চোখের পাতা লম্বা ও ঘন করার ঘরোয়া ৬টি উপায়

1 comment

মানুষের সৌন্দর্যের মূলে আকর্ষণীয় মুখাবয়ব। নাক, ঠোঁট(Lip), চোখ ব্রু—এসব মুখের সৌন্দর্য বাড়ায়। আর চোখের সৌন্দর্যের মূলে পাতা। ঘন, কালো ও লম্বা চোখের পাতা কে না চায়? ঘন ও লম্বা চোখের পাতা সাধারণত সবার হয় না। চোখের সৌন্দর্য(Eye Beauty) বাড়াতে অনেকে ব্যবহার করে থাকেন নকল চোখের পাতা। কিন্তু কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে সহজেই মিলতে পারে ঘন, কালো ও লম্বা চোখের পাতা।


১. অলিভ অয়েল: ত্বকের যত্নে বহুল ব্যবহৃত উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয় অলিভ অয়েল(Olive oil)। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মাশকারা ব্রাশে করে চোখের পাতায় অলিভ ওয়েল লাগালে মিলবে অনেক সুফল, মিলবে ঘন ও লম্বা চোখের পাতা।

২. ক্যাস্টর অয়েল: চোখের পাতা ঘন করতে অনেক উপকারী ক্যাস্টর অয়েল(Castor oil)। এতে রয়েছে ভিটামিন, প্রোটিন ও ওমেগা-৬ ফ্যাট, যা চোখের পাতা বৃদ্ধি করতে কার্যকরী। এটি চোখের পাতা অনেক দ্রুত লম্বা ও ঘন করতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে চোখের পাতায় হালকা গরম করা ক্যাস্টর অয়েল তুলার সাহায্যে লাগালে মিলবে উপকার। এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে চোখের পাতায় লাগাতে মিলতে পারে আরও ভালো সুফল।

৩. অ্যালোভেরা: মাশকারা ব্রাশের মাধ্যমে অ্যালোভেরা জেল চোখের পাতায় সারারাত লাগিয়ে রাখতে হবে। হালকা গরম ও ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে সকালে ধুয়ে ফেললে মিলবে ভালো ফল। এ ছাড়া এক চা চামচ অ্যালোভেরা জলের সঙ্গে এক চামচ জোজোবা অয়েল ও দুই ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল(Essential Oil) মিশিয়ে প্রতিদিন দুবার লাগাতে পারেন। এটি ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে মিলবে উপকার।

৪. পেট্রোলিয়াম জেলি: মাশকারা ব্রাশের মাধ্যমে চোখের পাতায় পেট্রোলিয়াম জেলি(Petroleum jelly) সারারাত লাগিয়ে রাখলেও মিলবে ভালো ফল। সকালে হালকা গরম ও ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫. ম্যাসাজ: অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেল(Coconut oil) কয়েক ফোঁটা নিয়ে আঙুলের সাহায্যে চোখের পাতা ও চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করলে মিলতে পারে ঘন ও লম্বা চোখের পাতা।

৬. ডিম: ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে এক চা চামচ গ্লিসারিন(Glycerin) মিশিয়ে ঘন প্যাক তৈরি করতে হবে। ইয়ার বাডের সাহায্যে প্যাকটি চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে তা ১০-১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিলেই পাওয়া যাবে উপকার।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

নবজাতককে কখন গোসল করাবেন? জেনে নিন

1 comment

নবজাতককে কখন গোসল করাবেন? জেনে নিন। অনেকে প্রশ্ন করেন, সিজারে বাচ্চা হয়েছে, কতক্ষণ পর গোসল(Bath) করাতে হবে? এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নাঈমা সুলতানা। নবজাতককে প্রথম ৭২ ঘণ্টা গোসল করানো যাবে না। নরমাল কিংবা সিজারের জন্য আলাদা কোনো নিয়ম নেই। একটি বাচ্চার জন্ম যেভাবেই হোক, সুস্থ বাচ্চার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক নিয়মই চলবে।

অনেকে জানতে চান বাচ্চাকে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি(Water) দিয়ে গোসল করাতে হবে নাকি কুসুম গরম পানি দিয়ে? এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হলো, আপনাদের কাছে যে তাপমাত্রা সহনীয় মনে হয়, তা দিয়ে গোসল(Bath) করাবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চাকে অনেকক্ষণ ধরে গোসল(Bath) করানো যাবে না। কারণ গোসল করানোটা একটা স্বাভাবিক যত্নের অংশ।

শীতকালে কোনো বাচ্চার জন্ম হলে আমরা মায়েদের পরামর্শ দিয়ে থাকি, বাচ্চাকে একটা টাওয়েলে কিছুটা পেচিয়ে রাখতে। এতে তার শরীরের তাপমাত্রা(Body temperature) কিছুটা গরম থাকবে। তবে অনেকে গরমকালে বাচ্চা হলে, একই কাজ করেন। বাচ্চার ঠান্ডা লেগে যাবে এই ভয়ে ফ্যান ছাড়ে না। শীতকালের মতো যত্ন করে। এটা করা যাবে না। ছোট বাচ্চাদের এমন তাপমাত্রায় রাখতে হবে যাতে তারা অতিরিক্ত ঘেমে কিংবা ঠান্ডা না হয়ে যায়। কারণ ঘেমে গেলে ঠান্ডা লেগে যাবে। আমরা বলে থাকি, একজন নবজাতকের জন্য কক্ষের তাপমাত্রা ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রিতে রাখতে হবে। এসি ব্যবহার করলেও তাপমাত্রা এটিই রাখতে হবে। নবজাতকের জন্য এটিই সহনীয় তাপমাত্রা(Temperature)।

আমরা মায়েদের আরেকটি কমন প্রশ্নের সম্মুখীন হই। সেটা হলো, বাচ্চা দুধ টানতে পারছে না, নাকে শব্দ করছে। মা কল করে বাচ্চার এ ধরনের সমস্যা বললে চিকিৎসক হয়তো ঠান্ডার কোনো ওষুধ(Medicine) দেন। এসব ক্ষেত্রে আগে আসলেই বাচ্চার ঠান্ডা লেগেছে কিনা যাচাই করে নিতে হবে। কারণ ৩ মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের ন্যাজাল ব্লকেট বা নাকে শব্দ করা খুব কমন ব্যাপার। এক্ষেত্রে আমরা ন্যাজাল স্প্রে দিয়ে নাকটা একটু পরিষ্কার করে দিতে পরামর্শ দেই। বাচ্চার শ্বাসকষ্ট, কাশি না থাকে এবং ঠিকমতো মায়ের বুকের দুধ(Milk) টেনে খেতে পারে তাহলে কোনো সমস্যা নেই।

অনেক সময় বাচ্চার নাক বন্ধ থাকলে তাদের দুধ খেতে সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে ন্যাজাল ড্রপ(Nasal drop) দিয়ে নাকটা পরিষ্কার করে দিলে আর সমস্যা থাকবে না।

