া। সময়ের এদিক-সেদিক কিংবা অসাবধানতায়, আগুণের অতিরিক্ত তাপে অথবা আঠালো জাতীয় খাবার (আচার, হালুয়া প্রভৃতি) তৈরির সময় সাধারণত এমনটা হয়।


সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দেয় পুড়ে যাওয়া কড়াই পরিষ্কার(Clear) করার সময়। সাধারণত যেভাবে থালাবাসন ও কড়াই পরিষ্কার করা হয়, সে নিয়মে কড়াই ধোয়া হলে পোড়া দাগ(Burn mark) উঠতে চায় না। কড়াইয়ের জেদি পোড়া দাগ তুলতে নির্দিষ্ট কিছু উপাদান ব্যবহার করে এবং প্রয়োজনিয় কিছু নিয়ম মেনে কড়াই পরিষ্কার করা। তবেই সহজে কড়াই আবারো নতুনের মতো ফিরে পাওয়া যাবে।

প্রথম ধাপ
আগুণের তাপে ও রান্নায় অসাবধানতার ফলে পুড়ে কালো দাগ(Black spot) বসে যাওয়া কড়াই থেকে পোড়া দাগ দূর করার প্রথম ধাপে সে কড়াইতে তিন গ্লাস পানি নিতে হবে। এতে দুই টেবিল চামচ ডিটারজেন্ট, এক টেবিল চামচ লবণ এবং এক টেবিল চামচ লেবুর রস(Lemon juice) মিশিয়ে মাঝারি আঁচে ৫-৮ মিনিটের জন্য ফুটিয়ে নিতে হবে। এতে করে কড়াইয়ের ভেতরে পুড়ে যাওয়া অংশগুলো সহজে উঠে আসার পথ তৈরি হবে।

দ্বিতীয় ধাপ
চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে সাবধানতার সাথে পানির মিশ্রণটি ফেলে দিতে হবে। হাতে যেন গরম পানি(Hot water) না পড়ে সেদিকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। এরপর একটি বড় পাত্রে বা গামলা কলের পানিতে আধা ভরে এতে কড়াইটি ডুবিয়ে দিতে হবে। এভাবে ডুবিয়ে রাখা অবস্থায় ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করতে হবে। এর ফলে কড়াইয়ের বাইরের অংশে কোন পোড়াভাবে থাকলে সেটাও সহজে তোলা যাবে।

তৃতীয় ধাপ
সময় হয়ে গেলে গামলার পানিতে চুবিয়ে রাখা কড়াই বের করে নিতে হবে। ভিন্ন একটি পাত্রে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা(Baking soda) এবং এক টেবিল চামচ ডিটারজেন্ট মিশিয়ে নিতে হবে। বেকিং সোডা হল ন্যাচরাল ক্লিনজার, যা দাগ-ময়লাসহ পোড়াদাগকে তুলে আনতে কার্যকর। এবারে বেকিং পাউডারের মিশ্রণটি তারের জালের মাজুনির সাহায্যে কড়াইটি ভালোভাবে মেজে নিতে হবে। এতে করে পোড়াদাগ একদম সহজে উঠে আসবে এবং কড়াইয়ের পুরনো কালচে দাগও দূর হবে।

বিরিয়ানি রান্নার সহজ কৌশল

No comments

বিরিয়ানি নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। আর এই বিরিয়ানি(Biryani) খেতে ভালোবাসেন না এমন লোক খুব কমই আছে। কিন্তু অনেকে রেস্টুরেন্টের মতো বিরিয়ানি বাড়িতে বানাতে পারেন না বলে আফসোস করেন। কিন্তু তাই বলে ভালো খাবার খাওয়া হবে না? নিশ্চয়ই হবে। এবার আপনি চাইলে বাড়িতেই রান্না করতে পারবেন দম বিরিয়ানি(Biryani)। এর জন্য আপনাকে কিছু ছোটখাটো পন্থা অবলম্বন করলেই হবে।


