ওমিক্রন vs ডেল্টা কি COVID-19 তৈরি করে! গবেষণা কি বলছে?

1 comment


করোনাভাইরাসের নতুন ওমিক্রন বৈকল্পিক, এর অনেক রূপান্তর এবং আপাতদৃষ্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, বিজ্ঞানী এবং সরকারী কর্মকর্তাদের উদ্বিগ্ন করছে।

কিন্তু চিকিত্সকরা আমেরিকানদের মনে করিয়ে দিতে চান যে তারা ইতিমধ্যেই একটি দুর্দান্ত করোনভাইরাস বৈকল্পিকের মুখোমুখি হচ্ছে, এবং এটি ডেল্টা।

ডেল্টা গ্রীষ্মের শুরুতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দখল করতে পেরেছিল, এমন একটি দেশের জন্য দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে যেটি সমান গতিতে ভ্যাকসিন এবং আশা করছে।

COVID-19 Health Care

"জুন মাসের শেষের দিকে, রিপোর্ট করা মামলার সাত দিনের চলমান গড় ছিল প্রায় 12,000। 27 জুলাই, সাত দিনের চলমান গড় 60,000-এর উপরে পৌঁছেছিল। এই কেস রেটটি আমরা ভ্যাকসিনের আগে যে হার দেখেছিলাম তার মতো দেখতে ছিল। ব্যাপকভাবে উপলব্ধ ছিল," ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন তার ওয়েবসাইটে বলেছে। "ডেল্টা বৈকল্পিকটি অত্যন্ত সংক্রামক, পূর্ববর্তী রূপগুলির তুলনায় 2 গুণেরও বেশি সংক্রামক।"

সিডিসি অনুসারে, ডেল্টা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জেনেটিক্যালি সিকোয়েন্স করা করোনাভাইরাসের 99% এরও বেশি ক্ষেত্রে দায়ী।

ওমিক্রন ডেল্টাকে পরাজিত করবে কিনা তা দেখা বাকি, তবে এটি কঠিন হবে।

"আমাদের এখনও, অবশ্যই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ডেল্টা ভেরিয়েন্টের একটি গুরুতর উত্থান আছে। আমাদের এটি সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত," ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ ডিরেক্টর ড. ফ্রান্সিস কলিন্স সোমবার সিএনএনকে বলেছেন৷

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি অনুসারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন গড়ে 70,094 টি নতুন কোভিড -19 কেস এবং 730 জন মারা যাচ্ছে। এবং JHU বলে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 75% নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট বেড দখল করা হয়েছে, তাদের মধ্যে 15% কোভিড -19 রোগীদের দ্বারা।

ওমিক্রন এবং ডেল্টা তুলনা করা

50টি মিউটেশন দিয়ে অনেক কিছু তৈরি করা হচ্ছে যা ওমিক্রন বৈকল্পিককে চিহ্নিত করে -- এর মধ্যে 32টি স্পাইক প্রোটিনে, যা ক্লাব আকৃতির কাঠামো যা ভাইরাসের পৃষ্ঠকে ঢেকে রাখে এবং মানব কোষের সাথে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় যাতে ভাইরাসটি সংক্রমিত হতে পারে। তাদের

তবে ডেল্টার ভীতিকর মিউটেশনের নিজস্ব নক্ষত্রমণ্ডল রয়েছে এবং তারা এটিকে এখনও পর্যন্ত দেখা ভাইরাসের সবচেয়ে খারাপ সংস্করণে পরিণত করেছে। এটি জনসংখ্যার মধ্যে দিয়ে ঘোরাফেরা করে, আরও উদ্বেগজনক রূপগুলিকে প্রতিস্থাপন করে যার মধ্যে মিউটেশন রয়েছে যা তাদের বিটা বৈকল্পিকের মতো ভ্যাকসিনের প্রভাব এড়াতে দেয়।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

Tulane ইউনিভার্সিটির একজন ভাইরোলজিস্ট রবার্ট গ্যারি ডেল্টা এবং ওমিক্রনে দেখা মিউটেশনের মাথা থেকে মাথার তুলনা করেছেন।

গ্যারি সিএনএনকে বলেছেন ওমিক্রনের "একবারে তাদের একটি অংশ" রয়েছে। "কিন্তু আমরা আগে বিবর্তনে এই ধরনের লাফ দেখেছি," তিনি যোগ করেছেন।

"অবশ্যই হটস্পট আছে যেখানে এই ভাইরাসটি এখন রূপান্তরিত হতে পছন্দ করে," তিনি বলেছিলেন। কিন্তু শুধুমাত্র অনেক মিউটেশন থাকার মানে এই নয় যে তারা একটি খারাপ ভাইরাস যুক্ত করবে।

"এই ভাইরাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলির জন্য সামগ্রিকভাবে এই সমস্ত পরিবর্তনগুলি কী করতে চলেছে, আমরা এখনও সত্যিই জানি না," গ্যারি বলেছিলেন।

কিন্তু তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন দেখতে পান না যা ওমিক্রন সংস্করণকে ডেল্টার চেয়ে বেশি সংক্রামক করে তুলতে পারে।

"যেগুলি ট্রান্সমিসিবিলিটি প্রভাবিত করতে পারে, আমি বলতে চাচ্ছি, আমি এমন অনেক কিছুই দেখছি না যা এটিকে ডেল্টার তুলনায় একটি সত্যিকারের শক্তিশালী সুবিধা দেবে," তিনি বলেছিলেন।

"এটা আসলেই বড় প্রশ্ন। আপনি জানেন, যখন এটি ডেল্টা আছে এমন একটি জনসংখ্যার মধ্যে যায়, তখন এটি কি প্রতিযোগিতার বাইরে যাবে নাকি প্রতিযোগিতার বাইরে যাবে না?"

অন্যান্য জেনেটিক্স বিশেষজ্ঞরাও নোট করেছেন যে ওমিক্রন এমন কিছু পরিবর্তন বহন করে না যা ডেল্টাকে খুব সংক্রামক করতে সাহায্য করেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম বিজ্ঞানী এবং এপিডেমিওলজিস্ট ট্রেভর বেডফোর্ড বলেন, "ওমিক্রন-এ এমন অনেক নন-স্পাইক মিউটেশনের অভাব রয়েছে যা ডেল্টার ফিটনেস বৃদ্ধিতে অবদান রাখে বলে মনে হয়, এর অন্তর্নিহিত সংক্রমণযোগ্যতা গামার মতো হলে আমি অবাক হব না।" ওয়াশিংটন এবং সিয়াটেলের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার সেন্টার, টুইটারে ড. তিনি সেপ্টেম্বরে ব্রড ইনস্টিটিউটের গবেষকদের কাছ থেকে একটি গবেষণার উল্লেখ করেছেন যারা ডেল্টা বৈকল্পিকটিতে কমপক্ষে তিনটি মিউটেশন খুঁজে পেয়েছেন যা তারা বলেছিল যে এটিকে আরও সংক্রমণযোগ্য করতে সাহায্য করেছে।

কিছু কিছু মিউটেশন যা ট্রান্সমিসিবিলিটি বাড়ায় তা এমন রূপেও দেখা যায় যেগুলি মারা গেছে, যেমন কাপা নামক একটি।


কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা

গ্যারি এমন মিউটেশন দেখেন যা ওমিক্রনকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এড়াতে সাহায্য করতে পারে -- বিশেষ করে আগের সংক্রমণ থেকে।

"এটি সম্ভবত ইমিউন ইভেসিভ। ডেল্টা এবং তার আগে আলফা এবং বিটাও তাই। আমাদের কি একটি নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করা উচিত? হ্যাঁ," তিনি বলেছিলেন।


টিকাদানের দ্বারা প্ররোচিত প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রাকৃতিক সংক্রমণ দ্বারা উত্পাদিত প্রতিক্রিয়ার চেয়ে বিস্তৃত, তাই টিকা দেওয়া ব্যক্তিরা এখনও গুরুতর রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারে, ডাক্তাররা বলেছেন।

"ডেল্টার বিরুদ্ধে আপনার সর্বোত্তম সুরক্ষা হল টিকা নেওয়া, এবং আপনি যদি ইতিমধ্যে টিকা নেওয়া হয়ে থাকেন এবং আপনি Pfizer বা Moderna পাওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার বুস্টারটি পান, J&J থেকে দুই মাস পরে, আপনার বুস্টার পান," CNN কে বলেছেন।

"এটি ইতিমধ্যে একটি কারণ ছিল, কিন্তু এখন মিশ্রণে Omicron যোগ করুন," তিনি বলেন। "এবং আমরা বিশ্বাস করি যে এই নতুন রূপটি, যা সম্ভবত আমাদের উপকূলে আসবে, এটি এমন কিছু হবে যা ভ্যাকসিন এবং বুস্টার আপনাকে সাহায্য করতে পারে।"

CDC সোমবার বুস্টার সম্পর্কে তার নির্দেশিকা জোরদার করেছে, বলেছে যে সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের Moderna's বা Pfizer/BioNTech-এর ভ্যাকসিনের প্রথম দুই ডোজ শেষ করার ছয় মাস পর এবং জনসন অ্যান্ড জনসন-এর একক-ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার দুই মাস পর বুস্টার শট নেওয়া উচিত।