আমাদের সমাজে এখন কম ওজনের বা অপরিণত শিশু জন্মের হার বেড়ে গেছে। একটা শিশু মাতৃগর্ভে ৩৭ থেকে ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকলে তার কোনো সমস্যা হবে না। ৩৭ সপ্তাহের আগেই বাচ্চার ডেলিভারি হয়ে যায় এবং ওজন(Weight) কম থাকে, তাদের আমরা অপরিণত বাচ্চা বলে থাকি। ৩৫ সপ্তাহের মধ্যে বাসায় ডেলিভারি হয়ে গেলে অবশ্যই বাচ্চাকে চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। এসব বাচ্চার বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এ যত্নগুলো চিকিৎসকরা মায়েদের শিখিয়ে দেন। এসব বাচ্চারকে খাওয়ানোর জন্য আলাদা কিছু কৌশল রয়েছে।

অপরিপক্ক বাচ্চার যত্নে চিকিৎসকরা কেএমসি (ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার) শিখিয়ে দিবেন। কেএমসি নিয়ে আমি অনেক দিন কাজ করছি। এটি এতটাই উপকারী যে, যেসব বাচ্চা ১২-১৫শ’ গ্রাম নিয়ে জন্ম নিচ্ছে, এই বিশেষ যত্নে তারা বেড়ে উঠছে। আগে এক সময় দেখা যেত, খুব কম বাচ্চাই ১১শ’ গ্রাম নিয়ে জন্ম নিয়েছে। কিন্তু এখন এ ধরনের ঘটনা খুবই কমন ব্যাপার এবং এ বাচ্চাগুলো বর্তমানে কেএমসির মাধ্যমে বেঁচে থাকছে।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

বয়স ত্রিশের পর মা হতে চাইলে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন

No comments

বয়স ত্রিশের পর মা হতে চাইলে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন। চাকরি(Job), সংসার ও নানা জটিলতার কারণে সময় কখন পেরিয়ে গেছে হয়তো বুঝতেও পারেননি। যখন ভাবলেন, তখন কিছুটা দেরি হয়ে গেছে। বয়স ৩৪ পেরিয়েছে। তাই বলে কি মা হওয়া সম্ভব নয়? ৩৫ বছরের পর বাচ্চা(Baby) হতে চাইলে কী ধরনের ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে যেতে হতে পারে, সে বিষয়গুলো মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা ভালো বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত কয়েকটি পোর্টালের সংমিশ্রনে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন আমাদের লাইফস্টাইল রিপোর্টার রুবেল হাসান।

১. পঁয়ত্রিশের পর মা(Mom) হতে চাইলে প্রস্তুতি হিসেবে ৩০ থেকেই শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নিয়মিত চেকআপ ও ডায়েটে থাকতে হবে। প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই গর্ভধারণ করা উচিত।

২. বয়স যত বাড়ে, সন্তান ধারণের ক্ষমতা তত কমতে থাকে। গর্ভধারণের পর গর্ভপাতের আশঙ্কা থাকে। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, মায়ের বয়স যত বেশি হবে, বিশেষ করে ৩৫ বছরের পরে যারা মা হোন তাদের বাচ্চাদের ডাউন সিনড্রোম(Down syndrome) বা বিভিন্ন জন্মগত ত্রুটি হওয়ার আশংকা বেড়ে যায়।

৩. বিভিন্ন জটিলতার পরিণতিতে অপরিপক্ব শিশুর জন্মহার যেমন বেড়ে যায়, সে সঙ্গে স্বাভাবিক প্রসবের পরিবর্তে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুর জন্মহারও বেড়ে যায় অনেকগুণ।

৪. প্রথম সন্তান ত্রিশোর্ধ্ব বা পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব বয়সে হলে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার আগে যে দুই বা তিন বছর বিরতি দিতে হয়, সে সুযোগটাও থাকে না।

৫. শরীরে রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। বেশি বয়সের মায়েরা অনেক সময় সন্তান বিকলাঙ্গ(Handicapped) বা প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা করেন। আসলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। এ জন্য সাধারণ কিছু পরীক্ষা যেমন অ্যালফা ফেটো প্রোটিন-এএফপি, এইচসিজি হরমোন(HCG hormone) কী পরিমাণ আছে, তা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা যে ৫টি বিষয় প্রথমে খেয়াল করে

No comments

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা যে ৫টি বিষয় প্রথমে খেয়াল করে। প্রতিদিন কাজের জন্য আমাদের বাইরে যেতেই হয়। এসময় পরিচিত-অপরিচিত কত মানুষের সঙ্গেই না আমাদের দেখা হয়। কাজের জায়গা, বিশ্ববিদ্যালয়, পথ চলতে, শপিং মলে, কোথাও ঘুরতে গিয়ে কিংবা রেস্টুরেন্টে। কারো কারো সঙ্গে কথাও হয় হয়তো। তবে কোনো নতুন মানুষ দেখলেই আমরা তার অনেক কিছু খেয়াল করি।

যেমন ধরুন- দেখতে কেমন, পোশাক(Dress) বা আচার আচরণ। সেই বুঝে তার সঙ্গে পরবর্তীতে মিশবেন কিনা সেই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। এ তো গেল সাধারণ মানুষের কথা। আচ্ছা জানেন কি? মেয়েরা নতুন কোনো মানুষ দেখলে কোন কোন বিষয় খেয়াল করে। বিশেষ করে ছেলেদের দেখলে যে পাঁচটি বিষয় খেয়াল করে প্রথমেই। চলুন জেনে নেয়া যাক মেয়েরা প্রথমে কোন বিষয়গুলো খেয়াল করে-

ছেলেটির দৃষ্টির গতিবিধিঃ কোনো অপরিচিত মানুষের দিকে তাকানোর সময় মেয়েরা তাদের চোখের দিকে প্রথমে তাকায়। সেই মানুষটি ঠিক কোথায় তাকিয়ে আছে এবং কী দেখছে সেটা বোঝার চেষ্টা করে। পুরুষের দৃষ্টি কোনদিকে, তা দেখে তার মানসিকতা(Mentality) ও চরিত্রের বিষয়ে কিছুটা আন্দাজ করা যায়।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাঃ মেয়েদের কাছে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৷ ছেলেটি কতটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বা তার জামাকাপড় এবং জুতা কতটা পরিষ্কার এটাও বড় বিষয় ৷ এসব বিষয় বিশেষভাবে নজরে পড়ে মেয়েদের ৷

পোশাকের ধরণঃ যেকোনো মানুষের জন্যই পোশাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ৷ কী ধরনের পোশাক(Dress) পরে আছে, তা দেখে কিছুটা ধারণা তো করাই যায়। তাই কোনো ছেলেকে দেখলে তার পোশাকের দিকে মেয়েরা খেয়াল করে। তাই মেয়েদের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করার জন্য পোশাকের দিকে নজর দেয়াও সমান জরুরি।

বডি ল্যাঙ্গুয়েজঃ বডি ল্যাঙ্গুয়েজকে বলা হয় মনের আয়না। মেয়েরা তাই ছেলেদের এই বিষয়টিও খেয়াল করে। সেখান থেকে সহজেই অনেক কিছু বুঝতে পারা সম্ভব।

ছেলেটির জুতার ধরণঃ পোশাকের পাশাপাশি জুতার দিকেও খেয়াল করে মেয়েরা৷ খুব সুন্দর জামাকাপড় পরে অপরিষ্কার জুতা(Shoe) পরলে একদমই দেখতে ভালো লাগবে না ৷ ভালো ইম্প্রেশন তৈরির জন্য মানানসই জুতা পরাও জরুরি।