তবে বাংলাদেশ জার্নালের পাঠকরা চলুন জেনে নেই ঝটপট বিরিয়ানি রান্নার সহজ রেসিপি-

উপকরণ

১. খাসির মাংস ২ কেজি

২. চাল ১ কেজি (পোলাউর চাল বা বাসমতি)

৩. জয়ফল, জয়ত্রি, এলাচ ও দারচিনি ২ চা চামচ

৪. আদা বাটা ১/২ (হাফ) কাপ

৫. রসুন(Garlic) বাটা ৪ চা চামচ

৬. টমেটো সস ১ কাপ

৭. মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ

৮. টক দই(Sour yogurt) ২ কাপ

৯. সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ

১০. জর্দ্দার রং সামান্য পরিমাণ

১১. গুড়া দুধ ৪ চা চামচ

১২. কেওড়া জল ৪ চা চামচ

১৩. লবণ(Salt) পরিমাণ মত

১৪. আলু ১ কেজি

১৫. শাহী জিরা ২ চা চামচ, তেজপাতা এবং লবঙ্গ

১৬. চিনি ২ চা চামচ (না দিলে সমস্যা নেই)

১৭. পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ কাপ

১৮. এলাচ, দারচিনি ৫-৮টি

১৯. আলু বোখারা ৮-১০টি

২০. ঘি হাফ কাপ

২১. ময়দা ময়াম প্রয়োজন মত

২২. জাফরান হাফ চা চামচ

২৩. তেজপাতা(Bay leaf) এবং লবঙ্গ

২৪. কাঁচা মরিচ

২৫. তেল পরিমাণ মত

প্রণালি
প্রথমে খাসির মাংস টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ(Onion) বাটা, লাল মরিচ গুঁড়া, জিরা, ধনিয়া, জয়ফল, জয়ত্রী লবণ, টক দই(Sour yogurt) সবকিছু একসঙ্গে ভালো করে মাখিয়ে ম্যারিনেট করে আধাঘণ্টা ঢাকানা দিয়ে ঢেকে রেখে দিন। এবার অন্য আরেকটি পাতিলে তেল গরম দিন, গরম হলে সেখানে পেঁয়াজ(Onion) কুঁচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাঁজুন। অর্ধেক ভাঁজা পেঁয়াজ তুলে রাখুন এবার গোটা গরম মসলা দিয়ে ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে দিন। নেড়েচেড়ে কষিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে অল্প পানি দেয়া যায়। খাসি রান্না হয়ে গেলে মাখা মাখা ঝোল থাকবে।

এখন বিরিয়ানির চালগুলো ভালো করে ধুয়ে ১৫-২০ মিনিট ঝরিয়ে রাখুন। এবার অন্য পাত্রে বিরিয়ানির ভাত তৈরি করার জন্য পরিমাণ মত পানি নিয়ে এতে দারুচিনি, তেজপাতা, শাহী জিরা, গুঁড়া দুধ ২-৩ চা চামচ দিয়ে পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানি থেকে ১ মগ পানি রেখে দিন এবং এতে গুড়া দুধ(Milk), ঘি, কেওড়া জল দিয়ে নেড়ে রেখে দিন। এখন চালগুলো আধা সিদ্ধ করে নামিয়ে ঝরিয়ে নিন।

এবার যেই পাত্রে মাংস রাখা হয়েছে তার উপর গরম ভাতটা সুন্দর করে বিছিয়ে দিন। তারপর রেখে দেয়া মগের পানিটা ভালো করে চারদিকে ছড়িয়ে দিন এবং আলু বোখারা, জাফরান(Saffron), বেরেস্তা, কাঁচা মরিচ, জর্দ্দা রং দিয়ে ঢেকে দিন। এখন ময়দার ময়াম দিয়ে পাত্রের চারদিকে আটকিয়ে দিন যাতে কোন দিক খোলা না থাকে। এবার চুলায় পাত্রটি বসিয়ে প্রথম ১০ মিনিট একটু বেশি আঁচে এবং পরবর্তী ৩০-৪০ মিনিট কম আঁচে প্রয়োজনে নিচে একটি তাওয়া দিয়ে দমে রাখুন। এখন পরিবেশন করুন গরম গরম মজাদার কাচ্চি বিরিয়ানি(Biryani)।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় চিংড়ি রেসিপি