এবং এমন কোনও পরিচিত মিউটেশন নেই যা ভাইরাসকে এড়াতে পারে এমন সতর্কতা যেমন মুখোশ, হাত ধোয়া এবং শারীরিক দূরত্ব। এমনকি যদি একটি মিউটেশন একটি ভাইরাসকে বায়ুবাহিত প্যাথোজেন হিসাবে আরও কার্যকর হতে সাহায্য করে, তবে ভাল বায়ুচলাচল সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

ভাত বা পোলাও পুড়ে গেলে করনীয়

1 comment

ভাত(Rice) বসিয়ে কোন কাজ করতে গিয়েছেন, এসে দেখেন ভাতের নিচে পোড়া লেগে গেছে… তাহলে কি হয় আমরা সবাই জানি। ভাত হয়ে যায় তিতা।


ভাতে পোড়া লাগলেও সব ভাতেই পাওয়া যায় বিচ্ছিরি পোড়া গন্ধ(burning smell)। এই ভাত না যায় খাওয়া, না যায় ফেলে দেওয়া।

শুধু ভাতের বেলায় না, ভাত পোলাও বা বিরিয়ানি পুড়ে গেলে একটি জাদুকরী উপায়ে এটা ঠিক করা যায়। সেটাই শেয়ার করবো আজ আপনাদের সাথে…

কিভাবে দূর করতে হবে এই পোড়া গন্ধ(burning smell), কী করবেন? জেনে নিন সেই জাদুকরী উপায়-

যে হাড়িতে পোড়া লেগেছে, সেখান থেকে সরিয়ে নিন ভাত। এবার অন্য একটি হাড়িতে ভাত রেখে তার উপরে রেখে দিন এক টুকরো পাউরুটি(bread)। কিছু সময় ঢাকনা দিয়ে দমে রাখুন।

ব্যাস দেখবেন আপনার ভাতের পোড়া গন্ধ একদম নেই। পোড়া গন্ধ সব শুষে নিয়েছে পাউরুটি।

কেউ আর বুঝতেই পারবেন না যে খাবারে পোড়া লেগেছিল। vouch

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

কোরবানির ঈদের রান্না গার্লিক মাটন, শাহি তেহারি ও দরবারি বিফ

কোরবানির ঈদের খাওয়া মানেই নানান পদের মাংস রান্না। অনেকে শুধু রেসিপি না জেনে অথবা সময় স্বল্পতা আর অতিরিক্ত ঝুট ঝামেলা এড়িয়ে চলার জন্য নানান পদের মাংস রান্না করতে চান না। ফলে দুই-এক পদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। অনেকে আবার রান্না করতে চাইলেও শুধু রেসিপি না জানার কারণে মজাদার মাংস খাওয়া থেকে বঞ্চিত থাকেন পরিবারের সবাই। তাই আজকে আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি বেশ কিছু সহজ মাংস রান্নার রেসিপি।


গার্লিক মাটন

যা লাগবে: খাসির মাংস এক কেজি, টমেটো পাঁচটি আস্ত, টমেটো কুচি এক কাপ, আদা ও রসুন বাটা এক টেবিল চামচ ও এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, কাঁচামরিচ ছয়টি, টকদই আধা কাপ, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, তেল এক কাপ, আস্ত রসুন পাঁচটি, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ পাঁচটি করে।

যেভাবে করবেন: তেলে খাসির মাংসের সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি, আদা ও রসুন বাটা, টকদই, লবণ, হলুদ, মরিচ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া, গরম মসলা, টমেটো কুচি, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ দিয়ে মাংস কষিয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। সিদ্ধ হয়ে গেলে আস্ত টমেটো ও রসুন দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করে অল্প জ্বালে পাঁচ মিনিট রাখতে হবে।

শাহি তেহারি

যা লাগবে: গরুর মাংস দেড় কেজি, চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম+ পোস্তবাটা দুই চা চামচ, তেল ও ঘি দেড় কাপ, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, আদা ও রসুন বাটা এক টেবিল চামচ কাঁচামরিচ ১০টি, টকদই ও ঘন দুধ আধা কাপ করে, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, টমেটো সস আধা কাপ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, গোলাপজল এক চা চামচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, জায়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দুই চা চামচ।

যেভাবে করবেন: গরুর মাংস ছোট করে কেটে সব মসলা দিয়ে মেখে পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে তাতে মাংস রান্না করতে হবে। অন্য পাত্রে তেলে চাল ভেজে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ফুটে উঠলে রান্না করা মাংস দিয়ে রান্না করে দমে রাখতে হবে।

দরবারি বিফ

যা লাগবে: গরুর মাংস এক কেজি, আদাবাটা দেড় চা চামচ, রসুন বাটা এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, কাজু বাদাম ও পোস্তবাটা এক টেবিল চামচ, সাদা তিল বাটা এক টেবিল চামচ, টমেটো পেস্ট এক কাপ, গুঁড়াদুধ ও টকদই এক কাপ, তেল ও ঘি পরিমাণমতো, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, গরম মসলার গুঁড়া এক চা চামচ, শুকনা মরিচ ও কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়া দুই চা চামচ, হলুদ, জিরা ও ধনিয়া গুঁড়া এক চা চামচ করে। ক্রিম আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ও ধনিয়া পাতা।

যেভাবে করবেন: পাত্রে তেল ও ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল হয়ে এলে মাংস দিয়ে ভাজতে হবে। সাদা হওয়া পর্যন্ত এবার আদা, রসুন বাটা টমেটো পেস্ট দিয়ে নেড়ে গুঁড়াদুধ ও টকদই, লবণ কাজু ও পোস্ত বাটা, চিনি ও গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে নেড়ে রান্না করতে হবে। গুঁড়া মসলা দিতে হবে। পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। ক্রিম ও কাঁচামরিচ দিয়ে পাঁচ মিনিট রান্না করে ধনিয়াপাতা দিয়ে নামাতে হবে। তেল ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

প্রচন্ড শীতে ত্বকের যত্ন নিবেন কিভাবে?


শীতের আগমন ঘটেছে। এই আগমনে ত্বকের যত্নে সতর্ক থাকতে হবে। ত্বককে সুন্দর তরতাজা আর উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক(Skin) বুড়িয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে একটি ছাতা বা টোকাজাতীয় টুপি ব্যবহার করা যেতে পারে।

যারা এগুলোকে রুচিসম্মত মনে না করেন তারা যে কোনো একটি উৎকৃষ্ট সানস্ক্রিন(Sunscreen) লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। প্রশ্ন আসতে পারে, কোন সানস্ক্রিন আপনি ব্যবহার করবেন? এ ক্ষেত্রে প্রথমেই আপনার ত্বকের রং বিবেচনায় আনতে হবে। যে ত্বকের রং যত সাদা, সে ত্বক(Skin) সূর্যালোকে তত বেশি নাজুক। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা। তাই এখন থেকেই শুরু হোক ত্বকের বাড়তি যত্ন। এতে শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।


ত্বকে ময়েশ্চারাইজ

শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল(Almond oil) বা এভাকাডোসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন।


সানস্ক্রিন ব্যবহার

শীত আসছে বলে ভাববেন না যে, সানস্ক্রিন(Sunscreen) ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।


আর্দ্রতা বজায় রাখুন

শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায়ে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক(Skin) শুষ্ক হবে না।


অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকবেন। অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা জোজোবা বা বাদাম তেল(Almond oil) দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে।


ভেজা ত্বকের পরিচর্যা করুন

গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন(Lotion) ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।


ঠোঁটের পরিচর্যা

কখনোই জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট(Lip) কখনোই ফেটে যাবে না।


মেকআপ করার সময়

মেকআপ করার সময় লিক্যুইড ফাউন্ডেশন(Foundation) ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন।


চুলের যত্ন

শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে করে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল(Hair) ভেঙে যায়।


হ্যাট পরুন

চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

পাকা আমের জেলি তৈরির রেসিপি জেনে নিন

2 comments

পাকা আমের গন্ধে ম ম করছে চারদিক। রসালো(Juicy) এই ফলটি খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। পাকা আম দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু জেলি(Jelly)। বাজারের কৃত্রিম জেলি না খেয়ে ঘরেই তৈরি করে রাখতে পারেন পাকা আমের জেলি(Ripe mango jelly)। চলুন রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
 পাকা আম- ৫/৬টি
 লেবুর রস(Lemon juice)- ২ চা চামচ
 চিনি- ১ কাপ
 চায়না গ্রাস- অল্প
 লবণ(Salt)- পরিমাণমতো
 পানি(Water)-পরিমাণমতো
 ফুড কালার- সামান্য।

প্রণালি:
পাকা আমের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। ব্লেন্ডারে সামান্য পানি(Water) দিয়ে ব্লেন্ড করুন। চুলায় প্যান বসিয়ে ব্লেন্ড করে রাখা আম(Mango) ছাড়ুন। পরিমাণমতো পানি, লবণ, চায়না গ্রাস ও চিনি দিন। ফুড কালার দিয়ে ভালো করে নেড়ে লেবুর রস(Lemon juice) দিতে হবে। অনবরত নাড়তে হবে। রং গাঢ় হয়ে গেলে নামিয়ে মুখবন্ধ বয়ামে সংরক্ষণ করুন।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