যে সময় ঘুমালে শিশুর স্মৃতিশক্তি দ্রুত বৃদ্ধি পায়

1 comment

আপনার শিশু(Baby) যদি দুপুরের পরে ঘুমায় সেটা খুবই ভালো অভ্যাস। তাকে ভালোভাবেই ঘুমাতে দিন। দুপুরের পরে আপনার শিশুর এ ঘুমটা ওর মেধা ও স্মৃতিশক্তি(Memory power) বাড়ানোর জন্য চমৎকার কাজ করে। বিশেষ করে এখনও যেসব শিশু স্কুলে যাওয়া শুরু করেনি, তাদের জন্য দুপুরের পর ঘুম(Sleep) খুবই দরকারি।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গবেষণাটি চালায় যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্ট।গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলে যাওয়ার আগে বাসায় শিশুদের শিক্ষণের যে প্রক্রিয়াটা মা-বাবার কাছ থেকে শুরু হয়, তা ভালোভাবে মাথায় ধারণ করতে হলে বিকেলের ঘুমটা তাদের চাই-ই।

মনোবিজ্ঞানী রেবেকা স্পেন্সার এবং তার সহগবেষক দুই ছাত্রী ক্যাসি ডুক্লোস ও লরা কার্ডজায়েল বলেন, তাদের গবেষণার প্রতিপাদ্য হলো দুপুরের পরে কমপক্ষে এক ঘণ্টা ঘুম(Sleep) শিশুদের প্রাথমিক শিখন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি সংগঠনে দারুণ কার্যকর।

পশ্চিম ম্যাসাচুসেটসের এখনও স্কুল যাওয়া শুরু করেনি, এমন ৪০ শিশুর ওপর গবেষণা চালিয়েছেন রেবেকা স্পেন্সার। গবেষণার ফল উপস্থাপন করতে গিয়ে তিনি বলেন, এটার ওপর আমরাই প্রথম গবেষণা(Research) করেছি। আমরাই দেখিয়েছি, দুপুরের পরের ঘুমটা একটা বাচ্চার জন্য কোনো কিছু দ্রুত শেখা এবং তা মনে রাখার জন্য কতটা জরুরি।

গবেষণার অংশ হিসেবে শিশুদের সকাল বেলাটায় কিছু জিনিস শেখানো হয়। এটা ছিল অনেকটা মনে রাখা-মনে রাখা খেলার মতো। এতে শিশুদের কিছু ছবি দেখানো হয়। তারপর বলা হয়, এগুলোর মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য আছে এবং সেগুলো ঠিক কোথায়, তা মনে রাখতে।

অংশগ্রহণকারী শিশুদের দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এক ভাগ দিনের বেলায় ঘুমানোর সুযোগ পাওয়া আর বাকিদের দিনে ঘুমাতে দেওয়া হয়নি। যারা ঘুমিয়েছে, তাদের কমপক্ষে ৭৭ মিনিট ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। রাতের বেলা অবশ্য তাদের স্বাভাবিক ঘুমই ঘুমাতে দেওয়া হয়।

পরদিন সকাল বেলা পরীক্ষা(Test) করে দেখা হয়েছে, রাতের ঘুম তাদের পারফরম্যান্সের ওপর কোনো প্রভাব ফেলেছে কি-না। দেখা গেছে, বেশির ভাগ বিষয় ভুলে যাওয়াদের মধ্যে আগের দিন বিকেলে ঘুমোয়নি, এমন শিশুর সংখ্যাই বেশি। তাদের মধ্যে ৩৫ ভাগই ঠিকঠাক মতো মনে রাখতে পারেনি। আর যারা দিনের বেলা ঘুমিয়েছে, তাদের মধ্যে ঠিকঠাক মনে রাখতে পেরেছে ৭৫ শতাংশ। ন্যাশনাল একাডেমী অব সায়েন্স সাময়িকী প্রসিডিংসে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার ফল।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

বগলের কালো দাগ দূর করার ৮টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিন

No comments

কীভাবে আন্ডার আর্ম(Under arm) বা বাহুর নিচের কালো দাগ দূর করবেন তাই ভাবছেন? আন্ডার আর্ম বা বগলের কালো দাগ এর কারণে স্লিভলেস ড্রেস পরা যায় না। শুধু তাই নয়, সুইমিংসুট পরতে গেলে অথবা পার্লারে বিভিন্ন ট্রিটমেন্ট নিতে গেলেও বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়। কীভাবে বগলের কালো দাগ(Armpit black spot) দূর করে এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবেন তা জানার আগে এর কারণ জেনে নিন।

আন্ডার আর্ম বা বগলের কালো দাগ হওয়ার কারণ

১. সেভিং
যখন আপনি আনডার আর্ম বা বাহুর নিচে রেজার ব্যবহার করেন তখন শুধুমাত্র ত্বকের উপরের লোমটুকুই কাটতে পারেন। গোঁড়াসহ লোম(Hair) উঠে আসে না। তাই একটা কালো কালো ভাব থেকে যায়। একই অবস্থা anne french বা veet নামক লোম দূর করা ক্রিম(Cream) এর ক্ষেত্রেও ঘটে। যা শুধুমাত্র লোমগুলোকে ত্বকের সার্ফেস থেকে দূর করে। এর গোঁড়া থেকে দূর করতে পারে না। এজন্য আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচের লোম দূর করার জন্য ওয়াক্সিং(Waxing) ভালো, কারণ এটি চুলের গোঁড়াসহ তুলে আনে।

২. মৃত কোষ
আন্ডার আর্ম(Under arm) এর ত্বকের মৃত কোষ জমা হয়ে সেই অংশ কালো করতে পারে। এজন্য এই মরা কোষগুলো দূর করা প্রয়োজন ।এই মরা কোষ দূর করার জন্য আপনি স্ক্রাব(Scrub) ব্যবহার করতে পারেন। তবে স্ক্রাবটি যেন ল্যাকটিক এসিড(Lactic acid) সমৃদ্ধ হয় ।

৩. অতিরিক্ত ডিওডোরেন্ট বা এন্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহারের ফলে
এটা বিভিন্ন সময়ে প্রমাণিত হয়েছে যে ডিওডোরেন্ট এ যেসব কেমিক্যাল(Chemical) থাকে তা আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ কালো হওয়ার জন্য দায়ী। এই সব ডিওডোরেন্ট পিগমেন্টেশন করে যা কালো দাগ করে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সেনসিটিভ ত্বকের জন্য তৈরি ডিওডোরেন্ট(Deodorant) ব্যবহার করতে পারেন অথবা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচের গন্ধ দূর করতে পারেন।

৪. ফ্রিকশন বা ঘর্ষণ
যখন খুব টাইট পোশাক পরি তখন কাপড়ের সাথে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচের ত্বকের ঘর্ষণের কারণে কালো দাগ(Black spot) হতে পারে। এজন্য খুব টাইট পোশাক(Dress) না পরে কিছুটা ঢিলেঢালা পোশাক পরা উচিৎ। পোশাক এমন হতে হবে যা গরমে আরামদায়ক এবং যার ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে।সাধারণত যাদের আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে চর্বি বা মেদ(Fat) থাকে তাদের কাপড়ের সাথে ঘর্ষণটা বেশী হয় ফলে কালো হয়ে যায় জায়গাটা। তাই ওজন(Weight) কমালে কিছুটা উপকার হবে ।

