HOT

6/recent/ticker-posts

পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তপাত হলে আপনার করণীয়

👉 See More/আরো পড়ুন

পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তপাত হলে আপনার করণীয়। পিরিয়ডের সময় অনেক নারীই অতিরিক্ত রক্তপাতের(Bleeding) সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু তারা এটা স্বাভাবিক ধরে নেন। কারণ কী পরিমাণ রক্তপাত হলে তাকে অতিরিক্ত ধরা হবে, তার নির্দিষ্ট সংজ্ঞা জানা নেই অনেকেরই। প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর পিরিয়ডের সময়কার রক্তপাতের(Bleeding) পরিমাণ আলাদা হয়। তবে গড় হিসাব করলে একটি ঋতুচক্র মোটামুটিভাবে দিন পাঁচেক স্থায়ী হওয়ার কথা। মোট রক্তপাতের পরিমাণ ২-৩ টেবিল চামচের বেশি হওয়ার কথা হয়।

পিরিয়ডে অতিরিক্ত রক্তপাত

যদি দেখেন যে প্রতিবার প্রায় সাতদিন স্থায়ী হচ্ছে ঋতুকাল, একবার ঋতুস্রাব(Menstruation) বন্ধ হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আবার শুরু হয়ে যাচ্ছে, প্রতি ঘণ্টায় প্যাড(Pad) বা ট্যাম্পন পালটাতে হচ্ছে, রক্তের চাকা বেরোচ্ছে প্রায়ই, রাতে ঘুমের মাঝে উঠে দেখছেন যে প্যাড ভিজে গিয়ে জামাকাপড় বা বিছানায় দাগ ধরছে, তা হলে বুঝে নিন যে আপনার অতিরিক্ত রক্তপাতের(Bleeding) সমস্যা আছে।

এমন সমস্যা একদিনে তৈরি হয় না। আপনার শরীরের ভেতরকার কোনো সমস্যাই এর জন্য দায়ী। তাই একের বেশি সাইকেলে এই ধরনের সমস্যা হলেই ডাক্তার দেখানোর কথা ভাবতে হবে।

বাড়তি রক্তপাত বা মেনোরেজিয়ার কারণ:

* ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের ভারসাম্যই ইউটেরাসের ভিতরের লাইনিং বা এন্ডোমেট্রিয়াম গঠন করে। মাসিক ঋতুচক্রের সময়ে এই এন্ডোমেট্রিয়ামটাই নির্গত হয় শরীর থেকে, কিছুদিনের মধ্যে ফের গড়ে ওঠে। হরমোনের স্তরে কোনো গোলমাল হলে এন্ডোমেট্রিয়াম(Endometrium) মোটা হয়ে যায়, ফলে রক্তপাতও বেশি হয়।

* ওভারিতে কোনো সমস্যা থাকে, ইউটেরাসে ফাইব্রয়েড বা পলিপ তৈরি হয় তা হলে অতিরিক্ত রক্তপাত(Bleeding) হতে পারে।

* অনেক সময়ে নন-হরমোনাল ইন্ট্রা ইউটেরাইন ডিভাইস শরীরে প্রবেশ করালে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও হেভি ব্লিডিং হতে পারে।

* প্রেগন্যান্সির(Pregnancy) মধ্যে রক্তপাত হলে বুঝতে হবে যে কোথাও কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেই তেমনটা হচ্ছে।

মেনে চলুন কিছু সাবধানতা:

* অতিরিক্ত রক্তপাত থেকে কিন্তু অ্যানিমিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ডাক্তার দেখানো বা তার পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি আয়রন(Iron) সমৃদ্ধ খাবার খান।

* খুব বেশি রক্তক্ষয় হলে ক্লান্তিবোধ থাকবে, নিয়মিত কাজকর্ম করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে বিশ্রাম নিন, জোর করে কাজ করতে যাবেন না। ব্যায়াম(Exercise) করাও বন্ধ রাখুন কয়েকদিন।

* খুব বেশি রক্তপাত হলে কিন্তু আপনার কোষগুলো যথেষ্ট অক্সিজেন(Oxygen) পাবে না, সেক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে একেবারেই দেরি করবেন না।

Post a Comment

0 Comments