শীতের আমেজ ভাপা পিঠা বানানোর রেসিপি দেখুন


বাংলাদেশে এলাকা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন এবং আলাদা রকম পিঠা তৈরি হয়ে থাকে। গ্রামাঞ্চলে সাধারণত নতুন ধান উঠার পর থেকেই পিঠা তৈরির আয়োজন করা হয়। শীতের সময় পিঠার বাহারি উপস্থাপন ও আধিক্য দেখা যায়। তবে এসকল পিঠার মধ্যে ভাপা পিঠা নিঃসন্দেহে একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।

ভাপা পিঠা

ভাপা পিঠা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা যা প্রধানত শীত মৌসুমে প্রস্তুত ও খাওয়া হয়। এটি প্রধানত চালের গুড়া(Rice powder) দিয়ে জলীয় বাষ্পের আঁচে তৈরি করা হয়। মিষ্টি করার জন্য দেয়া হয় গুড়। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য নারকেলের শাঁস দেয়া হয়। ঐতিহ্যগতভাবে এটি একটি গ্রামীণ নাশতা হলেও বিংশ শতকের শেষভাগে প্রধানত শহরে আসা গ্রামীন মানুষদের খাদ্য হিসাবে এটি শহরে বহুল প্রচলিত হয়েছে। রাস্তাঘাটে এমনকি রেস্তোরাতে আজকাল ভাঁপা পিঠা পাওয়া যায়।


ভাপা পিঠা রেসিপি.......ঘরে বসেই খুব সহজে ভাপা পিঠা বানানোর নিয়ম নিয়ে আজ আমরা আলোচনা করব। Vapa Pitha Recipe Bangla


প্রাথমিক উপকরণঃ

১. চালের গুঁড়া ১ কেজি

২. নারিকেল(Coconut) ১ টা ( কোরানো )

৩. গুঁড় কুচানো ( ২৫০ গ্রাম )

৪. লবণ ( পরিমাণমত )

৫. পানি ( পরিমাণমত )


অন্যান্য উপকরণঃ

১. ২ টুকরা সাদা পাতলা নরম কাপড়ের টুকরা

২. ছোট্ট ঢাকনা

৩. পিঠা বানানোর জন্য ছোট গোল বাটি

৪. পিঠা ভাপানোর জন্য ঢাকনা সহ বিশেষ পাত্র অথবা ভাপা পিঠার মাটির হাড়ি

৫. চালনি


প্রস্তুত প্রণালীঃ

১. একটি পাত্রে চালের গুঁড়া , লবণ(Salt) ও অল্প অল্প পানি দিয়ে ঝরঝরে করে ভালো ভাবে মাখতে হবে যেন দলা পাকিয়ে না যায় , খেয়াল রাখবেন ঝরঝরে হতে হবে ।


২. এইবার এই চালের গুঁড়া(Rice powder) চালনিতে হাত দিয়ে ঘষে ঘষে চালতে হবে । ঝরঝরে সুজির দানার মত বের হবে ।


৩. কোরানো নারিকেলের অর্ধেকটা চেলে নেয়া চালের গুঁড়ার সাথে মাখতে হবে ।


৪. এইবার হাঁড়ির অর্ধেকটা পানিতে ভরে জ্বাল দিয়ে পানি ফুটে ভাপ ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে । ভাপা পিঠার জন্য বাজারে বিশেষ এক ধরনের হাড়ি পাওয়া যায় , সেটিও ব্যবাহার করতে পারেন । এই হাঁড়িটির ঢাকনার ঠিক মাঝখানে একটা ফুটো থাকে । হাড়ি কিনারায় বাতাস চলাচল আটকে দেয়া হয় তাই ভাপটা ফুটো দিয়েই বের হয় ।


৫. এখন পিঠার জন্য ছোট বাটিতে এক ফোটা তেল মেখে কিছু মাখানো চালের গুঁড়া(Rice powder) দিয়ে তার উপর গুঁড় ছিটিয়ে দিতে হবে । এবং এর উপর আবার চালের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে । আলতো হাতে চেপে সমান করে ভাপা পিঠার আকার তৈরি করে নিতে হবে ।


৬. এবার বাটিটা ভেজা পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে গরম পানির হাঁড়ির উপর উপুড় করে বসিয়ে দিতে হবে । এবার বাটিটা আস্তে করে সরিয়ে নিতে হবে। খেয়াল করতে হবে যেন পিঠা ভেঙ্গে না যায় ।


৭. কাপড়ের প্রান্ত গুলি মুড়ে এক জায়গায় করে বড় ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে, যেন ভাপটা পিঠার গায়ে লাগে । ৫/৭ মিনিট ভাপে সেদ্ধ হলে ঢাকনা সরিয়ে আঙ্গুল দিয়ে চেপে দেখতে হবে নরম হয়েছে কিনা। নরম হলে বুঝতে হবে পিঠা পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

ভাঁজার পুরাতন তেল পরিশুদ্ধ করার ঘরোয়া পদ্ধতি

তেলে ভাঁজার পর তেলে তলানীতে অনেক সময় পোড়া অংশ পড়ে আবার অনেক সময় তেল (oil) কালচে হয়ে যায়। এই তেল (oil) সাধারণত আমরা ফেলে দেই। তবে একটু বুদ্ধি খাটালেই এই তেল আবার পরিশুদ্ধ করে ব্যবহার করতে পারবেন।

তেল ফিল্টার করতে হলে একটি পাত্রে তেল(oil) নিয়ে তা চুলার উপর বসিয়ে দিন। তারপর চুলা অন করে তাপ দেবেন। তেলটা গরম করতে হবে। মনে রাখতে হবে তেলের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে হবে। এটা বুঝতে হলে তেলে একটি কাঠি দিয়ে দিন, বুদবুদ ওঠা শুরু করলে বুঝবেন তেল(oil) যথেষ্ট গরম হয়ে গিয়েছে। যথেষ্ট গরম হলে পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

তাপ দিলে তেলের ঘনত্ব কমে যায় তাই ফিল্টার করতে সুবিধা হয়। এই কারনেই তেলটা গরম করা হলো। এবারে একটি বড় পাত্র নিয়ে নিন, এবং এর উপরে একটি বড় স্টিলের ছাকনি(Filter) নিয়ে নিন। ছাকনির উপরে কিচেন টিস্যু দিয়ে দিন এক পরত। এই ছাকনি ও টিস্যু তেলের(oil) সাথে থাকে উচ্ছিষ্ট অংশ গুলো ফিল্টার করবে। মনে রাখবেন তেল(oil)যথেষ্ট গরম হলে দ্রুত ফিল্টার হয়ে যাবে।

আর তেল(oil) ঠান্ডা হলে অনেক সময় লাগবে তেল ফিল্টার হতে। এবার ধীরে ধীরে তেলটা ঢালুন ছাকনির উপরে। প্রথমে দ্রুত পড়লেও ধীরে ধীরে তেল পড়ার গতি কমে যাবে। তাই ধর্য্য ধরে তেলটা ঢালতে থাকুন। দরকার হলে পুরো তেলটা ঢেলে ১ঘন্টা রেখে দিন। দেখবেন আস্তে আস্তে সকল তেল(oil) ফিল্টার হয়ে গিয়েছে।

তবে মনে রাখবেন যে তেল (oil) মাংস ভাঁজার কাজে ব্যবহার করেছেন সেই তেল, মাংস(Meat) রান্না বা ফ্রেঞ্জ ফ্রাই ভাঁজার কাজে ব্যবহার করবেন। অন্য খাবারে ব্যবহার করলে চিকের স্বাদ চলে আসবে।

Was Publish all This Topic Related Article. All Receipe Tips,Cooking,Fast Food Receipe,রান্নার আইডিয়া,নিত্য নতুন রেসিপি,রেসিপির বই,ফাস্ট ফুড রেসিপি,Cooking School,Cooking Food,Fast Food,Fast Food Restaurant and More Usa Receipe Guide.

আপনার ছেলে মেয়ে খারাপ রিলেশনে জরিয়ে পরলে কি করবেন?