৫. বংশগত কারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি
মাঝে মাঝে বংশগত কারণেও আন্ডার আর্ম(Under arm) বা বাহুর নিচ কালো হয়। অতিরিক্ত ওজন এবং হরমোনের কারণে অথবা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কারণেও কালো হয়ে যায় আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ। এজন্য এই সকল সমস্যা হলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন। কারণ এই সকল সমস্যা আপনার শরীরে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ কালো করার চেয়েও আরও ভয়াবহ সমস্যার জন্ম দিবে ।

৬. ডায়াবেটিস
এটির কারণেও আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচটা কালো হয় কারণ এর জন্য পিগমেন্টেশন হয় যা আমরা অনেকেই জানি না। তাই ইনসুলিন(Insulin) লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার ।

আন্ডার আর্ম বা বগলের কালো দাগ থেকে মুক্তির উপায়

১. ওয়াক্সিং অথবা ইলেক্ট্রোলাইসিস
আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ কালো হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ সেভিং অথবা হেয়ার রিমুভিং ক্রিম(Cream)। এজন্য ওয়াক্সিং করুন। যদিও এটা আপনাকে কিছুটা ব্যাথা দিবে।কিন্তু এর মাধ্যমে চুল গোঁড়াসহ উঠে আসবে এবং এতে করে আপনার আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচ হবে ফর্সা। এটি এক্সফোলিইয়েটিং হিসেবেও কাজ করে। যারা আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচের লোম থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি পেতে চান তারা ইলেক্ট্রোলাইসিস(Electrolysis) করতে পারেন। এটি একটি স্থায়ী পদ্ধতি। সময়ের সাথে আস্তে আস্তে কালো দাগ চলে যাবে ।

২. ফর্সাকারী মাস্ক
কালো আন্ডার আর্ম বা বগলের কালো দাগ(Armpit black spot) দূর করার জন্য ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন মাস্ক।

উপকরণ
⇒ আধা চা চামচ লবণ
⇒ ১/৩ কাপ গোলাপ জল
⇒ ১/৩ কাপ জনসন বেবি পাউডার ।

পদ্ধতি: উপরের সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন। যতক্ষণ নরম একটি মিশ্রণ না হয়। এটি আপনার আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন আর ভালো ফলাফল দেখুন প্রথম বার ব্যবহারেই । এটি প্রতিবার ওয়াক্সিং(Waxing) এর পর পরই আপনার আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে লাগাবেন।

৩. লেবুর রস
এটি একটি খুবই উপকারী পদ্ধতি। গোসলের আগে লেবু(Lemon) কেটে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে ঘষতে হবে। লেবু ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে। গোসলের পর ত্বক(Skin) নরম করার জন্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগান ।

৪. আলু এবং শসা
আলু প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে । আলু(Potato) পাতলা করে কেটে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচে ঘষতে পারেন বা আলুর রস বের করেও লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। একইভাবে শশা(Cucumber) ব্যবহার করতে পারেন।

৫. জাফরান মিশ্রণ
এক চিমটি জাফরান ২ চামচ দুধে অথবা ক্রীমে মিশিয়ে শোবার সময় আন্ডার আর্ম(Under arm) বা বাহুর নিচে লাগান। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধু বাহুর নিচের অংশ কে ফর্সাই করে না, জার্ম ও ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে।

৬. ডিওডোরেন্ট কম পরিমাণে ব্যবহার করুন
প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে শরীরের গন্ধ কিছুদিনের জন্য দূর করুন। বেকিং সোডা(Baking soda) অল্প পানিতে দিয়ে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচটা ধুয়ে ফেলুন। ডিওডোরেন্ট সরাসরি শরীরে না লাগিয়ে কাপড়ে লাগান ।

৭. চন্দন ও গোলাপজল
চন্দন ও গোলাপজল(Rose water) একসাথে মিশিয়ে লাগান। চন্দন এর ফর্সাকারী উপাদান দিয়ে ফর্সা করবে আর গোলাপ জল ত্বক রাখবে ঠান্ডা আর নরম।

৮. ফর্সাকারী স্ক্রাব
সেনসিটিভ ত্বকের জন্য তৈরি স্ক্রাব যেমন, nivea , st lves & everyouth স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।

জানলেন তো কীভাবে আন্ডার আর্ম বা বাহুর নিচের কালো রং দূর করবেন। এবার তাহলে আর ভয় কিসের? দূর করুন কালো দাগ! নিজেকে করে তুলুন আকর্ষণীয় এবং আত্মবিশ্বাসী

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

আদা, পেঁয়াজ ও রসুনের খোসা ছাড়ানোর চটজলদি উপায়

No comments

কোরবানির ঈদে প্রায় সব মুসলিমদের বাড়িতেই গরু কিংবা খাসির মাংস(Mutton) রান্না হয়। যদিও বছরের অন্যান্য দিনও কমবেশি সবাই মাংস খেয়ে থাকেন। তবে কোরবানির ঈদে মাংস রান্নার পরিমাণ একটু বেশি হয়ে থাকে। আর মাংস রান্নার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপকরণ হচ্ছে পেঁয়াজ(Onion), আদা এবং রসুন। এই তিনটি উপকরণ ছাড়া মাংস রান্নার কথা চিন্তাও করা যায় না।


তবে রান্নার সময়ে চটজলদিতে পেঁয়াজ-আদা(Ginger)-রসুনের খোসা ছাড়ানোটা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই ঝামেলা এড়িয়ে খুব সহজ উপায়ে কীভাবে চটজলদি পেঁয়াজ-আদা-রসুনের খোসা ছাড়াবেন সেই উপায়টি জেনে নেয়া যাক-

পেঁয়াজ
চটজলদী পেঁয়াজের খোসা(Onion peel) ছাড়ানোর জন্য, পেঁয়াজের উপর এবং মূলের অংশটা কেটে নিন। এতে পেঁয়াজের গা থেকে খোসা খুব দ্রুত ছেড়ে যাবে, ফলে খোসা ছাড়ানোটা খুবই সহজ হয়ে যাবে। পেঁয়াজ কাটা শুরু করার আগে তা ফ্রিজে রেখে দিন। এছাড়া আপনারা চাইলে পেঁয়াজটি ১৫ মিনিটের জন্য এক বাটি জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন, এতে এর ঝাঁঝ চলে যাবে এবং চোখ জ্বালা করবে না।

আদা
সাধারণভাবে আদার খোসা ছাড়ানো কঠিন বলে মনে হলেও একটি চামচের সাহায্যে আদার খোসা(Ginger peel) খুব সহজেই ছাড়ানো সম্ভব। ধারলো ছুরির চেয়ে চামচ দিয়ে আদার খোসা ছাড়ানো খুবই সহজ।

রসুন
রসুনের খোসা ছাড়ানো অনেকের কাছেই সবচেয়ে কঠিন কাজ বলে মনে হয়। এর জন্য রসুনের কোয়ার গায়ে এক ফোঁটা অলিভ অয়েল(Olive oil) মাখিয়ে নিন। এতে রসুনের খোসা ছাড়ানো সহজ হবে এবং এটি আপনার হাতে লেগে মাখামাখি হয়ে যাবে না।

সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

পৃথিবীতে সব চেয়ে দ্রুত ওজন কমানোর ওয়েট লস ড্রিংক

1 comment

যারা নিজেদের ওজন(Weight) কমানোর জন্য খুব সময় পান না তারা এই রেমেড়িটি খুব অল্প সময়ে তৈরি করে পান করতে পারেন। এটি এত তাড়াতাড়ি ওজন লস করবে তাতে আপনারা অবাক হয়ে যাবেন। তো বন্ধুরা নিজেদের অতিরিক্ত ওজন(Weight) কমানোর জন্য এই ওজন কমানোর জন্য রেমেড়িটি কিভাবে তৈরি করবেন তা দেখে নিন।


সব চেয়ে দ্রুত ওজন কমানোর ওয়েট লস ড্রিংকঃ

যা যা লাগবেঃ

 ৩ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল(Aloe vera gel)

 ১ চামচ মধু

 ২ টেবিল চামচ লেবুর রস(Lemon juice)

 ১ গ্লাস গরম জল

ওজন কমানোর ওয়েট লস ড্রিংক তৈরীর প্রক্রিয়াঃ
 প্রথমে একটি সতেজ অ্যালোভেরার পাতা মাঝ বরাবর কেটে চামচের সাহায্যে জেল বের করে নিন।

 এবার গরম জলের পাত্রে অ্যালোভেরার জেল মধু(Honey) এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

 এরপর তৈরি হয়ে যাবে Weight কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী এলোভেরার পানীয়।

 সকালে ঘুম(Sleep) থেকে উঠে খালি পেটে অথবা হালকা নাস্তার পর পানীয়টি পান করবেন।

 রাতের খাবার খাওয়ার দেড় থেকে দুই ঘন্টা পর পানীয়টি পান করে শুয়ে যাবেন।

 এছাড়াও দিনের যেকোনো সময়ের পানীয়টির পান করতে পারবেন।

এই ওয়েট লস ড্রিংক কাজ করার কারণঃ
 অ্যালোভেরার পানীয় গুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট(Antioxidant) এবং ভিটামিন সি জাতীয় উপাদান। যা আমাদের শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে।

 এছাড়াও এলোভেরা জেল এর এন্টি ব্যাকটেরিয়াল(Anti-bacterial) উপাদান শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

 শরীরে জমে থাকা ক্যালরি বার্ন করতে এলোভেরা জেলের পানীয় গুলো অত্যন্ত কার্যকরী। তাই দ্রুত সময়ে শরীরের মেদ এবং চর্বি(Fat) কমিয়ে ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত এলোভেরা জেল পানীয় পান করুন।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় জেনে নিন

No comments

ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় জেনে নিন। ‘শর্টনেস অফ ব্রেথ’ বা দম ফুরিয়ে আসার পেছনে নানান কারণ থাকতে পারে। সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, জোরে হাঁটা(Walking) কিংবা দৌঁড়াতে গিয়ে যারা অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন তাদের ফুসফুসে বাতাস ধরে রাখার জায়গা কমে যাচ্ছে। ‘শর্টনেস অফ ব্রেথ’ বা দম ফুরিয়ে আসার পেছনে নানান কারণ থাকতে পারে।


Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে জানানো হয়-, হাঁপানি, ধূমপান(Smoking), ‘ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)’ ইত্যাদির কারণে দম ফুরিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থার তৈরি হতে পারে। এসবে আক্রান্ত কিংবা আসক্তদের উচিত হবে নিজেদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।

‘লাং ক্যাপাসিটি’
ফুসফুস একবারে ঠিক কতটুকু বাতাস তার ভেতরে নিতে পারে সেই পরিমাণটাই হল ওই মানুষের ‘লাং ক্যাপাসিটি’। বয়স বাড়ার সঙ্গে ফুসফুসের এই বাতাস ধারণ ক্ষমতা কমতে থাকে। আর ফুসফুস(Lung) কিংবা শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগে যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও দ্রুত দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে পুরুষের ফুসফুসের বাতাস ধারণ ক্ষমতা নারীদের ফুসফুসের তুলনায় বেশি হয়। এই ধারণ ক্ষমতা নিচের কিছু উপায়ে বাড়ানো যেতে পারে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম: ‘ব্রিদিং এক্সারসাইজ’ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম(Exercise) ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশ কার্যকর। ‘ডায়াফ্রাগম্যাটিক ব্রিদিং’, ‘পার্সড লিপস ব্রিদিং’, প্রনয়ম ইত্যাদি কার্যকর এবং পরিচিত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামগুলোর মধ্যে অন্যতম। চিকিৎসকের পরামর্শ মাফিক এই ব্যায়ামগুলো অনুশীলন করতে ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা বাড়বে এবং ফুসফুস(Lung) স্বাস্থ্যবান থাকবে।

কার্ডিও এক্সারসাইজ: শুধু হৃদযন্ত্রের জন্য নয়, ফুসফুসের সুস্বাস্থ্যের জন্যও ‘কার্ডিও এক্সারসাইজ’ উপকারী। প্রতিদিন মাত্র আধা ঘণ্টা সময় দিলেও অনেকটা উপকার পেতে পারেন। এই ধরনের ব্যায়াম(Exercise) করার সময় ফুসফুসের উপর বেশ ধকল যায়। ফলে ফুসফুসেরও ব্যায়াম করা হয়ে যায় এবং ক্রমে তার বায়ু ধারণ ক্ষমতা বাড়ে। দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা(Swimming) ইত্যাদি অন্যতম কার্যকর ‘কার্ডিও এক্সারসাইজ’।

পানি পান: ফুসফুস শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এবং তার জন্যও পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন। শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা(Humidity) বজায় থাকলে ফুসফুসের ‘মিউকোসাল লাইনিং’ বা শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি পাতলা থাকবে এবং তা ভালোভাবে কাজ করবে।

শোয়া-বসার ধরন: কীভাবে শুয়ে ঘুমান বা বসেন তার ওপর একজন মানুষের ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা নির্ভর করে। বসার সময় যদি সামনের দিকে ঝুঁকে বসেন বা পিঠ সোজা রেখে না বসেন তবে ফুসফুসের ধারণ ক্ষমতা কমতে থাকে। কারণ এভাবে বসলে ফুসফুস(Lung) সংকুচিত হয়ে থাকে লম্বা সময় ধরে। আর একসময় তা আর প্রসারিত হয়ে স্বাভাবিক হতে পারে না। তাই সবসময় সোজা হয়ে বসার অভ্যাস করতে হবে।

ভিটামিন ডি: ফুসফুসের ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন ডি’র প্রয়োজন আছে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ভিটামিন ডি(Vitamin D) যোগ করায় রোগীরা উপকার পেয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় শরীরচর্চা করতে পেরেছেন, দাবি চিকিৎসকদের। ভিটামিন ডি সংগ্রহ করতে পারেন সূর্যের আলো থেকে কিংবা নিতে পারে ‘সাপ্লিমেন্ট’। মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি ভোজ্য উৎস থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