No comments

কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় চিংড়ি রেসিপি। কাঁচা কাঠালের যেকোনো পদই অনেক মজাদার হয়। তবে গরমে কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় না খেলে কারও তৃপ্তি মেটে না। কাঁচা কাঁঠাল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা কাঁঠাল(Raw jackfruit) বিভিন্নভাবে রান্না করা যায়। তবে এর মধ্যে এঁচোড় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এবার না স্বাদ পাল্টাতে রান্না করুন এঁচোড় চিংড়ি। খুবই সুস্বাদু আর তৈরি করাও সহজ এই পদ। জেনে নিন রেসিপি-


উপকরণ
১. কাঁচা কাঁঠাল ১টি (কুচি বা টুকরো করে কেটে)
২. মাঝারি আকারের চিংড়ি মাছ(Shrimp) ১ কাপ
৩. নারকেলের দুধ আধা কাপ
৪. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
৫. হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
৬. মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
৭. ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ
৮. আদা(Ginger) বাটা আধা চা চামচ
৯. রসুন বাটা আধা চা চামচ
১০. তেজপাতা ৩টি
১১. এলাচ ৪ টি
১২. লবণ স্বাদ মতো
১৩. তেল আধা কাপ
১৪. কাঁচা মরিচ(Green pepper) ৬টি ও
১৫. পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ টেবিল চামচ।

পদ্ধতি
প্রথমে একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ(Onion) কুচি হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। একটি তেজপাতা ও এলাচ গুড়ো দিয়ে পেঁয়াজের সঙ্গে ভালো করে নেড়ে নিতে হবে। তারপর এর সঙ্গে চিংড়ি মাছ(Shrimp) দিয়ে লালচে করে ভেজে নিন।

স্বাদ অনুযায়ী লবণ মিশিয়ে নিন। তারপর একে একে আদা ও রসুন(Garlic) বাটাসহ হলুদ-মরিচের গুঁড়ো, নারকেলের দুধ কোয়ার্টার কাপ দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে।

তেল যখন উপরে উঠে আসবে; তখন এর মধ্যে টুকরো করে রাখা কাঁচা কাঁঠালগুলো দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিতে হবে। হালকা আঁচে ২ মিনিট ঢেকে রান্না করুন।

এরপর আধা কাপ পানি এবং বাকি নারকেলের দুধ(Coconut milk) দিয়ে ঢেকে ২৫-৩০ মিনিট রান্না করুন। তারপর কাঁচা মরিচগুলো ভেঙে দিতে হবে।

একটি চামচ দিয়ে কাঁঠালগুলো ভেঙে ভেঙে দিতে হবে। এর ফলে কাঁঠালের স্বাদ আরও বেড়ে যাবে। পানি শুকিয়ে নিতে হবে। এ ভাবেই তৈরি হবে যাবে কাঁচা কাঁঠালের এঁচোড় চিংড়ি। পরিবেষনের আগে পেঁয়াজবেরেস্তা ও ধনেপাতা ছড়িয়ে নিতে পারেন।

না ঘষে মাত্র ১ মিনিটেই শিং-মাগুর মাছ পরিস্কার করার কৌশল

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো না ঘষে মাত্র ১ মিনিটেই শিং-মাগুর মাছ পরিস্কার করার দারুন কৌশল সম্পর্কে। শিং মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু। তবে শিং মাছ ঘষে ঘষে পরিষ্কার(Clean) করার ঝামেলার জন্য অনেকেই তা খেতে চান না। তাইতো সুস্বাদু এই মাছের স্বাদ থেকে অনেকেই বঞ্চিত হয়।


তাছাড়া শিং মাছ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করাটাও অনেক কষ্টের। তবে একটি কৌশল খুব সহজেই আপনাকে এই কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। তাও কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই। কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও সত্যি, এমন একটি কৌশল রয়েছে যা আপনাকে কোনো রকম ঘষা ছাড়াই শিং মাছ পরিষ্কার করতে সহায়তা করবে। দেরি না করে চলুন জেনে নেয়া যাক সেই কৌশলটি-