সন্তান ভুল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে অভিভাবকের যা করণীয় সে বিষয়ে জানবো আজ। প্রায়ই শোনা যায় সন্তান তার পছন্দ অনুযায়ী পরিবারের অজান্তেই সম্পর্কে জড়িয়েছে। বিষয়টি পরে বুঝতে পারে পরিবার।

ঠিক সেই সময়েই বাধে আপত্তি।পরিবার থেকে কখনও সেই সম্পর্ক মেনে নিতে চায় না। এদিকে সন্তানও সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। আবারও পরিবার থেকে বুঝতে পারে সম্পর্কের বিপরীতে থাকা সঙ্গী একদমই ভালো না।যে কারণে পরিবারের কিশোর বা কিশোরী মাঝে মধ্যেই লুকিয়ে কান্না করে। কিন্তু সন্তানও এ বিষয়ে পরিবারের কারো সঙ্গে কিছু আলাপ-আলোচনা করে না।বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সম্পর্কের মধ্যেই জটিলতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে টিনেজে গড়ে উঠা সম্পর্কে বিভিন্ন সমস্যা থেকেই যায়।

অল্পবয়সীদের মধ্যে ভালোবাসার অনুভূতি নতুন হওয়ায় তারা অত্যন্ত আকর্ষণ ও উত্তেজিত হয়ে থাকে।কিন্তু এটা জানে না যে, বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে নতুন নতুন চেনা-জানার মধ্যে যেমন মজা রয়েছে ঠিক তেমনই কিছু জটিলতাও থাকে। ছেলে-মেয়ে এই বয়সে সম্পর্ক ও সম্পর্কের বিষয়ে পরিবারের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় থাকেন। তাই সম্পর্কে থাকা অবস্থায় সন্তানদের সঙ্গে কোনও প্রকার দুর্ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়।

এই সময় ঠাণ্ডা মাথায় বুঝাতে হবে তাদের। প্রকৃত সম্পর্ক কেমন হয় তা বুঝিয়ে বলতে হবে তাদের।সন্তান কখনও তার সম্পর্কের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চাইবে না আপনার সঙ্গে। এ ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে আপনি নিজেই সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়ে কথা বলা শুরু করুন। সন্তান নিজ থেকে বুঝতে পারবে তাদের গড়ে উঠা সম্পর্কে ফাটল রয়েছে।,

সন্তানকে এমনভাবে বুঝাতে হবে যেন আপনি সবসময় তার পাশেই রয়েছেন। এমনকি অনুভূতিতে আঘাত লাগলে সন্তান যেন আপনার বুকে মাথা রেখে কাঁদতে পারে এমন সম্পর্ক তৈরি করে নিন।একবার যদি সন্তান বুঝতে পারে আপনার এই মনমানসিকতার বিষয়টি তাহলে সে নিশ্চিত আপনার সঙ্গে সকল কিছু আলোচনা করবে। প্রতিটি সন্তানই মা-বাবা থেকে তার ভালোবাসার জীবন লুকিয়ে রাখতে চাইবে।

এ নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই। টিনেজের ছেলে-মেয়েরা এমনটা করেই থাকে। এটা চিরন্তন সত্য যে, দিন শেষে খারাপ সম্পর্ক এবং সম্পর্কে দুঃখ পাওয়া জীবনের অঙ্গ। প্রতিটি মানুষই প্রেমে আঘাতপ্রাপ্ত।সন্তানের এই বয়সে এই ব্যথা নতুন পরিবর্তন নিয়ে আসবে তার জীবনে। সে নতুন করে অনেক কিছু শিখবে ও জানবে। ভবিষ্যতে পরবর্তী কোনো সম্পর্কে জড়ানোর আগে সে দ্বিতীয়বার অন্তত ভাববে।

অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবে।তবে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে সন্তান যেন মনসিকভাবে ভেঙে না পড়ে এবং কোনোভাবে নিজের ক্ষতির চেষ্টা না করে। খুব বেশি সমস্যা হলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন।

শীতের অলসতা ঘুম থেকে উঠার উপায় কি ?


শীতের সকালে অলসতা দূর করার উপায় জেনে নিন। শীতের সকালে বিছানা ছেড়ে উঠা অনেক কষ্টের কাজ। তারপরও কর্মব্যস্ত জীবনে বিছানা(Bed) ছাড়তেই হয়। প্রস্তুতি নিতে হয় কর্মস্থলে যাওয়ার। সেক্ষেত্রে ঘুম কাটিয়ে শরীর ও মনে ফুরফুরে ভাব আনতে প্রথমেই এক গ্লাস পানি পান করে গোসল(Bath) সেরে ফেলতে হবে। এছাড়া আরও কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো

শীতের সকালে অলসতা দূর করার উপায় জেনে নিন

ব্যায়াম: স্লিম হওয়ার জন্য বা স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যই শুধু ব্যায়াম(Exercise) নয়। বরং এটি আপনার শরীরে রক্ত চলাচলের মাত্রা ঠিক রেখে আপনাকে কাজে মনোযোগী করে তোলে। এর পাশাপাশি আপনি শীতের সকালে যে জড়তা অনুভব করেন তা নিমিষেই কেটে যাবে এই ব্যায়ামের মাধ্যমে। তাই শীতের সকালকে উপভোগ করতে আর জড়তা কাটাতে ব্যায়াম(Exercise) করুন।


গরম পানি দিয়ে গোসল: কর্মব্যস্ত জীবনে শীতের সকালে আরামের ঘুম(Sleep) হারাম করে বিছানা ছাড়তেই হয়। তবে কষ্ট ঘুম থেকে উঠলেও অনেকেরই সেই ঘুমঘুম ভাবটা থেকে যায়। ফলে দেখা যায় ঠিকমতো কাজে মন দিতে পারছেন না যেমন ঠিক তেমনই মেজাজ ও খারাপ হয়ে আছে। তাছাড়া শীতের সকালে জড়তা একটা ভাব থেকে যায় যা কাটতে চায় না। তাই এই জড়তা কাটাতে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল(Bed) করে নিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই। দেখবেন আপনি যেমন ফ্রেশ অনুভব করছেন ঠিক তেমনি আপনার ভেতর প্রাণবন্ত ভাব লাগছে। যা আপনাকে এই জড়তাভাব কাটিয়ে কাজে মনোযোগ(Attention) দিতে সাহায্য করবে।


কফি বা চা: শীতের সকাল মানেই আলসেমিতে ভরপুর। এই আলসেমি আর জড়তা ভরা সকালকে চাঙ্গা করতে আপনার সঙ্গী হতে পারে এক মগ গরম কফি(Coffee) কিংবা এক কাপ গরম চা। যা আপনাকে সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে। এবং আপনি জড়তা কাটিয়ে পুনরায় কাজে ফিরে যাওয়ার প্রাণশক্তি পাবেন।


স্বাস্থ্যকর নাস্তা: সকালের নাস্তায় গরম দুধ, মধু, মাখন এই সব রাখার চেষ্টা করুন। এই সমস্ত খাবার আপনাকে এই শীতের জড়তা কাটাতে সাহায্য করবে। সাথে সাথে মৌসুমী ফল(Seasonal fruit) রাখতে পারেন যা আপনার এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি করে আপনাকে শীতের সকালের জড়তা এড়াতে সাহায্য করবে।

ঈদে শাহি তেহারি রেসিপি Shahi Teheri Recipe

কোরবানির ঈদে সবার ঘরেই মাংস(Meat) থাকে। এ সময় প্রিয়জনদের জন্য তৈরি করতে পারেন মজাদার কিছু খাবার(Food)। ঈদে ঘরেই তৈরি করতে পারেন শাহি তেহারি(Shahi Tehri)। আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন শাহি তেহারি-

উপকরণ
গরুর মাংস(Beef) দেড় কেজি, চাল ৫০০ গ্রাম, বাদাম+পোস্তবাটা দুই চা চামচ, তেল ও ঘি দেড় কাপ, পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ, আদা ও রসুন(Garlic) বাটা এক টেবিল চামচ কাঁচামরিচ ১০টি, টকদই(Sour yogurt) ও ঘন দুধ আধা কাপ করে, লবণ ও চিনি স্বাদমতো, টমেটো সস আধা কাপ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া এক চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া এক চা চামচ, গোলাপজল(Rose water) এক চা চামচ, এলাচ, দারুচিনি(Cinnamon), লবঙ্গ, জায়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দুই চা চামচ।

প্রণালি
গরুর মাংস ছোট করে কেটে সব মসলা দিয়ে মেখে পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ(Onion) লাল করে ভেজে তাতে মাংস(Meat) রান্না করতে হবে। অন্য পাত্রে তেলে চাল ভেজে পরিমাণমতো পানি(Water) দিয়ে ফুটে উঠলে রান্না করা মাংস দিয়ে রান্না করে দমে রাখতে হবে।

শীত আসার আগে এইসব খেয়াল রাখুন

1 comment


শীত(Winter) কড়া নাড়ছে। দিনে গরম থাকলেও রাতের দিকে শীত তার আগমনী বার্তা দিচ্ছে। এই সময় ত্বকের সমস্যা(Skin problem) থেকে শুরু করে নানা ধরনের অসুখ বাঁধার ভয় থাকে। শীত আসার আগেই শীত মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হয়। কারণ শীতের দিনগুলো বছরের অন্যান্য সময়ের মতো নয়। এসময় শীতের পোশাক, কাঁথা-কম্বল থেকে শুরু করে ত্বকের পরিচর্যার উপাদান- দরকার পড়ে অনেককিছুর। এক নজরে দেখে নিন শীতের আগে কোন প্রস্তুতিগুলো নিয়ে রাখবেন-শীত

প্রসাধনী সামগ্রী কিনে রাখুন

শীত আসার আগেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করে আমাদের ত্বকে। চামড়ার উপরিভাগ ফেটে যায়, ফাটে ঠোঁটও। এসময় ত্বকে রুক্ষভাব দেখা দেয়। তাই ত্বক ভালো রাখতে শীতের আগে বিভিন্ন প্রসাধনী(Cosmetic) সামগ্রী কিনে রাখা দরকার। ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম, স্নো, পেট্রোলিয়াম জেলি, অলিভ অয়েল, বডি লোশন, লিপজেল, গ্লিসারিন(Glycerin), গোলাপজল ইত্যাদি কিনে হাতের কাছে রাখুন।