ফুসফুস স্বাস্থ্যকর রাখতে
এই উপায়গুলো হয়ত ফুসফুসের বায়ু ধারণ ক্ষমতা বাড়াবে। তবে প্রতিষেধনের চাইতে প্রতিরোধ সবসময় ভালো। তাই ফুসফুসের ধারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া কারণগুলো দুর করতে হবে। ধূমপান(Smoking) বর্জন করতে হবে। খাদ্যাভ্যাসে ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ সমৃদ্ধ খাবারের মাত্রা বাড়াতে হবে। ঘরের বায়ু দূষণ(Air pollution) নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে হবে। বাইরের দূষণ থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে।

জেনা বড় গোনাহ সমূহের মধ্যে একটি

1 comment

অবৈধ যৌনাচার, জেনা-ব্যভিচার বড় গোনাহসমূহের মধ্যে একটি। হাদিসের পরিভাষায় ব্যভিচার এমন মারাত্মক কবিরা গোনাহ যে, ব্যভিচারে লিপ্ত হলে মানুষের ইমান তার থেকে বের হয়ে যায়। কুরআনুল কারিমে ব্যভিচারের দিকে ধাবিত হতে সুস্পষ্টভাবে নিষেধ করা হয়েছে। জেনা-ব্যভিচারকে অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَلاَ تَقْرَبُواْ الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاء سَبِيلاً
‘আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ৩২)
ব্যভিচার অনেক মারাত্মক অপরাধ। যে কারণে ব্যভিচারের সময় মানুষের মাঝে ইমান অবস্থান করে না। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন-
‘যখন কোন মানুষ ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তখন তার থেকে ইমান বের হয়ে যায়। ইমান তার মাথার উপর ছায়ার মত অবস্থান করে; যখন সে বিরত হয় তখন ইমান আবার ফিরে আসে।’ (তিরমিজি)
ব্যভিচারের ধরন
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জেনা-ব্যভিচারের ধরনও উল্লেখ করেছেন। যাতে মানুষ সব ধরণের জেনা-ব্যভিচার থেকে মুক্ত থাকতে পারে। হাদিসের বর্ণনায় তাহলো-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের কিছু অংশ লিপিবদ্ধ হয়েছে; সে অবশ্যই তার মধ্যে লিপ্ত হবে। (তাহলো)-

> দুই চোখের ব্যভিচার হল দৃষ্টি;
> আর তার দুই কানের ব্যভিচার শ্রবণ;
> মুখের ব্যভিচার হল কথা বলা;
> হাতের ব্যভিচার হল স্পর্শ করা এবং
> পায়ের ব্যভিচার হল পদক্ষেপ আর
> অন্তরে ব্যভিচারের আশা ও ইচ্ছার সঞ্চার হয়, অবশেষে লজ্জাস্থান একে সত্যে অথবা মিথ্যায় পরিণত করে।’ (মুসলিম)
জেনা-ব্যভিচার থেকে বাঁচার সর্বোত্তম উপায় ও উপকারিতা

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জেনা-ব্যভিচার থেকে বেঁচে থাকা। কবিরা গোনাহমুক্ত জীবন গড়া। এজন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন তাহলো-

১. নারী-পুরুষ অবিবাহিত হলে বিয়ে করা।
২. বিবাহিত হলে স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি এবং স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি মনোযোগী হওয়া।
বিয়ে করা সম্ভব না হলেৃ
১. একাকী বসবাস বা থাকা পরিহার করা।
২. বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করা; তার জিকির করা।
৩. জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে জানা।
৪. সপ্তাহিক (সোম ও বৃহস্পতিব) এবং মাসিক (আরবি মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ) রোজা রাখা। তাতেও বিয়ে ছাড়া থাকতে কষ্ট হলে একদিন পর একদিন রোজা রাখা।
৫. বিপরীত লিঙ্গে দিকে না তাকানো ও কথা বলা থেকে বিরত থাকা। অর্থাৎ নারী ইচ্ছাকৃতভাবে পুরুষের দিকে আবার পুরুষ নারীর দিকে না তাকানো।

সর্বোপরি পাপ না করার জন্য মনকে দৃঢ়ভাবে স্থির করতে হবে। সব সময় আল্লাহকে ভয় করতে হবে। একান্ত নির্জনে থাকা অবস্থায় জেনা-ব্যভিচার সম্পর্কিত পাপ করার সম্ভাবনা থাকলে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব সময় চোখ, কান, হাত-পা ও অন্তরের কামনা-বাসনাসহ জেনা-ব্যভিচারের সব ধরনের আক্রমণ থেকে নিজেদের হেফাজত করার তাওফিক দানর করুন। আমিন।

কখন পড়বেন ফজরের নামাজ?

2 comments

Fojorer Namaz Kokhon Porben?


নির্ধারিত সময়ে নামাজ পড়ার দিকনির্দেশনা এসেছে কোরআনে। ফজর নামাজ দিয়েই দিনের শুরু হয়। কিন্তু ফজরের নামাজের নির্ধারিত সময় কখন? ফজরের ওয়াক্ত সম্পর্কে হাদিসের দিকনির্দেশনাগুলোই বা কী?

সময় মতো নামাজ পড়ার দিকনির্দেশনা দিয়ে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন-
فَأَقِيمُواْ الصَّلاَةَ إِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا
অতঃপর নামাজ ঠিক করে পড়। নিশ্চয়ই নামাজ মুসলমানদের উপর ফরজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১০৩)
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, আল্লাহ তাআলা যখনই কোনো ফরজ (নামাজ) তার বান্দাদের উপর অবধারিত করেন; তখনই তার একটা (সময়) সীমাও নির্ধারণ করে দেন। তারপর (একান্তই) যারা সেটা করতে সক্ষম হবে না তাদের ভিন্ন পথ বাতলে দিয়েছেন। এর ব্যতিক্রম হচ্ছে- আল্লাহর জিকির। এই জিকিরের ব্যাপারে যতক্ষণ কেউ সুস্থ বিবেকসম্পন্ন থাকে, ততক্ষণ আল্লাহ তাআলা কাউকে ওজর আপত্তি পেশ করার সুযোগ দেননি। সর্বাবস্থায় তাকে জিকির করতে হবে। রাত-দিন, জলস্থল, চালিয়ে যেতে হবে। এ আয়াতের এটাই ভাষ্য।’ (তাফসিরে তাবারি)

তাই কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মোতাবেক ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার নামাজ নির্ধারিত সময়ই আদায় করতে হবে। ফজরের নামাজ কখন আদায় করতে হবে। এর সময়সীমা কতক্ষণ? হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নামাজেরর প্রথম ও শেষ সময় রয়েছে। জোহরের নামাজের প্রথম সময় হচ্ছে যখন সূর্য হেলে যাবে। আর শেষ সময় হচ্ছে, আসরের ওয়াক্ত প্রবেশ করা পর্যন্ত। অনুরূপভাবে আসরের প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে, যখন এর ওয়াক্ত হবে। আর তার শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে সূর্য হলুদ বর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত। তদ্রুপ মাগরিবের প্রথম সময় হচ্ছে যখন সূর্য ডুবে যায়। তার শেষ সময় হচ্ছে, যখন দিগন্ত রেখা চলে যায়। আর ইশার প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে, যখন দিগন্ত রেখা চলে যায়। আর শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে, মধ্য রাত পর্যন্ত। ফজরের প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে, যখন সুবহে সাদিক উদিত হয়। আর শেষ ওয়াক্ত হচ্ছে, যখন সূর্য উদিত হয়।’ (তিরমিজি)