শিং মাছ পরিষ্কারের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পেপে পাতা। পেপে পাতা কুচি করে কেটে নিন। সব থেকে ভালো হবে যদি আপনি পেপে পাতা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন।

এবার এই মিশ্রণটি মাছের মধ্যে দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট রেখে দিন। ৫ থেকে ৭ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিলেই দেখবেন শিং মাছ একদম সাদা হয়ে গেছে। তাও কোনো রকম ঘসাঘষি ছাড়াই।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

ভুলেও রান্নার আগে এই ৫টি জিনিস ধুয়ে সর্বনাশ ডেকে আনবেন না

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো রান্নার আগে যে ৫টি জিনিস ধুলে ক্ষতি হয় সে সম্পর্কে। বাজার থেকে ফিরে শাক-সবজি(Vegetables), মাছ-মাংস ধুয়ে ফেলার বাতিক আছে? থাকলে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তা বাতিল করুন। জেনে রাখুন তাতে বড়সড় বিপদ থেকে বাঁচবেন। ধুলোময়লা বা জীবাণুর(Germs) হাত থেকে রেহাই পেতে বাজার থেকে কেনা আনাজ-আমিশ ধুয়ে পেলার অভ্যেস অনেকেরই। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, সবকিছু জলের নীচে না রাখাই ভালো, কারণ তাতে খাদ্যগুণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ শক্তি(Immunity) নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। জেনে নিন, কোন কোন জিনিস ধুয়ে ফেলা অনুচিত।


১) মাশরুম দ্রুত জল শুষে নিতে পারে। এই কারণে তাদের জলে চুবিয়ে রাখলে বা কলের জলে ধুলে তাদের সহজাত নমনীয়তা নষ্ট হয়। মাশরুম(Mushroom) পরিষ্কার করার সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হল পেপার টাওয়েল দিয়ে চেপে চেপে মুছে ফেলা। এতে তার নমনীয়তার পাশাপাশি পুষ্টিগুণও বজায় থাকবে।

২) মাটন, বা পোর্ক– মাংস যা-ই হোক না কেন, তাকে জলে ধুয়ে ফেলার চেষ্টা না করাই ভালো। জেনে রাখুন, এর ফলে মাংসের মধ্যে থাকা ব্যাক্টেরিয়া(Bacteria) আপনার হাতে এবং গোটা সিঙ্কে ছড়িয়ে পড়বে। তার চেয়ে ব্যাগ থেকে বের করার পরে মাংস পেপার টাওয়েলের উপর রেখে তার জল শুষে নিন। কাজ শেষ করার পরে গরম জলে অ্যান্টিসেপ্টিক হ্যান্ডওয়াশ মিশিয়ে নিয়ে ভালো করে হাত ধুতে ভুলবেন না। এমনকি মাংস(Meat) সেদ্ধ করার পরে জল ফেলে দেওয়ায়ও জরুরি।

৩) ডিমের খোলার উপর নোংরা(Dirty) লেগে থাকে বলে কিনে আনার পরে তা ধুয়ে ফেলতে পছন্দ করেন অনেকে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, অভ্যাসটি আখেরে ক্ষতিকর। ব্যাক্টেরিয়ার উত্‍পাত ঠেকাতে ডিমের খোলার উপর যে প্রাকৃতিক প্রলেপ থাকে, জল লেগে তা উঠে যায়। ফলে জীবাণু(Germs) সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়ে।

৪) মুরগির মাংসে থাকে স্যালমোনেলা নামে অত্যন্ত ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া(Bacteria)। কলের জলে বার বার ধুলেও তা দূর করা অসম্ভব। উল্টে ধোওয়ার সময় সেই ব্যাক্টেরিয়া হাতে লেগে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। জীবাণু(Germs) ছড়িয়ে পড়ে কিচেন সিঙ্কেও। এর হাত থেকে বাঁচতে হলে বাজার থেকে চিকেন কিনে এনে সরাসরি সেদ্ধ করে ফেলুন। তবে মনে করে তার পরে মাংস(Meat) সেদ্ধ করা জল ফেলে দিতে হবে।