অসুখ থাকুক দূরে

শীত এলে তার হাত ধরে আসে নানা অসুখ। এসময় ঠান্ডাজনিত জ্বর(Fever), নাক দিয়ে পানি পড়া, সর্দি-কাশি দেখা দিতে পারে। এসব অসুখ থেকে দূরে থাকার জন্য নিতে হবে প্রস্তুতি। এসম তরল ও গরম জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। প্রতিদিন চা, হালকা গরম পানি, আদা, লেবু, মধু(Honey) ইত্যাদি রাখবেন খাবারের তালিকায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও এককোয়া রসুন(Garlic) মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। এসময় ঠান্ডা পানিতে গোসল করলেও ঠান্ডাজনিত নানা অসুখ দেখা দিতে পারে। তাই গোসলের পানি হালকা গরম থাকাই ভালো।


ঘর পরিষ্কার

শীতের সময় ধুলোবালির পরিমাণ অনেকটা বেড়ে যায়। এসময় শুষ্ক আবহাওয়া এর বড় কারণ। এই ধুলোবালির কারণে বাড়িঘর অপরিষ্কার হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, ধুলোবালির মাধ্যমে জীবাণু(Germ) ছড়িয়ে দেখা দিতে পারে অসুখও। তাই এসময় বাড়িঘর পরিষ্কার রাখাও সমান জরুরি। ধুলোবালি পরিষ্কারের জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার(Vacuum cleaner) ব্যবহার করতে পারেন। জানালা ও দরজায় ভারী পর্দা লাগাতে পারেন তাতে ঘরে ধুলোবালি কম প্রবেশ করবে। বাড়ির মেঝে, আসবাব, কার্পেট সব নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.

শীতের পোশাক

শীতের প্রস্তুতির একটি বড় অংশ হলো শীতের পোশাক পরিষ্কার করা। কারণ সারা বছর ব্যবহার না করার কারণে তাতে নানা ধরনের জীবাণু(Germs) জন্ম নিতে পারে। তাই শীত শেষে গুছিয়ে রাখার সময় ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখলেও শীতের শুরুতে আরেকবার ধুয়ে নিন। যেহেতু শীতের শুরু কদিন পরেই তাই এখনই তুলে রাখা শীতের পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন। প্রয়োজন হলে শীতের পোশাক যেমন সোয়েটার, কার্ডিগান, জ্যাকেট(Jacket), স্যুট, প্যান্ট, মাফলার, মোজা, কানটুপি ইত্যাদি কিনে রাখুন।

শীতকালে আমলকীর জুশ খাওয়ার উপকারিতা কি কি?


আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়টায় নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। এ কারণে রোগ প্রতিরোধের দিকে সবার নজর দেওয়া উচিত। সে জন্য খাবার-দাবারে যত্ন নিতে হবে। শীতকালে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি(Vegetable) মেলে বাজারে। এগুলো থেকে অনায়াসে আপনি মিটিয়ে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের অনেকটাই। এর পাশাপাশি মেন্যুতে থাকতে পারে বিভিন্ন ফল ও ফলের জুস(Fruit juice)।আমলকীর জুস

Muktohasi.com Was Publish all This Topic Related Article. Wet Loss Ideas,Make u Shine Tips,Health tips,bd Health tips,Health ministry bd,Daily health tips,Health hotline bd,Baby health tips,হেলথ,Health tips bangla,dg health bd,department of health bd,Mental health tips and More Beauty Tips.


এমনই একটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সুপারফুড হচ্ছে আমলকী। এটি আপনার শরীরে পুষ্টি(Nutrition) সরবরাহের পাশাপাশি বৃদ্ধি করবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(Immunity)। জানুন শীতকালে আমলকীর জুস খাবেন যে ৫ কারণে—

১. রোগ প্রতিরোধে

আমলকী ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি শরীরের ভেতর থেকে ডিটক্স(Detox) করতে সাহায্য করে। এটি মৌসুমি ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

২. ত্বকের পুষ্টি পূরণ

আমলকীতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট(Antioxidant) রক্তকে বিশুদ্ধ করে দাগমুক্ত ও ত্বকে পুষ্টি পেতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আমলকীতে বার্ধক্যবিরোধী বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এ কারণে এটিকে শীতকালীন খাদ্যতালিকায় রেখে ত্বকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারেন।

৩. ওজন কমাতে

শীতকাল প্রচুর সুস্বাদু খাবার মেলে। আর এগুলো খেলে অনেকেরই ওজন(Weight) বেড়ে যায়। কিন্তু আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় আমলকী জুস রাখলে এতে থাকা ডিটক্স আপনার ওজন(Weight) কমানোর জন্য উপকারী হতে পারে।

৪. হজম শক্তি বাড়ায়

শীতকালে হওয়া আরেকটি সমস্যা হচ্ছে বদহজম। এমন পরিস্থিতিতে আমলকী হজমশক্তি(Digestion) বৃদ্ধি করে ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো করতে সহায়তা করতে পারে।

৫. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

আমলকী ক্রোমিয়ামের অনেক ভালো একটি সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় তা আমাদের শরীরকে ইনস্যুলিনের প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে। এ কারণে আমলকী ডায়াবেটিস(Diabetes) রোগীদের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে থাকে।

কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি Kacchi Biriyani Recipe Bangla

1 comment

কোরবানির ঈদের পর সবার ঘরেই কমবেশী মাংস(Meat) থাকে। পরিবারের প্রিয়জনদের জন্য ঘরেই তৈরি করতে পারেন মজাদার কাচ্চি বিরিয়ানি।

d


কাচ্চি বিরিয়ানি(Biryani) যেভাবে তৈরি করবেন-

মাংস মেরিনেট করার জন্য যা লাগবে
খাসির আস্ত রানের অংশ, লবণ ১ টেবিল চামচ, আদা(Ginger) বাটা ২ টেবিল চামচ, রসুন(Garlic) বাটা দেড় টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ, দারুচিনি গুঁড়া(Cinnamon powder) ১ চা চামচ, জয়ফল গুঁড়া হাফ চা চামচ, জয়ত্রী গুঁড়া হাফ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, দুধ(Milk) হাফ কাপ, জাফরান ১ চিমটি, টকদই এক কাপ ও লবণ(লবণ ) ১ চা চামচ।

বিরিয়ানির ভাত রান্নার জন্য
বাসমতি চাল ১ কেজি, তেজপাতা(Bay leaf) ২টি, লবঙ্গ ১ চা চামচ, দারুচিনি(Cinnamon) ২টি, এলাচ ৫-৬টি ও লবণ স্বাদমতো।

বিরিয়ানির লেয়ারের জন্য
কাবাবচিনি ১ চা চামচ, শাহি জিরা হাফ চা চামচ, কাঠবাদামের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, কিশমিশ(Raisin) হাফ টেবিল চামচ, কেওড়ার জল(Kewra water) ১ টেবিল চামচ, বেরেস্তা ১ কাপ, ঘি/বাটার/তেল ২ টেবিল চামচ, আলু ৪-৫ টুকরা, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, কালো এলাচ ২টি, আলু বোখরা ৫-৬টি ও ডো করা আটা/ময়দা।

যেভাবে করবেন
খাসির মাংস মেরিনেট করার জন্য ভালোমতো ধুয়ে নিন। আরেকটি বড় পাত্রে পানি(Water) নিয়ে তাতে লবণ দিন। এ লবণপানিতে মাংস ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এতে মাংস(Meat) নরম হবে এবং লবণ ভেতরে ভালোমতো ঢুকবে।

১ ঘণ্টা পর মাংস তুলে নিয়ে কিচেন তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি(Water) যেটুকু থাকে নিংড়ে নিন।

এখন মাংস একে একে আদা, রসুন, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া, এলাচ গুঁড়া(Cardamom powder), দারুচিনি গুঁড়া, জয়ফল গুঁড়া, জয়ত্রী গুঁড়া ও মরিচগুঁড়া দিয়ে দিন। এর পর ঘি, দুধ, জাফরান, টক দই(Sour yogurt) ও লবণ দিন। মাখিয়ে ফেলুন সব কিছু একসঙ্গে এবং মেরিনেট করুন ২/৩ ঘণ্টার জন্য।

এবার যেই পাত্রে বিরিয়ানি(Biryani) রান্না হবে, সেই পাত্রে মাংস নিয়ে নিন। একে একে তেজপাতা, লবঙ্গ, দারুচিনি, এলাচ, লবণ, কাবাবচিনি, শাহি জিরা(Shahi cumin), কাঠবাদামের গুঁড়া ও কিশমিশ দিয়ে দিন। এখন আলু ও মরিচ দিয়ে দিন। আলু(Potato) আগেই সামান্য লবণ ও হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে নিতে হবে।

বিরিয়ানির ভাত তৈরি করতে অন্য একটি পাত্রে এবার পরিমাণমতো পানি নিয়ে এতে দারুচিনি(Cinnamon), লবঙ্গ ও তেজপাতা দিয়ে দিন। এখন বাসমতি চাল দিয়ে দিন সঙ্গে লবণও দিয়ে দিন।

এর পর ভাতটা নামিয়ে নিন। যেই পাত্রে মাংস(Meat) রাখা হয়েছে এখন তার ওপর গরম বাসমতি ভাতটা বিছিয়ে দিন। এর ওপর একে একে ৩ টেবিল চামচ ঘি, কেওড়ার জল, তরল দুধ, কাঁচামরিচ, আলু বোখরা ও জাফরান(Saffron) দিয়ে ঢেকে দিন।

এবার আগেই তৈরি করে রাখা ডো দিয়ে পাত্রের চারদিক আটকে দিন। কোনো দিক যেন খোলা না থাকে। প্রথম ১০ মিনিট একটু বেশি আঁচে এবং পরবর্তী ৩০-৪০ মিনিট কম আঁচে চুলায় রাখুন।

১ম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই কি ২য় বিয়ে করা যাবে?