ফজরের ওয়াক্ত সম্পর্কে হাদিনের নির্দেশনা

সুবহে সাদেক থেকে ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হয়। রোজাদারের জন্য পানাহার নিষিদ্ধের সময়ও এটি। আর সুবহে সাদেক বলা হয় সেই সময়কে, যে সময়ে ভোরের আভা পূর্ব আকাশে উত্তর-দক্ষিণে বিস্থির্ণ অবস্থায় দেখা যায়। আর এর শেষ সময় হল সূর্যোদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত।
হাদিসের একাধিক বর্ণনায় ফজরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই নামাজ প্রথম ওয়াক্তে ‘গালাসে’ (একটু অন্ধকার অন্ধকার ভাব সময়ে) পড়া উত্তম। হাদিসে এসেছে-

১. হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজ পড়তেন। অতঃপর মহিলারা তাদের চাদর জড়িয়েই নিজ নিজ বাসায় ফিরে যেতেন। কিন্তু অন্ধকারের জন্য তাদেরকে চেনা যেত না।’ (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)

২. হজরতআবু মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজ পড়লেন, যখন কেউ তার পাশ্ববর্তী সঙ্গীর চেহারা চিনতে পারত না অথবা তার পাশে কে রয়েছে তা জানতে পারত না।’ (আবূ দাউদ)

৩. হজরত আবু মাসউদ আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তিনি (রাসুলুল্লাহ) একবার ফজরের নামাজ অন্ধকারে (খুব ভোরে) পড়লেন। অতঃপর দ্বিতীয় বার ফর্সা করে পড়লেন। এরপর তাঁর ফজরের নামাজ অন্ধকারেই হত। আর তাঁর ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত কোনো দিন পুনরায় (ফজরের নামাজ) ফর্সা করে পড়েননি।’ (আবু দাউদ)
তবে এত ভোরে ফজর পড়া যাবে না; যে সময় ফজরের ওয়াক্ত হয়নি। এ কারণেই অন্য হাদিসে এসেছে-

৪. আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘তোমরা ফজরের নামাজ ফর্সা করে পড়। কারণ, তাতে সাওয়াব অধিক।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ, মিশকাত)
অর্থাৎ ফজরের সময় নিশ্চিত হতে হবে। নিশ্চিতরূপে ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার বিষয়টি না জেনে তাড়াহুড়ো করা যাবে না। অথবা ‘তোমরা ফজরের নামাজ লম্বা ক্বিরাআতে ফর্সা করে পড়। এতে অধিক সাওয়াব লাভ হবে।

কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে এই নামাজে (কখনো কখনো) ৬০ থেকে ১০০ আয়াত পর্যন্ত পড়তেন এবং যখন নামাজ শেষ করতেন, তখন প্রত্যেকে তার পাশের সাথীকে চিনতে পারত। (বুখারি)
হাদিস বিশারদদের বর্ণনায় বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, যেহেতু তাঁর আমল মৃত্যু পর্যন্ত ফজরের নামাজ ফর্সা করে ছিল না, বরং এ নামাজ তিনি একটু অন্ধকার থাকতেই শুরু করতেন, তাই অন্ধকার ও ফর্সায় ফজর পড়ায় কোনো বৈষম্য নেই। বরং ফজর সুবহে সাদেকে অন্ধকার থাকতেই শুরু করা যুক্তিযুক্ত। আর নামাজ শেষ করতে করতে অনেক সময় আকাশ ফর্সা হয়ে যেত।

তাহলে ফজরের ওয়াক্তের সময়গুলো হলো-

> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের নামাজ আদায় করলেন, যখন ভোর বিদ্যুতের মত আলোকিত হল এবং যে সময় রোজাদারের ওপর পানাহার হারাম হয়।
> ফজরের নামাজ আদায় করলেন, যখন জমিন আলোকিত হয়ে গেল। অতঃপর জিবরিল আলাইহিস সালাম আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটাই হলো আপনার আগে আগমনকারী নবিদের (নামাজের) ওয়াক্ত বা সময়। নামাজের ওয়াক্ত এ দুই সীমার মাঝে সীমাবদ্ধ।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ, মিশকাত) এ হাদিসটি হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুসহ আরো অনেকে বর্ণনা করেছেন।
> ফজরের নামাজের প্রথম ওয়াক্ত হচ্ছে যখন ভোর শুরু হয় এবং তার ওয়াক্ত শেষ হয় যখন সূর্য ওঠা শুরু হয়।’ (তিরমিজি)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, ফজরের নামাজ সুবহে সাদেকের পর সঠিক ওয়াক্ত নিশ্চিত হয়ে পড়া। নির্ধারিত সময়ে নামাজ পড়ে কুরআনের নির্দেশ বাস্তবায়ন করা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ফজরের নামাজ যথাসময়ে পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সব ধরনের নেশাদ্রব্যই কি হারাম, ইসলাম কী বলে?

No comments

Sob Dhoroner Nesa Ki Haram?


নেশা মানুষকে জ্ঞানহীন করে দেয়। তাই পরিমাণ কম হোক আর বেশি হোক মদ ও নেশা ইসলামে যেভাবে গুরুতর অপরাধ, তেমনি রাষ্ট্রীয়ভাবেও অপরাধ। ইসলামের দৃষ্টিতে মদ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করা হারাম। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ অনেক বিষয়ে মুসলিম উম্মাহকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

'হে মুমিনগণ! এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কাজ ছাড়া কিছু নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক। যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।' (সুরা মায়েদা : আয়াত ৯০)

অনেকে কুরআনুল কারিমের একটি আয়াত তুলে ধরে বলেন যে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজ পড়া যাবে না। তাই নেশা একেবারে হারাম নয়। নামাজের সময়ের বাইরে নেশা করা যাবে মর্মে তারা এ আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে থাকেন-

'হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাজের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ।' (সুরা নিসা : আয়াত ৪৩)
এ আয়াতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজে অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তাহলে কি অন্য সময় নেশাজাতীয়দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে?

‘না’, কোনো অবস্থায়ই নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্যই গ্রহণ করা যাবে না। ইসলামে নেশাজাতীয় দ্রব্য কম হোক বেশি হোক গ্রহণ করা হারাম। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে এটি সুস্পষ্ট। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণের পরিমাণের কথা সুস্পষ্ট করে বলেছেন। নেশার পরিমাণ ও নেশা গ্রহণ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-

১. হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সব ধরণের নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্য হারাম। যে দ্রব্যের এক ‘ফারাক’ (মশক) পরিমাণ (পানে) নেশা সৃষ্টি হয়, তার এক আঁজল (হাতের কোশ) পরিমাণও হারাম।' (তিরমিজি)
২. অন্য বর্ণনায় এসেছে, এক ঢোক পরিমাণ (নেশা) পান করাও হারাম।
৩. হজরত জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'যে দ্রব্যের বেশি পরিমাণ (পান করলে) নেশার সৃষ্টি করে, তার অল্প পরিমাণও (পান করা) হারাম।' (ইবনে মাজাহ, তিরমিজি)
মনে রাখা জরুরি