৫) রান্না করার আগে প্যাকেট থেকে পাস্তা বা নুডল্‌স(Noodles) বের করে অনেকেই ধুয়ে নেন। তাঁরা জানেন না, এতে তার উপরে থাকা স্টার্চের স্তর উঠে যায়, যার ফলে রান্নায় ব্যবহার করা স্যস ও অন্যান্য মশলা(Spices) তার ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না। রান্নার স্বাদও তাই খোলে না।

মুগ ডাল দিয়ে রেস্টুরেন্ট স্টাইলে খাসির মাংস

No comments

সকালের নাস্তায় রুটি কিংবা পরোটার সঙ্গে মুগ ডাল দিয়ে রান্না করা খাসির মাংস যেন অসাধারণ এক খাবার। বাংলাদেশ জার্নালের আজকের আয়োজনে থাকছে মুগ ডাল দিয়ে খাসির মাংসের রেসিপি। দেখে নিন রেস্টুরেন্ট স্টাইলের এই রেসিপিটি।


যা যা লাগছে:
খাসির মাংস ৭৫০ গ্রাম, মুগ ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজ(Onion) কুঁচি ১ কাপ, টমেটো কুঁচি ১/২ কাপ, দারুচিনি ২/৩ টি (ভেজে দিতে হবে), এলাচ ৪/৫ টি, লবঙ্গ ৫/৬ টি, গোলমরিচ ৫ টি, কাঁচা মরিচ ১ টি (ছেঁচে নেয়া), আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন(Garlic) বাটা ১ টেবিল চামচ, গরম মশলা বাটা (দারুচিনি ১ টুকরা, এলাচ ২ টি, লবঙ্গ ২ টি, তেজপাতা ১ টির অর্ধেক সব একসাথে বেটে নেয়া) হলুদ ১ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া ১ চা চামচ, টালা জিরা গুঁড়া ১ ১/২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া(Chilli powder) ২ চা চামচ, তেল ৪ টেবিল চামচ।

প্রণালী:
প্রথমে ডাল শুকনা প্যানে টেলে নিয়ে ভাল করে ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে পেঁয়াজ(Onion) কুচি দিয়ে দিন। সোনালি রং হয়ে গেলে লবঙ্গ, দারুচিনি, সাদা এলাচ, কালো এলাচ, জিরা ও শুকনা মরিচ দিয়ে দিন। নেড়েচেড়ে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া দিয়ে দিন। এবার আদা ও রসুন(Garlic) বাটা দিয়ে দিন।

সব মসলা কষিয়ে সামান্য একটু পানি দিন। এবার স্বাদ মতো লবণ ও গুঁড়া মসলা দিন। ৪ থেকে ৫ মিনিট ধরে কষিয়ে নিন মসলা। পানি শুকিয়ে গেলে অল্প অল্প করে পানি দিয়ে নাড়ুন। মসলার উপরে তেল ভেসে উঠলে তেজপাতা(Bay leaf) দিয়ে তারপর মাংস দিয়ে দিন। ৩ থেকে ৪ মিনিট কষিয়ে নিন। এক কাপ পানি দিয়ে প্যান ঢেকে দিন ঢাকনা দিয়ে। চুলার আঁচ মিডিয়াম করে অপেক্ষা করুন মাংস সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত।

মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে মাংস নেড়ে দিতে হবে। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে ডাল দিয়ে নাড়ুন কয়েক মিনিট। খানিকটা লবণ(Salt) দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে দিন। আধা কাপ পানি দিন খানিকটা ঝোল রাখার জন্য। এতে কয়েকটা আস্ত কাঁচামরিচ ছেড়ে দিয়ে চুলার জ্বাল একদম কমিয়ে প্যান ঢেকে দিন। ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করুন মৃদু আঁচে। খানিকটা ঝোল থাকতে থাকতে নামিয়ে ফেলুন, কারণ নামানোর পর ঝোল টেনে নেবে ডাল। ভাজা জিরার গুঁড়া ও গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে নেড়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