2 comments


প্রথম স্ত্রীর (Wife) অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে ও তার ভরণপোষণ না দেয়া

একটি ফৌজদারি অপরাধ। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৬ ধারামতে, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি পরিষদের কাছে অনুমতি না নিলে বিয়ে নিবন্ধন হবে না। আর তাই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে অবৈধ বলে গণ্য হবে।

উত্তর: বাংলাদেশী আইনে অনুমতি নিতে হবে। না নিলে প্রথম স্ত্রী মামলা করলে জেল হয়ে যাবে। ইসলামী আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন পড়ে না। তবে, বিয়ের সময় এমন শর্ত থাকলে অনুমতির প্রয়োজন পড়ে। দ্বিতীয় বিয়ে করার ইসলামী শর্ত বেশ কঠিন। দেশীয় আইনের চেয়েও এসব শর্ত অনেক ক্ষেত্রে বেশী কড়া। আগের স্ত্রীর সব ধরনের হক আদায়ের পর নতুন বিয়ের পরেও সমান তালে সব অধিকার পালন করার আত্মবিশ্বাস থাকলেই কেবল যৌক্তিক কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করা যায়। আল্লাহতায়ালা বলেন, একাধিক বিয়ের সুবিধা যাদের আছে, তারা যদি সম অধিকার বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভীত হও, তাহলে এক বিয়ে পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাক।


উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

পুরুষদের জন্য আসছে মে' য়ে রোবট মিটবে মি'লন চাহিদা


অবিবাহিত পুরুষদের বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়ে ভবিষ্যতে আর আসল মানুষকে বিয়ে করার প্রয়োজন হবে না তবে 

চীন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সোহুর দাবি, এই এআই ওয়াইফ রোবট উদ্ভাবনে ভবিষ্যতে আর আসল মানুষকে বিয়ে করার প্রয়োজন হবে না। তবে রোবটটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম এখনও জানানো হয়নি।


চীনা গবেষকদের তৈরী এই রোবটের মুখ ও অভিব্যক্তি হবে সত্যিকারের নারীর মতো। এমনকি তার ত্বকের তাপমাত্রাও হবে সাধারণ মানুষের মতোই। তবে এই এআই ওয়াইফ মূলত সে;ক্স রোবট হলেও ঘরের নিত্যদিনের সব কাজের

পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। ভবিষ্যতে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করা হবে এই রোবট যার জন্য ক্রেতাদের গুনতে হবে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন ডলার বা আড়াই লাখ বাংলাদেশি টাকা।


বেইজিংয়ে অবস্থিত ক্যাপিটাল নরমাল ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন অধ্যাপক লি ইউয়ানহুয়া জানান, চীনে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ এক-সন্তান নীতি।


চীনে বর্তমানে প্রতি ১০০ নারীর জন্য রয়েছে ১০৪.৬৪ জন পুরুষ। এ কারণে অনেক পুরুষ বিয়ে করার জন্য কাউকে খুঁজে পাচ্ছেন না। প্রায় ৬০ লাখ অবিবাহিত পুরুষ সম্মুখিন হচ্ছেন এই সমস্যার।

পাশাপাশি দেশটির অবিবাহিত পুরুষদের বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়ে চাইনিজ একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সেস জানায়, ২০২১ সাল নাগাদ চীনে ২৬ মিলিয়ন সিঙ্গেল পুরুষ থাকবে, যারা বিয়ে করার জন্য মেয়ে পাবে না। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই রোবট ওয়াইফ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


তবে অবিবাহিত পুরুষদের সমস্যা সমাধানের জন্য নির্মিত রোবট ওয়াইফ নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে স;মালো;চনার ঝ;ড়। অনেকেই মনে করছেন এই রোবট তৈরির পেছনে চীন সরকারের অসাধু উদ্দেশ্য থাকতে পারে।


এ বিষয়ে চীনা পর্যবেক্ষক গু হে নিজের মতামত জানিয়ে বলেন, এই রোবট একজন মানুষের ঘরের ভেতরের ছবি, ভিডিও, এমনকি কথোপকথন রেকর্ড করতে পারে এবং গুপ্তচরের কাজ করতে পারে। আবার অনেকের এমন রোবট মানব জাতির বিলুপ্তির কারণও হয়ে উঠতে পারে।

(সংগৃহীত নিউজ)

এই জিনিস টা দেখলেই বুঝবেন মেয়েটি কিরকম?

 

একটি অঙ্গে অনেক কথা বলে দেয়। তাই তো মুখের আর এক নাম মনের দর্পণ | বিশেষজ্ঞরা বলেন মানুষের মুখের কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে বোঝা যায় চরিত্র।

তেমনি জানুন মেয়েদের মুখের কিছু বৈশিষ্ট যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন তাদের ভবিষত সম্পর্কে। Fact of Girls.

1। যাঁদের মুখ লম্বার তুলনায় কম চওড়া তাঁরা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আবার যাঁদের মুখ লম্বার তুলনায় বেশি চওড়া তাঁরা জন্মগতভাবেই আত্মবিশ্বাসী।


2। চোখের উপরে থাকে ভ্রূ। কিন্তু যে মেয়ের ভ্রূ চোখ থেকে যত উপরে তার আত্মকেন্দ্রিকতা তত বেশি। সে ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দকে বেশি গুরুত্ব দেয়।


3। যে মেয়ের চোখের পাতা যত মোটা ও কোঁকড়ানো, তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা তত বেশি। যাঁদের চোখের পাতায় কোনও ভাঁজ নেই, তাঁরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন।


4। চোখের মণির রং বলে দেয় অনেক কিছু। যাঁর মণির রং যত গাঢ় তাঁর মনের গভীরতা তত বেশি। তাঁর আকর্ষণ ক্ষমতাও তত বেশি।

যেসব ছেলেদের পিছনে বেশি মেয়েরা ঘুরে! কিন্তু কেন?


প্রেমে আপনি পড়েছেন নাকি প্রেম আপনার উপর পড়েছে এই যুক্তি তর্কে হেরেছেন অনেকেই। তবে প্রেমে পড়েননি এমন মানুষ নেই

বললেই চলে। গবেষণা বলছে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা নাকি একটু বেশিই প্রেমে পড়েন। সেই প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা সেটা সুধুই সময়ের অপেক্ষা। তবে লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট বলতে যে ব্যাপারটি রয়েছে তা নারী পুরুষ যে কারো ক্ষেত্রেই হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের দাবি তিন

ধরনের পুরুষের প্রেমে প্রায় সব নারীরাই পড়েন। অর্থাৎ নারীরা এই তিন ধরনের পুরুষদের সঙ্গী হিসেবে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। শুধু ভালো চাকরি, গাড়ি-বাড়ি, দেখতে সুন্দর হলেই নারীর মন পাওয়া যাবে না। থাকতে হবে আরো কিছু গুণ।

চলুন জেনে নেয়া যাক কোন ধরনের পুরুষের প্রেমে পড়েন নারীরা-

1. যেসব ছেলেরা মেয়েদের একটু বেশি আদর যত্নে রাখে প্যাম্পার করে এমন ছেলেদেরও কিন্তু মেয়েরা পছন্দ করে। স্ত্রীর সব ব্যাপারে খেয়াল রাখেন। ছোট ছোট সারপ্রাইজ দেন সঙ্গীকে। এতে করে আপনার সঙ্গীর মন জয় করতে পারবেন সহজেই।

2. এরপর যারা মেয়েটির কোনো ভালো কাজ মনে রেখেছেন এবং সেই কাজের সূত্র ধরে তার প্রশংসা করেন, এমন ছেলেরাও রয়েছেন মেয়েদের পছন্দের তালিকায়।

3. কিছু পুরুষ আছেন তার নারী সঙ্গীর সব ব্যাপারেই খেয়াল রাখেন। যাদের কাছে তাদের আবেগ, অনুভূতি ও আত্মীয় সর্বাধিক গুরুত্ব পান। আর এই রকম ছেলেরাও কিন্তু মেয়েদের পছন্দের তালিকায় ভালো স্থানেই রয়েছে। এরা পরিবার এবং স্ত্রী সবাইকেই মানিয়ে নিয়ে একসঙ্গে মিলেমিশে রাখতে পারেন।

সবসময় মোবাইল ল্যাপটপ দেখলে কি ক্ষতি হয় জানেন?


দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে চোখ জ্বালা চোখে অস্বস্তি চোখ লাল হওয়া ভারী ভাব ঝাপসা দেখা কপাল-ঘাড়-পিঠ ও

মাথাব্যথার সমস্যা হতে পারে। তবে এখন প্রশ্ন হলো– এসব ব্যবহারের পরও কীভাবে চোখ ভালো রাখবেন ও বিভিন্ন শরীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন? এ বিষয়ে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. নুজহাত চৌধুরী। তিনি বলেন কিছু
নিয়ম মেনে চললে চোখ জ্বালা চোখে অস্বস্তি চোখ লাল হওয়া ভারী ভাব ঝাপসা দেখার সমস্যা দূর হবে।

আসুন জেনে নিই কী করবেন-

১. কম্পিউটারে কাজের মাঝে মাঝে চোখে পানির ঝাপটা দিন। ৩০-৪৫ মিনিট কাজ করার পর ৫-১০ মিনিটের বিরতি নিন। এক গ্লাস পানি পান করুন।
২. মনিটর কমপক্ষে ২২ ইঞ্চি দূরে রেখে কাজ করুন। ঘরের আলোর উজ্জ্বলতা যেন মনিটর থেকে একটু কম থাকে।
৩. এক-আধা ঘণ্টা পর পর হাত দিয়ে চোখ দুটো চেপে ধরে রাখুন ২-৩ মিনিট। মাঝে মাঝে চোখেমুখে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন ও কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ রাখুন।
৪. ঘুমের দু-ঘণ্টা আগে টিভি, ল্যাপটপ মোবাইল বন্ধ করে দিন।
৫. চোখের বিশ্রামের নিয়ম মেনেও সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চোখের ড্রপ দিন।

এগুলো বিয়ের নামে লিভ-ইন সম্পর্ক নাকি পর'কিয়া? বিস্তারিত জানুন

1 comment

কিভাবে এই চুক্তিভিত্তিক নামমাত্র বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে আর শর্তহীন এই বিয়ে লিভ-ইন বা পরকীয়ার মতো সম্পর্কে জড়াচ্ছে... 

ক্রমেই চুক্তিভিত্তিক নামমাত্র বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে সৌদি আরবে। শর্তহীন এই বিয়ে সৌদি সমাজে মিসইয়ার নামে পরিচিত। তবে এই বিয়ে নিয়ে চিন্তিত সৌদির ধর্মীয় ব্যক্তিরা। তাদের অভিযোগ মিসইয়ার-এর মাধ্যমে আদতে উচ্ছৃঙ্খলতাকেই বৈধতা দান করা হচ্ছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী বিয়ের আগে সহবাস অবৈধ। তবে এই মিসইয়ারের আড়ালে সৌদি ব্যক্তিরা লিভ-ইন বা পরকীয়ার মতো সম্পর্কে জড়াচ্ছে। 

এর জন্য বিশেষ ম্যাচ-মেকিং সাইট বা গ্রুপও আছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। প্রাথমিকভাবে সৌদি সুন্নিদের মধ্যে মিসইয়ার প্রচলন বেশি ছিল।মিসইয়ার অনুযায়ী মুসলিম বিয়ের রীতি মেনে বিয়ে করা যায়। যেকোনো সময় একে অন্যকে ছেড়ে যেতে পারবেন। তবে এই পুরো বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সৌদি এই বিষয়ে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছে যে বহুবিবাহে আগ্রহীদের জন্যই মিসইয়ার ব্যবস্থা মানানসয়ী।

এদিকে নারীরাও এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরুষতান্ত্রিক নানা জটিলতা থেকে দূরে থাকতে পারেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই বিয়েগুলোর মেয়াদ ১৪ থেকে ৬০ দিন হয়। যারা বিয়ের পর স্ত্রীর সম্পূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে নিতে চান না, তারাই এ ধরনের বিয়েতে বেশি উৎসাহী।

বহুগামী নারী-পুরুষ দ্বিতীয় সংসারের ভার বহন করে বেড়ানোর চাপ এড়িয়ে এই ধরনের সম্পর্কের সুবিধা উপভোগ করে থাকেন। বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা নারীদের মধ্যে এই বিয়ে বেশ জনপ্রিয় বলে জানা গেছে। কার্যত লিভ-ইনের মতো এই সম্পর্ককে হালাল বলে দাবি করেন এক সৌদি কর্মকর্তা।

৪০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা নিজে মিসইয়ার বন্ধনে আবদ্ধ বলেও জানান। রিয়াদের বাড়িতে তার এক মিসইয়ার স্ত্রী রয়েছেন। তাছাড়া সাধারণ বিয়েও করেছেন তিনি। সেই স্ত্রীর তিন সন্তান রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, তার এক বন্ধুর এরকম ১১ জন গোপন স্ত্রী রয়েছে।

এদিকে সৌদিতে বসাবসরত এক মিসরীয় এই বিষয়ে বলেন, এই বিয়ে খুবই সস্তা। কোনও পণ লাগে না। কোনও বিধি-নিষেধ নেই। মহামারি শুরু হওয়ার পর আমি আমার স্ত্রী ও ৫ বছর বয়সী ছেলেকে কায়ারোতে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। এরপরই আমি মিসইয়ারের সন্ধানে নামি।ite,

কুরবানি নিয়ে ১০টি তথ্য অবশ্যই জানা দরকার

1 comment

 


কুরবানি সংক্রান্ত ১০টি প্রশ্নোত্তর:

(দূর হোক সংশয়)

কুরবানির পশু ক্রয়ের সময় সীমা:

১ প্রশ্ন: কুরবানির চাঁদ ওঠার আগেই কুরবানির পশু কেনা যাবে কি না?

উত্তর: কুরবানির পশু কেনার সাথে জিলহজ মাসের চাঁদ উঠার কোন সম্পর্ক নাই। আপনি সারা বছর ধরে কুরবানির পশু প্রতিপালন করতে পারেন বা চাঁদ উঠার আগে যে কোন মাসে তা ক্রয় করতে পারেন।

অনুরূপভাবে কোন কারণে যদি ইতোপূর্বে কুরবানির পশু ক্রয় করা সম্ভব না হয় তাহলে যদি ঈদের দিন অথবা তার পরের দিন অথবা তার পরের তিন..এভাবে জিলহজ মাসের ১৩ তারিখের সূর্য ডোবার কিছুক্ষণ পূর্বেও যদি পশু ক্রয় করে জবেহ করতে পারেন তাহলেও কুরবানি সহিহ হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ, কুরবানির দিন ছাড়াও আইয়ামে তাশরিক তথা জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও (অধিক বিশুদ্ধ মতে) ১৩ তারিখের সূর্য ডোবা পর্যন্ত যে কোন সময় কুরবানি করা বৈধ। তবে সর্বোত্তম সময় হল, কুরবানির দিন ঈদের সালাতের পর কুরবানি করা।

উল্লেখ্য যে, জিলহজের ১৩ তারিখের সূর্য ডোবার পূর্বে কুরবানির পশু জবেহ করা সম্ভব হলে কুরবানি সহিহ হবে। অন্যথায় কুরবানি নয় বরং তা সাধারণ গোশত খাওয়ার জন্য জবেহকৃত পশু হিসেবে গণ্য হবে।

কুরবানির পশু বিক্রয় করা:

২ প্রশ্ন: কুরবানির পশু কি বিক্রয় করা জায়েজ আছে?

উত্তর: কুরবানির উদ্দেশ্যে গরু-ছাগল ইত্যাদি ক্রয় করা পর যদি তার পরিবর্তে এমন আরেকটি পশু কুরবানি করার নিয়ত করা হয় যা আগেরটার চেয়ে মোটা-তাজা, দামী ও ভালো তাহলে তাতে কোন সমস্যা নাই। অন্যথায় তা বিক্রয় করা জায়েজ নাই।

قال شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله

ويجوز أن يُبْدِل الأضحية إذا أوْجَبَها بِخَيرٍ منها . اهـ

ঈদুল আজহার দিন গোশত ক্রয় বা শুধু গোশত খাওয়ার জন্য অন্য পশু জবেহ করা:

৩ প্রশ্ন: ঈদুল আজহার দিন গোশত ক্রয় করার ব্যাপারে ইসলাম কী বলে?

উত্তর: ঈদুল আযহার দিন প্রয়োজনবোধে গোশত ক্রয় করা, বিক্রয় করা, কেবল খাওয়ার খাওয়ার উদ্দেশ্যে হাস, মুরগি বা অন্য কোন হালাল প্রাণী জবেহ করায় কোন আপত্তি নাই। কারণ ইসলামে এমন কোন নিষেধাজ্ঞা আসে নি।

উল্লেখ্য যে, কুরবানির গোশত বিক্রয় করা জায়েজ নাই।

অভাবী মানুষ যদি তার সংগৃহীত কুরবানির গোশত বিক্রয় করতে চায়…

৪ প্রশ্ন: কোন অভাবী ব্যক্তি বিভিন্ন জনের কাছ থেকে কুরবানির মাংস সংগ্রহ করে যদি টাকার অভাবে সে মাংস বিক্রয় করতে চায় তাহলে তা জায়েজ কি না বা তার নিকট থেকে গোশত ক্রয় করা জায়েজ আছে কি না?

উত্তর: অভাবী মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত কুরবানির গোশত যদি বিক্রয় করে তাতে কোন আপত্তি নাই। কারণ এ গোশতগুলো তার নিজস্ব কুরবানির গোশত নয়। অন্যের নিকট থেকে যা পেয়েছে সেগুলো এখন সে যা খুশি করতে পারে। ইচ্ছা করলে নিজে খেতে পারে আর যদি প্রয়োজন মনে বিক্রয়ও করতে পারে। তাতে কোন আপত্তি নাই। অনুরূপভাবে কেউ যদি সেগুলো ক্রয় কর চায় তাহলে ক্রয় করতেও কোন আপত্তি নাই।

কুরবানির গাভী দোহন করে দুধ পান করা:

৫প্রশ্ন: কুরবানির গাভী দোহন করে দুধ খাওয়া যাবে কি না?