নেশা বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় মহামারি। যুবক সমাজ থেকে শুরু করে ছোট-বড় সব বয়সের অনেক মানুষ নেশায় আসক্ত। গাঁজা, আফিম, চরশ, বাংলা মদ, গুল, মরফিন, কোকেন, বিয়ার, ওয়াইন, হেরোইন প্যাথেড্রিন, মারিজুয়ানা, ডেক্রপরটেন, প্যাথেলিন, ইকসটামি, এলএসডি, ইলিকসার, চোলাইমদ, হুইস্কি, চুয়ানি, তাড়ি ভদকা, শ্যাম্পেন, কোডিনসহ বিভিন্ন ধরণের ড্রাগ নেয়াসহ ইত্যাদি যাবতীয় নেশায় আসক্ত। কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা মোতাবেক এসব নেশাদায়ক দ্রব্যসহ আরো যেসব জিনিস গ্রহণ করলে মানুষ নেশায় আসক্ত হয়ে, তা গ্রহণ করা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।
নেশার সঙ্গে সংযুক্ত যারা অভিশপ্ত
নেশাজাতীয় দ্রব্যের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে এমন ১০ ব্যক্তির ওপর রাসুলুল্লাহ অভিশম্পাত করেছেন। তারা হলো- ১. যে নির্যাস বের করে, ২. প্রস্তুতকারী, ৩. পানকারী বা ব্যবহারকারী, ৪. যে পান করায়, ৫. আমদানিকারক, ৬. যার জন্য আমদানি করা হয়, ৭. বিক্রেতা, ৮. ক্রেতা, ৯. সরবরাহকারী, ১০. লভ্যাংশ ভোগকারী। (তিরমিজি)

হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ৩ শ্রেণির লোকের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে। তারা হলো-


১. মদপানে অভ্যস্ত ব্যক্তি;
২. পিতামাতার অবাধ্য সন্তান;
৩. সেই বেহায়া ব্যক্তি, যে নিজ পরিবারে অশ্লীলতাকে স্বীকৃতি দিয়ে জিইয়ে রাখে।’ (মেশকাত)

নেশা করার বিভিন্ন দ্রব্য সম্পর্কেও হাদিসের সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সতর্ক করেছেন, নিশ্চয়ই আমার উম্মতের কিছু লোক মদ পান করবে, তারা সেটার ভিন্ন নামকরণ করে নেবে।' (মেশকাত)
তাছাড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম নেশার পরিমাণ সম্পর্কেও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ঘোষণা করেছেন। তাহলো-

> 'প্রত্যেক নেশার দ্রব্যই ‘খামর’ বা মদ এবং প্রত্যেক নেশার দ্রব্যই হারাম।' (মেশকাত)
> ‘যে জিনিস অতিমাত্রায় গ্রহণে নেশা হয়, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।‘ (মেশকাত)
উল্লেখ্য, যেসব তামাকজাত দ্রব্যের নিকোটিন স্নায়ুতন্ত্রের নিকোটিনিক রিসেপ্টরে যুক্ত হয়ে নেশার সৃষ্টি করে, অনুভূতিকে প্রভাবিত করে; ইসলামে তাও নিষিদ্ধ। কারণ এসব তামাকজাত দ্রব্যে কেউ আসক্ত হলে যেমন সে ইচ্ছে করলেও তা সহজে ছাড়তে পারেনা। আবার তামাকজাত দ্রব্য তথা বিড়ি-সিগারেট, জর্দা ও গুলসহ সব দ্রব্যের কারণে ক্যান্সার, হার্ট, ফুসফুস আক্রান্ত ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সে কারণে এসব গ্রহণ করাও ইসলামে সুস্পষ্ট হারাম।

সুতরাং কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী যা কিছু মস্তিষ্কের সঙ্গে মিশে জ্ঞান-বুদ্ধিকে নেশাগ্রস্ত করে তোলে তা-ই হারাম। চাই তা কম হোক বা বেশি হোক। তরল পদার্থ হোক কিংবা কঠিন পদার্থ হোক। এসব নেশা সৃষ্টিকারী দ্রব্যের নাম যাই হোক; মূলত এগুলো সবই এক এবং এসবের বিধানও এক।

আল্লাহ তাআলা বিশ্বজুড়ে মানবজাতিকে তামাকজাত দ্রব্যসহ নেশা সৃষ্টিকারী সব জিনিস থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। তাওবাহ-ইসতেগফারের মাধ্যমে এসব হারাম কাজ থেকে ফিরে আসার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ধূমপায়ীদের ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে যা করবেন

1 comment

স্বাস্থ্যের জন্য খুবই খারাপ একটি অভ্যাস হচ্ছে ধূমপান(Smoking)। যা মৃত্যুরও কারণ। যদিও অনেকেই চেষ্টা করে এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে, কিন্তু পারেন না। কারণ ধূমপান নামক ক্ষতিকারক অভ্যাস(Harmful habit) ছেড়ে দেয়া তাদের জন্য একপ্রকার অসম্ভব মনে হয়।

নিশ্চয়ই জানেন, ধূমপান ফুসফুসকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ধূমপানের কারণে ফুসফুসে বিষাক্ত(Toxic) পদার্থ জমা হয়। এর ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্যান্সারও হতে পারে। তবে কিছু পদ্ধতি মেনে চললে খুব সহজেই ধূমপায়ীরা ফুসফুস(Lung) থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে পারেন। চলুন জেনে নেয়া যাক সে পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে-

লেবুর শরবত: ফুসফুস শক্তিশালী ও বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম জলে লেবুর শরবত(Lemon juice) বানিয়ে পান করতে পারেন। প্রতিদিন সকাল কুসুম গরম জলে লেবুর শরবত বানিয়ে পান করলে ফুসফুস শক্তিশালী ও বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

দুগ্ধ জাতীয় খাবারকে না: ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে হলে দুধ(Milk) ও দুগ্ধজাত খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার ফুসফুস পরিষ্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

আনারস: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি(Vitamin C) সমৃদ্ধ খাবার প্রাকৃতিকভাবেই ফুসফুস পরিষ্কার করে। আনারসের জুস এবং ক্র্যানবেরির জুস নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন। এসব ফলের জুসে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট(Antioxidant) ও ভিটামিন সি।

গ্রিন টি: গ্রিন টি অন্ত্রের বিষাক্ত পদার্থ দূর ও ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। গ্রিন টি(Green tea) সবার ক্ষেত্রেই উপকারী।

আদা: ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হওয়া রোধে ঘরোয়া দাওয়াই হলো আদা। তবে ধূমপায়ীদেরও ফুসফুস পরিষ্কার করতে পারে আদা(আদা)। প্রতিদিন এক টুকরো আদা চিবালে শ্বাসতন্ত্র ও ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

গাজরের জুস: ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে গাজরের জুস। প্রতিদিন দুই বেলা এই জুস খেলে ফুসফুস(Lung) শক্তিশালী হয়।

পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতা ফুসফুসের যেকোনো সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পুদিনা পাতা(Mint leaf) রাখুন।

যোগব্যায়াম: নিয়মিত যোগব্যায়াম(Yoga) করলে ফুসফুস পরিষ্কার ও শক্তিশালী হয়। যোগব্যায়ামের ক্ষেত্রে গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে হয়, যা আপনার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

© All Rights Reserved
Made with Forhad Elahe