ফ্রিজে রাখা দীর্ঘদিনের পুরনো মাছে টাটকা স্বাদ আনবেন যেভাবে

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ফ্রিজে রাখা দীর্ঘদিনের পুরনো মাছে টাটকা স্বাদ আনবার উপায় সম্পর্কে। অতীতে বাঙালির বাড়িতে প্রতিবেলাতেই টাটকা মাছ(Fish) ঢুকতো রান্নাঘরে সেজন্য বাড়ির বয়স্করা এখন ফ্রিজে রাখা বাসি মাছ দেখলেই নাক উচু করতেন। আফসোস করে বলেন, বাসি মাছের কি আর সেই স্বাদ হয়!


কিন্তু বর্তমানে ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপে এখন আর কারোরই সময় নেই প্রতিদিন বাজার তাই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কয়েকদিনের বাজার করে ফ্রিজে রাখা এখন প্রায় সব বাড়ির নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অগত্যা বাসি মাছ(Fish) খাওয়া আর টাটকা মাছের স্বাদের জন্য হা-হুতাশ করতে হয় সবাইকে।

তবে খুব সহজেই ফ্রিজে রাখা মাছে টাটকা স্বাদ(Fresh taste) ফিরিয়ে আনতে পারেন। ভাবছেন, ফ্রিজে রাখা মাছের আবার টাটকা স্বাদ ফেরে নাকি? বিশ্বাস না হলে এক মেনেই দেখুন এই নিয়ম।

এই ৫ ধাপে ধুয়ে নিন মাছ
● মাছ ফ্রিজ থেকে বের করে ঠাণ্ডা কমিয়ে নিন। বড় মাছ হলে আগে থেকে টুকরো করা থাকলে ভাল। নাহলে টুকরো করে কেটে নিন। ছোট মাছ হলে কোনও অসুবিধা নেই।

● একটা বাটিতে দুধ(Milk) ও পানি মেশান।

● এই মিশ্রণে মাছ ভিজিয়ে রেখে দিন ৩০ মিনিট।

● মিশ্রণ থেকে তুলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন।

● বাসি স্বাদ কেটে গিয়ে মাছের স্বাদ যেমন ফিরে আসবে তেমনই কেটে যাবে আঁশটে গন্ধ। এবার রান্না করুন নিজের পছন্দ মতো পদ।

স্পেশাল মটরশুঁটির পোলাও রেসিপি

1 comment

বিরিয়ানি(Biryani) খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বিরিয়ানির পাশাপাশি পোলাও অনেকের খুবই পছন্দের একটি খাবার। তবে মটরশুঁটির পোলাও কখনো খেয়েছেন কি? মজাদার স্বাদের এই মটরশুঁটির পোলাও ছুটির দিনে পাতে রাখতে পারেন। বাচ্চারাও খেতে খুব পছন্দ করে এই পোলাও। তবে ঘরে কখনো মটরশুঁটির পোলাও তৈরি করে খেয়েছেন কি? না করে থাকলে আজই তৈরি করে ফেলুন মটরশুঁটির পোলাও। এই পোলাও খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই রান্না করাও খুব সহজ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক মটরশুঁটির পোলাও রান্নার রেসিপিটি-


উপকরণ: বাসমতি চাল ৫০০গ্রাম, মটরশুঁটি ৪০০ গ্রাম, নারকেল(Coconut) বাটা আধা কাপ, ধনিয়া পাতা এক টেবিল চামচ, দুধ(Milk) আধা কাপ, কাঁচা মরিচ পাঁচটি, পাতিলেবুর রস(Lemon juice) দুই টেবিল চামচ, কাজুবাদাম বাটা ১০০ গ্রাম, কিসমিস বাটা দুই টেবিল চামচ, আদা বাটা দুই চা চামচ, চিনি দুই চামচ, পেঁয়াজ কুচি তিনটি, তেজপাতা তিন থেকে চারটি, জায়ফল গুঁড়া এক চা চামচ, এলাচ চার থেকে পাঁচটি, লবণ(Salt) স্বাদ মতো, ঘি ৫০ গ্রাম।