উত্তর: কুরবানি দেয়ার নিয়ত করা হয়েছে এমন গাভীর যদি দুধ হয় তাহলে তা দোহন করে পান করতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোন বাধা নেই। কেননা, হাদিসে এমন কোন নিষেধাজ্ঞা আসে নি।

শ্বশুর বাড়ি থেকে উপহার দেয়া খাসি দিয়ে কুরবানি করা:

৬ প্রশ্ন: শ্বশুর বাড়ি থেকে উপহার দেয়া খাসি দিয়ে কুরবানি দেওয়া কি জায়েজ?

উত্তর: যদি শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাইকে স্বেচ্ছায় উপহার হিসেবে কুরবানির খাসি দান করা হয় তাহলে তা দ্বারা কুরবানি করতে কোন বাধা নেই। কিন্তু যদি জামাই চাপ দিয়ে বা জোর করে তা আদায় করে তাহলে এটা দ্বারা কুরবানি করা বৈধ হবে নয়। কারণ তা হারাম ভাবে উপার্জিত।

দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, বর্তমানে আমাদের সমাজের কোন কোন অঞ্চলে ঈদ, কুরবানি ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে সামাজিক কু প্রথার অংশ হিসেবে শ্বশুর বাড়ি থেকে একপ্রকার জোর করে পোশাকআশাক, চাল, ডাল, মাছ, হাঁস, মুরগি, ফল-ফলাদি, কুরবানির খাসি সহ প্রায় সব কিছু আদায় করা হয়। এটা নি:সন্দেহে হারাম। শ্বশুর বাড়িতে চাপ প্রয়োগ করে বা তাদেরকে বাধ্য করে এমনটি করা হলে তা হারাম ও গুনাহের কাজ বলে পরিগণিত হবে। সুতরাং কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত এই কু প্রথার বিরুদ্ধে সমাজ সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। আল্লাহ ক্ষমা করুন। আমিন।

ধূমপায়ী ও নেশাখোর ব্যক্তির কুরবানি:

৭ প্রশ্ন: ধূমপান করে এবং নেশা করে এমন ব্যক্তির কি কুরবানি সহিহ হবে?

উত্তর: বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, গুল, সীসা, হুঁকো ইত্যাদি গ্রহণ করা হারাম। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও নিকৃষ্ট বস্তু। তা এগুলো বর্জন করে আল্লাহর নিকট তওবা করা জরুরি।

তবে যে ব্যক্তি এগুলো গ্রহণ করে সে যদি তার হালাল পন্থায় উপার্জিত সম্পদ দ্বারা কুরবানি করে তাহলে ইনশাআল্লাহ কুরবানি শুদ্ধ হবে।

যারা নিজেরা কুরবানি দিয়েছে তাদেরকে কুরবানির গোশত উপহার দেয়া:

৮ প্রশ্ন: ধনী প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের মধ্যে যারা কুরবানি করেছে তাদেরকে কুরবানির মাংস হাদিয়া দেওয়া যাবে? আর তাদের না দিলে গরিব প্রতিবেশী এবং ফকির মিসকিন দের একটু বেশি করে দেওয়া যায়।

উত্তর: কুরবানির গোস্ত ধনী-গরিব যে কাউকে উপহার হিসেবে দেয়া যায়। এতে পারস্পারিক ভালবাসা ও হৃদ্যতা সৃষ্টি হয় এবং গরিব মানুষে মুখে হাসি ফোটে। এভাবে সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া হয়, চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে ভালবাসা, মানবিকতা ও সহমর্মিতার সৌরভ।

তবে ধনীদেরকে-যারা কুরবানি দিয়েছে-তাদেরকে না দিয়ে যদি গরিব মানুষ-যারা কুরবানি দিতে পারে নি-তাদেরকে বেশি করে দেন তাহলেও কোন আপত্তি নাই।

মোটকথা, কাকে দিলে বেশি ভালো হয় তা আপনার এলাকার গরিব মানুষের সার্বিক অবস্থা এবং পরিবেশ-পরিস্থিতির বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।

হারাম উপার্জনকারী ও পাপাচারে জড়িত ব্যক্তির সাথে ভাগে কুরবানি করা:

৯ প্রশ্ন: হারাম উপার্জনকারী ও পাপাচারে জড়িত ব্যক্তির সাথে ভাগে কুরবানি দিলে কি অন্যান্য ভাগীদারদের কুরবানি বাতিল হয়ে যাবে?

উত্তর: ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনেশুনে বেনামাজি, হারাম ইনকাম কারী এবং প্রকাশ্য পাপাচারে লিপ্ত ব্যক্তিদের সাথে উট-গরুতে ভাগে কুরবানি দেয়া উচিৎ নয়। কেনান এতে তাকে হারাম অর্থ খরচে সহযোগিতা করা হয়। তাই দ্বীনদার ও ভালো লোক-যাদের আয়-ইনকাম হালাল তাদের সাথে ভাগে কুরবানি দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। তবে যদি অজানা বশত: সাত জনের মধ্যে এমন কেউ থাকে অথবা বিশেষ পরিস্থিতিতে এমন ব্যক্তিকে ভাগে নেয়ার প্রয়োজন হয় যার অর্থ সম্পূর্ণ হালাল নয় (হালাল-হারামের সংমিশ্রণ আছে) তাহলে এটি অন্যান্য ভাগীদারদের উপরে প্রভাব ফেলবে না ইনশাআল্লাহ। কেননা একজনের দায়-দায়িত্ব অন্যজন বহন করবে না। প্রত্যেকেই আল্লাহর নিকট নিজ নিজ কর্মের হিসাব দেবে এবং প্রত্যেকেই তার নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহর কাছে সওয়াব পাবে। আল্লাহু আলাম।

কুরবানি করার কি কোন ফযিলত নেই?

১০ এক আলেমের মুখে শুনেছি যে, কুরবানির ফযিলত সংক্রান্ত হাদিসগুলো সহিহ নয়। তাহলে কি কুরবানি করার কোন ফযিলত নেই?

উত্তর: হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন, “কুরবানি করার ফযিলতে অনেকগুলো হাদিস বর্ণিত হয়েছে। সেগুলোর একটিও বিশুদ্ধ সনদে প্রমাণিত হয়নি বরং তার সবগুলোই জঈফ (দুর্বল) অথবা মউযূ (জাল)। (ফাতহুল বারী)

মালিকী মাজহাবের বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ইমাম ইবনুল আরবি রহ. বলেন,

ليس في فضل الأضحية حديث صحيح وقد روى الناس فيها عجائب لم تصح منها :إنها مطاياكم إلى الجنة – (عارضة الأحوذي شرح جامع الترمذي 6/288)

“কুরবানির ফযিলতে একটিও সহিহ হাদিস নেই। তবে মানুষ এ সম্পর্কে অনেক আজগুবি হাদিস বর্ণনা করেছে যা মোটেও সহিহ নয়। সে সব আজগুবি হাদিসের মধ্যে অন্যতম হল এই কথাটি:

((إنها مطاياكم إلى الجنة))

“উহা তোমাদের জান্নাতে যাওয়ার বাহন স্বরূপ।”(দ্রষ্টব্য: তিরমিযীর ব্যাখ্যা গ্রন্থ আরেযাতুল আহওয়াযী ৬/২৮৮)

তবে কুরবানি করার বিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা সু প্রমাণিত। এটি নি:সন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সুতরাং কুরবানি করলে আল্লাহ খুশি হবেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি সুন্নাহ বাস্তবায়ন করা হবে, এতে নেকির পাল্লা ভারী হবে, আল্লার পথে খরচ ও দান-সদকার সাওয়াব হবে, কুরবানির গোস্ত দ্বারা যত মানুষ উপকৃত হবে তাদের কারণে নেকি পাওয়া যাবে ইত্যাদি ইনশাআল্লাহ।

তবে কুরবানির পশুর লোম সমপরিমাণ নেকি হবে, কুরবানির পীঠে চড়ে পুলসিরাত পার হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করা যাবে, কুরবানির রক্ত, মাংস, শিং, লোম ইত্যাদিকে নেকিতে পরিণত করে কিয়ামত দিবসে আমলের দাঁড়িপাল্লায় মাপা হবে, কুরবানির খুন মাটিতে পড়ার আগে কুরবানি দাতাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে….এসব কথা যে সব হাদিসে বলা হয়েছে মুহাদ্দিসদের দৃষ্টিতে সনদের বিচারে সেগুলো সহিহ নয়।

[বি:দ্র: ফেসবুকে প্রশ্নকারীদের পক্ষ থেকে কুরবানি সংক্রান্ত ছোট ছোট দশটি প্রশ্ন বাছায় করে এখানে অতি সংক্ষেপে সেগুলোর উত্তর দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দলিল-প্রমাণ পেশ করা হয় নি। সুতরাং উপরোক্ত বিষয়ে কারো সংশয় থাকলে দয়া করে উত্তর দাতার সাথে যোগাযোগ করুন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান]

© All Rights Reserved
Made with Forhad Elahe