প্রণালী: প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার মটরশুঁটিগুলো সিদ্ধ করে একটু ভেজে নিন। আর এখান থেকে আধা কাপ মটরশুঁটি আলাদা করে রাখুন। ধনিয়া পাতা, কাঁচা মরিচ একসঙ্গে বেটে এর মধ্যে চিনি, লেবুর রস(Lemon juice) মিশিয়ে নিন। এবার একটি প্যানে দুই চামচ ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ(Onion) বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর ওই ভাজা পেঁয়াজের মধ্যে ধুয়ে রাখা চালগুলো ভেজে নিন। চালগুলো ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে তার মধ্যে সব বাটা মশলা দিয়ে আবারও ভেজে নিন।

ভাজা হয়ে গেলে তাতে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এমনভাবে সিদ্ধ করতে হবে যাতে ভাত ঝরঝরা থাকে। সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে ভাত ছড়িয়ে রাখুন। এবার অন্য একটি পাত্রে বাকি ঘি গরম করে তাতে তেজপাতা(Bay leaf), এলাচ দিয়ে তাতে ভাতগুলো দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর নেড়ে নামিয়ে মটরশুঁটি, কাজু এবং কিসমিস(Raisins) দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার মটরশুঁটির পোলাও।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

গরমে প্রাণ জুড়ানো ফালুদা খান ঘরে বানিয়ে

No comments

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গরমে প্রাণ জুড়ানো ফালুদা তৈরি সম্পর্কে। গরমে স্বাস্থ্যকর কিছু খেতে চাইলে নিশ্চিন্তে খেতে পারেন ফালুদা(Faluda)। এটি খেলে আরাম তো মিলবেই সেইসঙ্গে সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে। তবে ফালুদা(Faluda) বাইরে না খেয়ে ঘরে তৈরি করে নেয়াই ভালো। কারণ বাইরের খাবার স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি নাও হতে পারে। চলুন জেনে নেই এই গরমে প্রাণ জুড়াতে ফালুদা কিভাবে তৈরি করবেন-

s near e,

উপকরণ
ভ্যানিলা/ স্ট্রবেরী আইসক্রিম ১ স্কুপগুঁড়া দুধ ৪ টেবিল চামচচিনি ১ টেবিল চামচজেলো পাউডার ১ প্যাকেটপেস্তাকুচি ১ চা-চামচরুহআফজা ১ টেবিল-চামচনুডলস (অল্প)

প্রণালি
প্রথমে আধা গ্লাস পানিতে দুধ(Milk) ও চিনি গুলিয়ে নিতে হবে। এবার নুডলস সেদ্ধ করে গ্লাসের দুধে দিয়ে গ্লাসটি ফ্রিজে রাখতে হবে ঠান্ডা করার জন্য।

জেলো তৈরি করে ফ্রিজে রেখে জমাতে হবে। এবার জমানো জেলো কিউব করে কেটে ঠান্ডা দুধে দিতে হবে। এক প্যাকেট জেলো দিয়ে আপনি ৫/৬ গ্লাস ফালুদা(Faluda) বানাতে পারবেন অনায়াসে। এরপর একে একে আইসক্রিম(Ice cream) ও রুহ আফজা দিতে হবে। সবশেষে উপরে বাদাম কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফালুদা।

শিখে নিন মজাদার কাবাব বিরিয়ানি রেসিপি

1 comment

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো মজাদার কাবাব বিরিয়ানি (Kabab Biryani) রেসিপি সম্পর্কে। ভারী খাবার বাড়িতে মাঝেমধ্যে রান্না তো হয়ই। ছুটির দিন চাইলে করাই যায়। আর যদি অতিথি আসে তবে তো কথাই নেই। বিরিয়ানিতে কাবাবের স্বাদ আনা সে রকম একটি পদের রেসিপি নিয়ে হাজির হলাম আজ।

nd chips near me,

উপকরণ
গরুর মাংস(Beef) ৫০০ গ্রাম, সিরকা ২ টেবিল চামচ, মাস্টার্ড সস ২ টেবিল চামচ, শর্ষের তেল(Oil) ৪ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, সয়া সস ২ টেবিল চামচ, অয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, টক দই(Sour yogurt) ৪ টেবিল চামচ, কাবাব মসলা ২ চা-চামচ, আদা-রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, টমেটো সস(Tomato sauce) ২ টেবিল চামচ ও কাচুরি মেথি ১ চা-চামচ।

পোলাও রান্নার জন্য: পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, শর্ষের তেল সিকি কাপ, পেঁয়াজ(Onion) বেরেস্তা আধা কাপ ও মাওয়া ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি
মাংস সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে ওপরের সব উপকরণ দিয়ে এক ঘণ্টা ম্যারিনেট(Marinate) করে রাখতে হবে। এবার টুথপিকে গেঁথে ফ্রাইপ্যানে সামান্য শর্ষের তেলে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। অন্য হাঁড়িতে সিকি কাপ শর্ষের তেল দিয়ে সসের মাখানে অবিশিষ্ট মসলা কষাতে হবে। এরপর চাল এবং এর দেড় গুণ পানি(Water) দিয়ে যথারীতি পোলাও রান্না করে গ্রিল করা স্টিকগুলো মাওয়া ও বেরেস্তা দিয়ে লেয়ার করে ফয়েলে জড়িয়ে ২–৩ ফোঁটা ঘি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ১৫ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করা যাবে।

ইফতারে রাখুন স্বাস্থ্যকর ভেজিটেবল স্যুপ

No comments

এমন অনেকেই আছেন যারা সবজি (Vegetable) খেতে তেমন একটা পছন্দ করেন না। আর রোজার মধ্যে সবজি খুব একটা খাওয়াও হয় না। তবে সুস্বাস্থ্যের জন্য সবজি খাওয়া খুবই জরুরি। তাই ইফতারিতে ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে খেতে পারেন পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ ভেজিটেবল স্যুপ (Vegetable soup)।


রমজানে বড় ছোট সবার স্বাস্থ্য ও পুষ্টির কথা মাথায় রেখেই আপনি ইফতারির (Iftar) জন্য খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন মজাদার ভেজিটেবল স্যুপ (Vegetable soup)। যা তৈরি করতে খুব বেশি ঝামেলাও পোহাতে হবে না। সময়ও লাগবে কম। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রেসিপিটি-

উপকরণ: পালংশাক কুচি আধা কাপ, টমেটো (Tomato) মাঝারি দুটি, মাখন পাঁচ টেবিল চামচ, গাজর মাঝারি দুটি, পেঁয়াজ (Onion) কুচি আধা কাপ, আলু মাঝারি দুটি, ময়দা দুই টেবিল চামচ, চিনি আধা চা চামচ, লবণ সিকি চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া (Pepper powder) সিকি চা চামচ, ধনেপাতা কুচি দুই টেবিল চামচ।

প্রণালী: পালংশাক (Spinach) সিদ্ধ করে কুচি করুন। ফুটানো পানিতে টমেটো কয়েক মিনিট ফুটিয়ে খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করুন। তিন টেবিল চামচ মাখনে গাজর (Carrot) ও পেঁয়াজ সামান্য ভেজে তিন কাপ পানি ও আলু দিয়ে সিদ্ধ করুন। এবার দুই টেবিল চামচ মাখন গালিয়ে এর সঙ্গে ময়দা মেশান। পানিসহ সিদ্ধ সবজি দিয়ে নাড়ুন। ১৫ মিনিট জ্বাল দিন। গরম স্যুপে টমেটো (Tomato) ও পালংশাক দিন। এবার কাঁটা চামচ দিয়ে সবজি ভেঙ্গে মেশান। তারপর মৃদুজ্বালে পাঁচ মিনিট সিদ্ধ করুন। সবশেষে নামিয়ে চিনি, লবণ (Salt), গোলমরিচ ও ধনেপাতা দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ভেজিটেবল স্যুপ।

© All Rights Reserved
Made with Forhad Elahe